ছবি আবু হেনা মোস্তফা কামাল

ছবি আবু হেনা মোস্তফা কামাল

পাঠ-পরিচিতি: “ছবি” কবিতাটি আবু হেনা মোস্তফা কামালের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘আপন যৌবন বৈরী’ থেকে সংকলিত হয়েছে। ছবি আবু হেনা মোস্তফা কামাল এ কবিতায় রোমান্টিক কবি নতুন স্বাধীনতাপ্রাপ্ত বাংলাদেশকে মহান শিল্পীর তুলিতে আঁকা একটি কালজয়ী ছবি হিসেবে কল্পনা করেছেন। কবি নিপুণ শব্দের ছবি এঁকে বুঝিয়ে দেন ত্রিশ লক্ষ খাঁটি বাঙালি-শিল্পী তথা শহিদের দীর্ঘ নয় মাসের শ্রমে-আত্মদানে সৃজিত হয়েছে এই ছবি। তাঁর নিশ্চিত ধারণা, রঙের জাদুকর শিল্পী ভ্যান গগও ছবিটিতে ছড়ানো রঙের আশ্চর্য গাঢ়তা কখনো দেখেননি। কবি মনে করেন, ছবিটিতে ব্যবহৃত অসংখ্য নরমুণ্ডের ব্যবহার ত্রিশ লক্ষ শহিদের আত্মদানের সংগ্রামী চেতনাকে ধারণ করে আছে, যা এই ছবির মতো দেশটির গৌরবময় স্মারক। ত্রিশ লক্ষ শহিদের রক্তস্নাত সুন্দর এই দেশ পরিদর্শনের জন্য কবি বিদেশিদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন কবিতায়।

বানান সতর্কতা (Orthography): আমন্ত্রণ, স্পট, স্ফীত, স্টার্লিং, শিশুতোষ, শিল্পী, তীব্রতা, মেসি, সঞ্চয়, উল্লেখযোগ্য, সম্পূর্ণ, সম্প্রতি, পর্যটন, তত্ত্বাবধান,  আশ্চর্য, নরমুণ্ড, ক্রমাগত, শস্য, গাঢ়তা, আর্যবংশ।

চৌম্বক তথ্য (Magnetic Information):

  • আবু হেনা মোস্তফা কামাল ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দের ১২ মার্চ সিরাজগঞ্জ জেলার গোবিন্দা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
  • আবু হেনা মোস্তফা কামালের রোমান্টিক কবিস্বভাব তাঁর কবিতাকে নন্দনশোভন করেছে।
  • শব্দের বহুমুখী দ্যোতনা ও চিত্রধর্মিতা তাঁর কবিতার প্রধান সম্পদ।
  • ‘ছবি’ কবিতাটি আবু হেনা মোস্তফা কামালের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ আপন যৌবন বৈরী ’ থেকে সংকলিত হয়েছে।
  • এই কবিতায় কবি নতুন স্বাধীনতাপ্রাপ্ত বাংলাদেশকে মহান শিল্পীর তুলিতে আঁকা একটি কালজয়ী ছবি হিসেবে কল্পনা করেছেন।
  • কবি নিপুণ শব্দের ছবি এঁকে বুঝিয়ে দিয়েছেন ত্রিশ লাখ সংগ্রামীর দীর্ঘ নয় মাসের শ্রমে-আত্মদানে সৃজিত হয়েছে এই ছবি।
  • কবির মতে , ছবিটিতে ব্যবহৃত অসংখ্য নরমুণ্ডের ব্যবহার ত্রিশ লাখ সংগ্রামীর আত্মদানের সংগ্রামী চেতনাকে ধারণ করে আছে।
  • ত্রিশ লাখ সংগ্রামীর রক্তস্নাত সুন্দর এই দেশ পরিদর্শনের জন্য কবি বিদেশিদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ।
  • ‘ছবি’ কবিতাটি গদ্যছন্দে রচিত । গদ্যছন্দে কোনো সুনির্দিষ্ট পর্ব ও মাত্রাসাম্য থাকে না ।
  • আঁকা ছবিতে সঞ্চারিত বিশেষ কোনো চিন্তা বা বাণীকেই চিত্রশিল্পে থিম্ বলা হয় । থিম্ – এর মাধ্যমে একটি ছবির মৌলিক ও বিশ্বজনীন মূল্য প্রতিভাত হয় ।

শদার্থ ও টীকা:

  1. মনোহারী স্পট  – চিত্তাকর্ষক পর্যটনস্থল ।
  2. ডলার – আমেরিকা , অস্ট্রেলিয়াসহ ইউরোপ ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সরকারি মুদ্রার নাম ।
  3. মার্ক  –   বিভিন্ন জাতিরাষ্ট্রের মুদ্রার নাম বা হিসাবের একক । সোনা ও রুপার ওজন পরিমাপে মার্ক হিসাবের একক হয়ে কাজ করে ।
  4. স্টার্লিং – স্টার্নিং পাউন্ড ।
  5. ডাল্লাস – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের অন্যতম জনাকীর্ণ নগর ।
  6. মেম্ফিস – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ – পশ্চিমাঞ্চলের অঙ্গরাজ্য টেনিসির একটি নগর । নগরটি মিসিসিপি নদীর তীরে অবস্থিত ।
  7. কালিফোর্নিয়া – আয়তনের দিক থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় বৃহত্তম অঙ্গরাজ্য ।
  8. শিল্প মানেই নকল নয় কি ? – কাব্যতাত্ত্বিক অ্যারিস্টটল বলেছেন , সাহিত্য বা শিল্প হচ্ছে জীবনের বা ঘটনার অনুকরণ । এ অর্থেই কবি শিল্পকে ‘ নকল ‘ বলেছেন ।
  9. খাঁটি আর্যবংশ সম্ভৃত – আর্য মানে Aryan । মানবজাতিবিশেষ । এখানে খাঁটি বাঙালি চেতনার ধারক এক মহামানবকে বোঝানো হয়েছে ।
  10. ত্রিশ লক্ষ কারিগর – বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ত্রিশ লক্ষ শহিদ ।

বাংলা কবি সাহিত্যিকদের উপাধি

গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নাত্তর:

১। ‘ছবি’ কবিতার রচয়িতা কে? উত্তর: ‘ছবি’ কবিতার রচয়িতা আবু হেনা মোস্তফা কামাল।
২। কবি কিসের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ? উত্তর: কবি তাঁর দেশে বেড়াতে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
৩। কবির দেশে তেমন কোনো কী নেই ? উত্তর : কবির দেশে তেমন কোনো মনোহারী স্পট নেই।
৪। ‘ছবি’ কবিতায় কয়টি বিদেশি মুদ্রার নাম উল্লেখ আছে ? উত্তর : ‘ ছবি ’ কবিতায় তিনটি বিদেশি মুদ্রার নাম উল্লেখ আছে।
৫। ‘ছবি’ কবিতায় উল্লিখিত মুদ্রাগুলোর নাম কী ? উত্তর : ‘ ছবি ’ কবিতায় উল্লিখিত মুদ্রাগুলোর নাম হলো- ডলার , মার্ক, স্টার্লিং।
৬। ছবি ’ কবিতায় কয়টি বিদেশি স্থানের নাম উল্লেখ আছে ? উত্তর : ‘ ছবি ‘ কবিতায় তিনটি বিদেশি স্থানের নাম উল্লেখ আছে।
৭। ‘ ছবি ‘ কবিতায় উল্লিখিত বিদেশি স্থানগুলোর নাম কী ? উত্তর : ‘ ছবি ‘ কবিতায় উল্লিখিত বিদেশি স্থানগুলোর নাম ডাল্লাস, মেম্ফিস ও কালিফোর্নিয়া।
৮। কবি তার দেশের সৌন্দর্যকে বিদেশি স্থানগুলোর তুলনায় কিসের মতো বলেছেন ? উত্তর : কবি তার দেশের সৌন্দর্যকে বিদেশি ব্যানগুলোর তুলনায় শিশুতোষ বলেছেন।
৯। কবির মতে কোনো শিল্পীর কাজে কী পাওয়া যাবে না ? উত্তর : কবির মতে কোনো শিল্পীর কাছে তার দেশের মতো রঙের ব্যবহার , বিষয়ের এমন তীব্রতা পাওয়া যাবে না।
১০। কবির মতে শিল্প মানেই কী ? উত্তর : কবির মতে শিল্প মানেই নকল।
১১। আবু হেনা মোস্তফা কামাল সমগ্র শিক্ষাজীবনে কী হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন ? উত্তর : আবু হেনা মোস্তফা কামাল সমগ্র শিক্ষাজীবনে কৃতী ছাত্র হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন।
১২। কবি কোন দফতরের প্রধান ? উত্তর : কবি পর্যটন দফতরের প্রধান।
১৩। কবি কাদেরকে তাঁর দেশে আসার জন্য অনুরোধ করেছেন ? উত্তর : কবি বিদেশি পর্যটকদের তাঁর দেশে আসার জন্য অনুরোধ করেছেন।
১৪। কবির দেশ সম্প্রতি কেমন করে সাজানো হয়েছে ? উত্তর : সম্প্রতি কবির দেশ সম্পূর্ণ নতুন একটি ছবির মতো করে সাজানো হয়েছে।
১৫। ‘ ছবি ‘ কবিতায় কোন বংশের নাম উল্লেখ আছে ? উত্তর : ‘ ছবি ‘ কবিতায় আর্যবংশের নাম উল্লেখ আছে।
১৬। কবির জন্মভূমির সৌন্দর্য কোন শিল্পীর তত্ত্বাবধানে নির্মিত ? উত্তর : কবির জন্মভূমির সৌন্দর্য খাঁটি আর্যবংশসম্ভূত শিল্পীর কঠোর তত্ত্বাবধানে নির্মিত।
১৭। কতটা দীর্ঘ পরিশ্রমে ছবিটি বানানো হয়েছে ? উত্তর : নয় মাসের দীর্ঘ পরিশ্রমে ছবিটি বানানো হয়েছে।
১৮। নবনির্মিত ছবির রং এখনও অনেক জায়গায় কেমন ? উত্তর : নবনির্মিত ছবির রং এখনও অনেক জায়গায় কাঁচা।
১৯। ‘ ছবি ’ কবিতায় কোন মহান শিল্পীর নাম উল্লেখ আছে ? উত্তর : ‘ ছবি ’ কবিতায় শিল্পী ভ্যান গগের নাম উল্লেখ আছে।
২০। কবির মতে ভ্যান গগ কোথা থেকে নীল তুলে এনে ব্যবহার করতেন ? উত্তর : কবির মতে ভ্যান গগ আকাশ থেকে নীল তুলে এনে ব্যবহার করতেন।
২১। আবু হেনা মোস্তফা কামাল কত সালে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন ? উত্তর : আবু হেনা মোস্তফা কামাল ১৯৬৯ সালে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
২২। কবির দেশের ছবিতে কিসের ক্রমাগত ব্যবহার রয়েছে ? উত্তর : কবির দেশের ছবিতে নরমুণ্ডের ক্রমাগত ব্যবহার রয়েছে।
২৩। কবির মতে কিসের ভেতরে গভীর সাজেশন আছে ? উত্তর : কবির মতে তাঁর দেশের ছবির মধ্যে নরমুণ্ডের ক্রমাগত ব্যবহারের ভেতরে গভীর সাজেশান আছে।

বাংলা কবি সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম

প্রশ্ন:১। কবি তাঁর দেশের প্রকৃতিকে অকৃত্রিম বলেছে? উত্তর : দেশের সৌন্দর্য প্রাকৃতিক নিয়মে পড়ে উঠেছে তাঁর দেশের প্রকৃতিকে অকৃত্রিম বলেছেন । কবির জন্মভূমির প্রকৃতি কোনো শিল্পীর তুরিন , উঠেছে সাধারণ নিয়মেই । তাঁর দেশের সৌন্দর্যের দিকে তাকাল কৃত্রিমতার কোনো ছোঁয়া পাওয়া যাবে না । তাই কবি তাঁর দেশের প্রকৃতিকে অকৃত্রিম বলেছেন ।

প্রশ্ন ২। ‘ ছবি ‘ কবিতায় ত্রিশ লাখ কারিগর বলতে কী? উত্তর : ‘ ছবি ‘ কবিতায় ত্রিশ লাখ কারিগর বলতে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী ব্যক্তিদের বোঝানো হয়েছে । এক সাগর রক্তের বিনিময়ে আমাদের স্বাধীনতা অর্জিত । এ রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা যুদ্ধে প্রায় ত্রিশ লাখ মানুষ শহিদ হন । কবি এই শহিদদেরকে মূলত দেশ গড়ার কারিগর হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন , যাদের আত্মত্যাগে মহীয়ান আমাদের স্বাধীনতা ।

প্রশ্ন ৩। ‘ ছবি ‘ কবিতায় কবির কোন অনুভূতির ঘটেছে ? ব্যাখ্যা কর । উত্তর : ‘ ছবি ‘ কবিতায় কবির স্বদেশের স্বাধীনতার জন্য আত্মদানকারী শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার অনুভূতির প্রতিফলন ঘটেছে । ‘ ছবি ‘ কবিতায় কবি নতুন স্বাধীনতাপ্রাপ্ত বাংলাদেশকে মহান শিল্পীর তুলিতে আঁকা একটি কালজয়ী ছবি হিসেবে কল্পনা করেছেন । কবি মনে করেন , ছবিটিতে ব্যবহৃত অসংখ্য নরমুণ্ডের ব্যবহার ত্রিশ লাখ শহিদের আত্মদানের সংগ্রামী চেতনাকে ধারণ করে আছে ; যা এই ছবির মতো দেশটির গৌরবময় স্মারক । স্বাধীনতার জন্য আত্মদানকারীদের প্রতি কবি গভীরভাবে শ্রদ্ধাশীল । কারণ তাঁদের আত্মত্যাগ অকৃত্রিম । তাই তিনি ত্রিশ লক্ষ শহিদের রক্তস্নাত সুন্দর এ দেশ পরিদর্শনের জন্য বিদেশিদের উদার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন । এদেশের মানুষের আত্মদানের মহিমায় তারাও আপ্লুত হবে , বিশেষ চিন্তায় প্রাণিত হবে । তুলনার

প্রশ্ন ৪। কবি তাঁর কবিতায় ভ্যান গগের কথা উল্লেখ করেছেন কেন ? উত্তর : কবি ভ্যান গগের চিত্রের সঙ্গে এ দেশের সৌন্দর্য জন্য ভ্যান গগের কথা আলোচ্য কবিতায় উল্লেখ করেছেন। ভ্যান গগ একজন বিখ্যাত চিত্রশিল্পী। যার ছবির মধ্যে ছিল। বাস্তবতার ছোঁয়া । তাই কবি বলেছেন তিনি আকাশ থেকে নীল আর শস্য থেকে সোনালি রং তুলে এনে চিত্রকর্মে ব্যবহার করতেন। কবি এর সঙ্গে তাঁর দেশের তুলনা করেছেন। মূলত কবি নিজ দেশের সৌন্দর্যের সঙ্গে ভ্যান গগের চিত্রকর্মের তুলনা করার জন্যই তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন।

প্রশ্ন ৫। কবি তাঁর দেশের ছবিতে ‘ নরমুন্ডের ব্যবহার ‘ বলতে কী বুঝিয়েছেন ? উত্তর : কবি তাঁর দেশের ছবিতে নরমুণ্ডের ব্যবহার বলতে স্বাধীনতা যুদ্ধে অগণিত আত্মদানকে বুঝিয়েছেন । ছবি আবু হেনা মোস্তফা কামাল| ১৯৭১ সালে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে এদেশ স্বাধীন হয় । এই স্বাধীনতা যুদ্ধে এদেশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় । শহিদ হন । প্রায় ত্রিশ লাখ মানুষ , যা কবির মতে এদেশের ছবিতে ব্যবহৃত হয়েছে । এ বিষয়টি বোঝাতে আলোচ্য কবিতায় কবি উক্ত কথাটি ব্যবহার করেছেন ।

প্রশ্ন ৬। ওর ভেতরেও একটা গভীর সাজেশান আছে’- চরণটি দ্বারা কবি কী বুঝিয়েছেন ? উত্তর : প্রশ্নোত্ত চরণটি দ্বারা কবি বাঙালির স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গের বিষয়টি বুঝিয়েছেন । ‘ ছবি ‘ কবিতার কবি যে ছবিটি কল্পনা করেছেন এটি মূলত এদেশের ছবি , যা সহজে অর্জিত হয়নি । এটি অর্জন করতে হয়েছে ত্রিশ লাখ শহিদের রক্তের বিনিময়ে , যা কবির ছবির ভেতরে একটি গভীর সাজেশান হিসেবে উল্লেখ করেছেন । প্রশ্নোত্ত চরণটি দ্বারা এ বিষয়টি বোঝানো হয়েছে ।

প্রশ্ন ৭। ‘ এই ছবির মতো দেশের ধিম ‘ বলতে কী বোঝানো হয়েছে ? উত্তর : এই ছবির মতো দেশের থিম বলতে এদেশের স্বাধীনতা অর্জনে রক্তক্ষয়ী সংগ্রামকে বোঝানো হয়েছে । বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পেছনে রয়েছে এক রক্তাক্ত ইতিহাস । ১৯৭১ সালে দীর্ঘ নয় মাস বাঙালি জলে , স্থলে , প্রান্তরে হানাদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে । এই যুদ্ধে প্রায় ত্রিশ লাখ মানুষ শহিদ হয়েছে , যা কবির ছবি মতোই এদেশের থিম বলে উল্লেখ করেছেন ।

প্রশ্ন ৯। ড্যান গগ কে ছিলেন ? উত্তর : ভ্যান গগ ছিলেন বিশ্ববিখ্যাত ডাচ চিত্রশিল্পী । ছবি আবু হেনা মোস্তফা কামাল| তাঁর পুরো নাম ভিনসেন্ট উইলেম ভ্যান গগ। তিনি ১৮৫৩ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দে মারা যান । ভ্যান গগ পোস্ট ইম্প্রেশনিস্ট শিল্পী হিসেবে সমধিক পরিচিত । তাঁর আঁকা ছবিগুলো বিশ শতকের চিত্রশিল্পে আবেগের সততা , রুঢ় সৌন্দর্য ও গাঢ় রং ব্যবহারের কুশলতায় প্রভূত প্রভাব বিস্তার করেছিল । ছবি আবু হেনা মোস্তফা কামাল|

প্রশ্ন ১০। ‘ খাঁটি আর্যবংশ সম্ভৃত ‘ দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে ? উত্তর : প্রশ্নোত্ত কথাটি দ্বারা খাঁটি বাঙালি চেতনার ধারক এক মহামানবকে বোঝানো হয়েছে । আর্য মানে Aryan । মানবজাতিবিশেষ । ছবির মতো এই দেশ গড়ার কাজ করেছেন ত্রিশ লাখ কারিগর । তাঁদের দীর্ঘ নয় মাস দিন – রাত পরিশ্রমের ফসল এই ছবি । তাঁরা কাজ করেছেন খাঁটি আর্যবংশসভূত শিল্পীর তত্ত্বাবধানে । যাঁর নেতৃত্বে তৈরি হওয়া এই ছবির রং এখনও কোথাও কোথাও কাঁচা । তবে খাঁটি আর্যবংশসম্ভূত শিল্পীর তত্ত্বাবধানে আঁকা এই ছবির রং আশ্চর্য রকমের গাঢ় । তাই বাঙালির এই সফল ছবি আঁকার পেছনে । খাটি আর্যবংশসদ্ভূত এই শিল্পীর ভূমিকা অপরিসীম । ছবি আবু হেনা মোস্তফা কামাল|

HSC বাংলা সাহিত্য গল্প,কবিতা,উপন্যাস

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্তুতি-
নংগল্প + কবিতার নামসাহিত্যিকদের নামলিঙ্ক
০১আমার পথকাজী নজরুল ইসলামClick
০২বিড়ালবঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
০৩চাষার দুক্ষুবেগম রোকেয়া সাখাওয়াতClick
০৪বায়ান্নর দিনগুলোশেখ মুজিবুর রহমানClick
০৫অপরিচিতারবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick
০৬মাসি-পিসিমানিক বন্দ্যোপাধ্যায়Click
০৭জীবন ও বৃক্ষমোতাহের হোসেন চৌধুরীClick
০৮জাদুঘরে কেন যাবআনিসুজ্জামানClick
০৯নেকলেসগী দ্য মোপাসাঁ/ পূর্ণেন্দু দস্তিদারClick
১০রেইনকোটআখতারুজ্জামান ইলিয়াসClick
১১আহ্বানবিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়Click
১২মহাজাগতিক কিউরেটরমুহম্মদ জাফর ইকবালClick
১৩সাম্যবাদীকাজী নজরুল ইসলামClick
১৪ঐকতানরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick
১৫বিভীষণের প্রতি মেঘনাদমাইকেল মধূসুদন দত্তClick
১৬নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়সৈয়দ শামসুল হকClick
১৭তাহারেই পড়ে মনেসুফিয়া কামালClick
১৮ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯শামসুর রাহমানClick
১৯রক্তে আমার অনাদি অস্থি দিলওয়ার খানClick
২০ সেই অস্ত্রআহসান হাবিবClick
২১আঠারো বছর বয়সসুকান্ত ভট্টাচার্যClick
২২লোক লোকান্তরমীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদClick
২৩এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে জীবনানন্দ দাশClick
২৪আমি কিংবদন্তির কথা বলছিআবু জাফর ওবায়দুল্লাহClick
২৫লালসালুসৈয়দ ওয়ালীউল্লাহClick
২৬সিরাজউদ্দৌলাসিকান্দার আবু জাফরClick
২৭বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদনবঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
২৮বিদ্রােহীকাজী নজরুল ইসলাম Click
২৯গৃহরোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন Click
৩০মানব কল্যাণ-আবুল ফজলClick

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *