বিদ্রোহী- কাজী নজরুল ইসলাম

বিদ্রোহী- কাজী নজরুল ইসলাম

পাঠ পরিচিতি:

কাজী নজরুল ইসলাম রচিত “বিদ্রোহী” কবিতাটি কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবাণী’ (১৯২২) থেকে সংকলিত হয়েছে। অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় কবিতা “বিদ্রোহী”। “বিদ্রোহী” বাংলা সাহিত্যের একটি শ্রেষ্ঠ কবিতা। রবীন্দ্রযুগে এ কবিতার মধ্য দিয়ে এক প্রাতিম্বিক কবিকণ্ঠের আত্মপ্রকাশ ঘটে- যা বাংলা কবিতার ইতিহাসে এক বিরল স্মরণীয় ঘটনা। ‘‘বিদ্রোহী” কবিতায় আত্মজাগরণে উন্মুখ কবির সদয় আত্মপ্রকাশ ঘোষিত হয়েছে। বিদ্রোহী- কাজী নজরুল ইসলাম কবিতায় সগর্বে কবি নিজের বিদ্রোহী কবিসত্তার প্রকাশ ঘটিয়ে ঔপনিবেশিক ভারতবর্ষের শাসকদের শাসন ক্ষমতার ভিত কাঁপিয়ে দেন। এ কবিতায় সংযুক্ত রয়েছে ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে কবির ক্ষোভ ও বিদ্রোহ। কবি সকল অন্যায় অনিয়মের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করতে গিয়ে। বিভিন্ন ধর্ম, ঐতিহ্য, ইতিহাস ও পুরাণের শক্তি উৎস থেকে উপকরণ উপাদান সমীকৃত করে নিজের বিদ্রোহী সত্তার অবয়ব রচনা করেন। কবিতার শেষে ধ্বনিত হয় অত্যাচারীর অত্যাচারের অবসান কাম্য। বিদ্রোহী কবি উৎকণ্ঠ ঘোষণায় জানিয়ে দেন যে, উৎপীড়িত জনতার ক্রন্দনরোল যতদিন পর্যন্ত প্রশমিত না হবে ততদিন এই বিদ্রোহী কবিসত্তা শান্ত হবে না। এই চির বিদ্রোহী অভ্রভেদী চির উন্নত শিররূপে বিরাজ করবে।

ছন্দ:

বিদ্রোহী কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত হলেও সর্বত্র পূর্ব ও মাত্রাসংখ্যা সমভাবে সুরক্ষিত হয়নি। কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া একশ ছেচল্লিশ বার ব্যবহৃত ‘ আমি’র অধিকাংশ ‘ আমি’ই অতিপর্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, যা সর্বত্রই দুই মাত্রা কিন্তু প্রতি পঙ্ক্তির শেষ অপূর্ণ পর্বটি সর্বত্র সমমাত্রাসম্পন্ন নয়। সর্বোপরি, অতিপর্ব, অপূর্ণ পর্ব এবং কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া কবিতাটি ২ + ৬ + ৪ পূর্ণমাত্রাকারে সুবিন্যস্ত।

শব্দার্থ ও টীকা:

  • মম – আমার।
  • দুর্দম –  দমন করা শক্ত এমন, দুর্দান্ত, দুরন্ত।
  • দুর্বিনীত  –  অবিনয়ী, উদ্ধত, অশিষ্ট।
  • নৃশংস – নির্দয়, নিষ্ঠুর, হিংস্র।
  • পৃথ্বী – পৃথিবী।
  • দুর্বার – নিবারণ করা বা বাধা দেওয়া শক্ত এমন, দুর্নিবার।
  • উচ্ছৃঙ্খল  –  শৃঙ্খলাহীন, শৃঙ্খলাকে অতিক্রান্ত।
  • শ্মশান – শবদাহের স্থান, মশান।
  • ভালে – কপালে।
  • রণতূর্য  – রণশিঙ্গা, যুদ্ধঘোষণা বা যুদ্ধযাত্রার সময় যে শিঙ্গা বাজানো হতো।
  • হুঙ্কার – গর্জন, সিংহনাদ।
  • ধর্মরাজ – যুধিষ্ঠির, ধর্মঠাকুর।
  • দাবানল – বনের গাছে গাছে ঘর্ষণের ফলে যে আগুনের সৃষ্টি হয়, বন দহনকারী অগ্নি।
  • দাহন  – দগ্ধকরণ, পোড়ানো, সন্তাপ সৃষ্টিকারী।
  • উন্মন – অন্যমনস্ক, উদাস।
  • পথবাসী  – নিরাশ্রয়, পথে বাস করে এমন।
  • অবমানিত  – অবহেলিত, অপমানিত, অসম্মানিত, পরিত্যক্ত।
  • মলয় অনিল – মলয় পর্বত থেকে আসা স্নিগ্ধ বাতাস।
  • বেণু বীণ – বাঁশ নির্মিত বাদ্যযন্ত্র, বাঁশের বাঁশি।
  • তিয়াসা –  তৃষ্ণা, পিপাসা।
  • রৌদ্র রুদ্র রবি –  সূর্যের উত্তপ্ত কিরণকে এখানে রৌদ্রদগ্ধ বা রবির ক্রুদ্ধ অবস্থা বোঝানো হয়েছে।
  • সিন্ধু উতলা  – উত্তাল সাগর, ভাবাবেগে আকুল সাগর।
  • রুষে উঠি  – রাগে খেপে উঠি।
  • নিখিল অখিল  –  সমগ্র বিশ্ব, সমুদয় সৃষ্টি।
  • উপাড়ি  – উপড়ে ফেলে, উৎপাটিত করে।
  • ক্রন্দন রোল  – কান্নার শব্দ, রোদন ধ্বনি।
  • রণভূম – যুদ্ধক্ষেত্র।
  • রণক্লান্ত –  যুদ্ধে ক্লান্ত, যুদ্ধে অবসন্ন।

বানান সতর্কতা:

হিমাদ্রি, দুর্বিনীত, নৃশংস, সাইক্লোন, ধ্বংস, উচ্ছৃঙ্খল, টর্পেডো, ধূর্জটি, শ্মশান, ইন্দ্রাণী, ওঙ্কার, ত্রিশূল, ক্ষ্যাপা, বিশ্বামিত্র উন্মন, ক্রন্দন, হুতাশী, লাঞ্ছিত, বেণু-বীণ, নিদাঘ-তিয়াসা, রৌদ্র রুদ্র, অর্ফিয়াস, বাঁশরী, দোজখ, নিঃক্ষত্রিয়, স্কন্ধ, উৎপীড়িত, খড়গ-কৃপাণ, ক্লান্ত।

চৌম্বক তথ্য:

  • ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত।
  • ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি কবির ‘ অগ্নিবীণা’ ( ১৯২২ ) কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া।
  • ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় কবি শাসকদের শোষণ, অত্যাচার ও উৎপীড়নের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছেন।
  • ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় কবি অধিকারবঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ের পক্ষে বিদ্রোহ করেছেন।
  • ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় কবি বিদ্রোহের বাণী দ্বারা অধিকারবঞ্চিত মানুষকে অধিকারসচেতন করে তুলতে চেয়েছেন।
  • ‘বিদ্রোহী’ বাংলা সাহিত্যের একটি শ্রেষ্ঠ কবিতা।
  • ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় আত্মজাগরণে উন্মুখ কবির সদম্ভ আত্মপ্রকাশ ঘোষিত হয়েছে।
  • ‘বিদ্রোহী’ কবিতার শেষে কবি অবসান কামনা করেছেন
  • ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় কবি ‘ আমি ‘ শব্দটি বারবার ব্যবহার করে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিকে জোরালো করেছেন।
  • ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় কবির আত্মশক্তির ও কবিসত্তার যে প্রকাশ ঘটেছে সেটি তাঁর একার শক্তি নয়, সমস্ত প্রতিবাদী মানুষের সমন্বিত শক্তি।
  • ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় মহা বিদ্রোহী বীর নিজেকে ছাড়া অন্য কাউকে পরোয়া করেন না।
  • ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় বিদ্রোহী বীর ভয়শূন্য, অসম সাহসী সৈনিক।
  • ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় বিদ্রোহী বীর কারও শাসন মানেন না। তিনি নিজেই সবার জন্য মহা ভয়।
  • ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় বিদ্রোহী বীর প্রচন্ড আত্মবিশ্বাসী, নিজেকে ছাড়া অন্য কাউকে কুর্নিশ করেন না।
  • ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।

পাঠ বিশ্লেষণ:

  • বল বীর-
  • বল উন্নত মম শির!
  • শির নেহারি আমারি, নতশির ওই শিখর হিমাদ্রির!
  • আমি চিরদুর্দম, দুর্বিনীত, নৃশংস, মহা – প্রলয়ের আমি নটরাজ, আমি সাইক্লোন, আমি ধ্বংস!
  • আমি মহাভয়, আমি অভিশাপ পৃথ্বীর,

বিদ্রোহী- কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহী বীর। তাঁর বীরসত্তা সত্য ও ন্যায়ের শক্তিতে অটুট। অসীম সাহসী কবি আত্মবিশ্বাসে বলীয়ান। আত্মজাগরণে উন্মুখ কবি নিজেই নিজের বীরসভার সদম্ভ ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন আমার শির বা মস্তক প্রত্যক্ষ করে হিমালয়ের শিখর বা শীর্ষচূড়া পর্যন্ত মাথা নত করে আছে। তিনি বিদ্রোহী, তাঁকে দমন করা কঠিন। তিনি শত্রুর কাছে উত্থত, শিষ্টাচারবর্ষিত, নির্দয়, নিষ্ঠুর। তিনি সৃষ্টির ধ্বংসকাল, মহাপ্রলয়। যে প্রলয়ে সৃষ্টির দেবতার আসন টুটে যায়। অন্যায়, অকল্যাণ, অমাদের অবসানকল্পে তাঁর বিদ্রোহ সাইক্লোন সদৃশ, তা পৌরাণিক কাহিনির নটরাজের তান্ডবের সঙ্গে তুলনীয়। তিনি নিজে ভয়শূন্য, অথচ অন্যায়কারীর জন্য মহাভয়। পৃথিবীর সমস্ত শোষক নির্যাতকের জন্য তিনি অভিশাপরূপ।

  • আমি দুর্বার,
  • আমি ভেঙে করি সব চুরমার!
  • আমি অনিয়ম উচ্ছৃঙ্খল,
  • আমি দলে যাই যত বন্ধন, যত নিয়ম কানুন শৃঙ্খল!
  • আমি মানি না কো কোন আইন,
  • আমি ভরা-তরী করি ভরা-ডুবি, আমি টর্পেডো,
  • আমি ভীম ভাসমান মাইন।
  • আমি ধূর্জটি, আমি এলোকেশে ঝড় অকাল- বৈশাখীর
  • আমি বিদ্রোহী, আমি বিদ্রোহী-সুত বিশ্ব – বিধাতৃর!

কাজেই তাঁকে কোনোভাবেই দমন করা যাবে না। কারণ নিবারণ করা যায় না এমন কঠিন তিনি। তিনি সবকিছু ভেঙে চুরমার করে দিতে পারেন। তিনি প্রচন্ড সাহসী ও স্বাধীন। তিনি শাসকের কোনো আইন মানেন না। তাদের সমস্ত নিয়ম – শৃঙ্খল উপেক্ষা করে তিনি অনিয়ম, উচ্ছৃঙ্খল। শোষকের নিয়ন্ত্রণে তিনি থাকেন না। তিনি নিজের ইচ্ছায় চলেন। যথেচ্ছাচারী বিদ্রোহী তিনি। কোনো বন্ধন তাঁকে বাঁধতে পারে না। তিনি যেন ডুবোজাহাজ থেকে নিক্ষেপণযোগ্য অস্ত্র টর্পেডো। সহজেই শত্রুর ভরা- তরির ভরাডুবি করতে পারেন। তিনি জটাধারী শিব ধূর্জটির মতো ধুষরূপী। তাঁর এলানো কেশ অকাল বৈশাখী ঝড়ের মতো। তিনি বিশ্ববিধাতার বিদ্রোহী পুত্র।

  • বল বীর চির-
  • উন্নত মম শির!
  • আমি সৃষ্টি, আমি ধ্বংস, আমি লোকালয়, আমি শ্মশান,
  • আমি অবসান, নিশাবসান।
  • আমি ইন্দ্রণী- সুত হাতে চাঁদ ভালে সূর্য
  • মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ- তূর্য,
  • আমি বেদুঈন, আমি চেলিস, আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্ণিশ!

কবি গর্বিত যে তিনি বীর। মর্যাদায় তিনি চির উন্নত। তাঁর শিল্প বা মস্তক জগতে মর্যাদার শীর্ষে অবস্থান করে। কারণ তিনি অসত্য ও অসুন্দরকে ধ্বংস করে সত্য ও সুন্দরকে গড়ে তুলতে জানেন। যারা সামাজিক জীবনধারায় অভ্যস্ত মানুষের অধিকার হরণ করে তাদেরকে সুন্দর জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে তাঁর বিদ্রোহ। তিনি রাতের অন্ধকার দূরকারী সূর্যালোকের মতো মানুষের পরাধীনতার নিশাবসানকারী ইন্দ্রানীর পুত্র জয়ন্ত সদৃশ। একদিকে মানুষের জন্য তাঁর গভীর ভালোবাসা, অন্যদিকে সেই ভালোবাসা রক্ষার জন্য বিদ্রোহ। তাই তিনি এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরি এবং অন্য হাতে যুদ্ধাস্ত্র নিয়ে শত্রুর মুখোমুখি হতে উত্থত এক বীর। আরব দেশের যাযাবর জাতি বেদুইন কিংবা মোগল জাতির নেতা বীর যোদ্ধা চেঙ্গিস খানের বৈশিষ্ট্যও তিনি তাঁর শক্তিমত্তার মধ্যে ধারণ করেন। এটি তাঁর অহংকার যে তিনি বীর। তাই তিনি নিজেকে ছাড়া অন্য কাউকে কুর্নিশ বা অভিবাদন করেন না।

  • আমি বল, ঈশান – বিষাণে ওঙ্কার,
  • আমি ইস্রাফিদের শিঙ্গার মহা হুঙ্কার, আমি পিণাক
  • পাণির ডমরু ত্রিশূল, ধর্মরাজের দন্ড,
  • আমি চক্র ও মহা শঙ্খ, আমি প্রণব – নাদ প্রচন্ড !
  • আমি ক্ষ্যাপা দুর্বাসা, বিশ্বামিত্র – শিষ্য, আমি দাবানল – দাহ, দাহন করিব বিশ্ব।

শাসক- শোষকের জন্য তিনি বজ্রের মতো কঠিন। তাঁর বিদ্রোহী চেতনার ধ্বনি ঈশান কোণ থেকে ভেসে আসা ‘ ওঁকার ‘ ধ্বনির মতো। পবিত্র কোরানে উল্লিখিত বিশিষ্ট ফেরেশতা ইস্রাফিলের শিঙ্গার মহা- হুঙ্কার হয়েতিনি এসেছেন পৃথিবীর সমস্ত অন্যায় অবসানের জন্য। তিনি বিদ্রোহী বীর। শিবের পিণাক- পাণির ডমরু- ত্রিশূলের মতো তাঁর হাতেও বাদ্যযন্ত্র ও যুদ্ধান্ত। বিষ্ণুর হাতের চক্র ও শঙ্খের মতো তিনি ; তিনি ওৎকার ধ্বনি। তিনি একদিকে যেমন কঠোর তপস্যায় ব্রাহ্মণত্ব লাভকারী ক্ষত্রিয়কুলধন্য কোপন – স্বভাব মুনি দুর্বাসার অনুরূপ। সেই মুনির মতো বিশ্বামিত্র- ব্রহ্মর্ষি, অন্যদিকে তেমনই শত্রুর জন্য কোপানল দাহে অন্যায়ের বিশ্বকে দাহন করতে পারেন। তিনি নৈয়ায়িক ও মানবিক বলেই অমানবিক আচরণকারীদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন।

  • আমি উন্মন মন উদাসীর,
  • আমি বিধবার বুকে ক্রন্দন- শ্বাস, হা হুতাশ আমি হুতাশীর।
  • আমি বঞ্চিত ব্যথা পথবাসী চির গৃহহারা যত পথিকের,
  • আমি অবমানিতের মরম বেদনা, বিষ – জ্বালা, প্রিয় লাঞ্ছিত
  • বুকে গতি ফের
  • আমি উত্তর- বায়ু মলয়- অনিল উদাস পুরবী হাওয়া,
  • আমি পথিক- কবির গভীর রাগিণী, বেণু – বীণে গান গাওয়া।
  • আমি আকুল নিদাঘ- তিয়াসা, আমি রৌদ্র- রুদ্ধ রবি
  • আমি মরু- নির্ঝর যার ঝর, আমি শ্যামলিমা ছায়া ছবি!

বিদ্রোহী- কাজী নজরুল ইসলাম মানবিক বলে তিনি উদাসীর উদাসীনতার কারণ যেমন বুঝতে পারেন তেমনই হা- হুতাশকারীর কষ্ট- যন্ত্রণাও অনুভব করতে পারেন। সেই বোধ- বিবেচনায় তিনি অন্যায়কারীদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন। কারণ তিনি তাঁর বুকে একজন বিধবার বুকের কল্পন- শ্বাসের যন্ত্রণা অনুভব করেন চির গৃহহারা বঞ্চিত মানুষের জন্য। তাদের যথ তার বুকে লাগে। বিশ্বের সমস্ত অবমানিতের মরম বে তাদের কষ্ট- যন্ত্রণা, বিষ – জ্বালা তিনি অনুধাবন করতে পারেন। তাই তিনি সমস্ত লাঞ্ছিতের বুকে জাগরণের ফেরাতে চান। পূরবী হাওয়া দিয়ে তাদের জাগাতে চান। পথিক – কবির গভীর রাগিণী তিনি ধারণ করে নিয়ে এসেছেন। ঋতু বদলের ফলে প্রকৃতির মধ্যে যে শিহরণ জাগে, সুর বাজে তিনি তার বিদ্রোহের বীণায় সেই সুরঃ তুলেছেন মানবতার মুক্তির জন্য, পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মানুষের মুক্তির জন্য। একদিকে তিনি যেমন গ্রীষ্মের তিয়াসার রৌদ্র – রুদ্র রবি, অন্যদিকে তিনি মরুর বুকে ঝরনার মতো স্নিগ্ধ শীতল ছায়া।

গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর:

  • প্রশ্ন ২০। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কাজী নজরুল ইসলামকে কোন ডিগ্রি প্রদান করে ?
  • উত্তর : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কাজী নজরুল ইসলামকে ডি – লিট ডিগ্রি প্রদান করে।
  • প্রশ্ন ২১। বিদ্রোহী বীর কার হাতের বাঁশরি ?
  • উত্তর : বিদ্রোহী বীর শ্যামের হাতের বাঁশরি।
  •  প্রশ্ন ২২। ‘ বিদ্রোহী ‘ কবিতায় কততম নরকের কথা বলা হয়েছে ?
  • উত্তর : ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় সপ্তম নরকের কথা বলা হয়েছে।
  •  প্রশ্ন ২৩। ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় বীরের ভয়েকী নিভে নিভে যায় ?
  • উত্তর : ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় বীরের ক্রোধের ভয়েহাবিয়া দোজখ নিভে নিভে যায়।
  •  প্রশ্ন ২৪। ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় কবি কী দলে যান ?
  • উত্তর : ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় কবি শাসকের বন্ধন নিয়ম- কানুন শৃঙ্খল দলে যান।
  •  প্রশ্ন ২৫। ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় কিসের তানে পাশরি ?
  • উত্তর : ‘ বিদ্রোহী’ কবিতায় বাঁশরির তানে পাশরি।
  •  প্রশ্ন ২৬। কবি কী দিয়েবিশ্ব দাহন করতে চেয়েছেন ?
  • উত্তর : কবি দাবানল- দাহ দিয়েবিশ্ব দাহন করতে চেয়েছেন।
  •  প্রশ্ন ২৭। ‘ বিদ্রোহী ‘কবিতায় কঠোর কুঠারটি কার ?
  • উত্তর : ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় কঠোর কুঠারটি পরশুরামের।
  •  প্রশ্ন ২৮। কবি কী ধরনের শান্তি আনতে চেয়েছেন ?
  • উত্তর : কবি শান্ত, উদার শান্তি আনতে চেয়েছেন।
  •  প্রশ্ন ২৯। ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় আকাশে বাতাসে কী ধ্বনিবে না ?
  • উত্তর : আকাশে বাতাসে উৎপীড়িতের ক্রন্দন রোল ধ্বনিবে না।
  •  প্রশ্ন ৩০। ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় কবি কার বুকের ক্রন্দন- শ্বাসের কথা বলেছেন ?
  • উত্তর : ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় কবি বিধবার বুকের ক্রন্দন- শ্বাসের কথা বলেছেন।
  •  প্রশ্ন ৩১। ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় কবি কার মরম বেদনার কথা বলেছেন ?
  • উত্তর : ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় কবি অবমানিতের মরম বেদনার কথা বলেছেন।
  •  প্রশ্ন ৩২। ‘ বিদ্রোহী’ কবিতায় কবি কার গভীর রাগিণী ?
  • উত্তর : ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় কবি পথিক – কবির গভীর রাগিণী।
  •  প্রশ্ন ৩৩। ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় আকুল – নিদাঘ – তিয়াসার কথা বলেছেন কে ?
  • উত্তর : ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় কবি আকুল নিদাঘ – তিয়াসার কথা বলেছেন।
  •  প্রশ্ন ৩৪। ইন্দ্রের স্ত্রী ইন্দ্রাণীর অন্য নাম কী ?
  • উত্তর : ইন্দ্রের স্ত্রীর ইন্দ্রাণীর অন্য নাম শচী।
  •  প্রশ্ন ৩৫। ডমরু কী ?
  • উত্তর : ডমরু হচ্ছে ডুগডুগি জাতীয় বাদ্যযন্ত্র।
  •  প্রশ্ন ৩৬। মহর্ষি অত্রির স্ত্রীর নাম কী ?
  • উত্তর : মহর্ষি অত্রির স্ত্রীর নাম অনসূয়া।
  • প্রশ্ন ৩৭। মরু- নির্ঝর কী ?
  • উত্তর : মরু- নির্ঝর হচ্ছে মরুভূমির ঝরনা।
  • প্রশ্ন ৪১। কবি নিখিল বিশ্ব নিরুকুম করতে চেয়েছেন কী দিয়ে?
  • উত্তর : কবি নিখিল বিশ্ব নিঝুকুম করতে চেয়েছেন ‘ চুমু ‘ দিয়ে।
  •  প্রশ্ন ৪২। ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় বিদ্রোহী – বাহী কে ?
  • উত্তর : ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় বিদ্রোহী- বাহী কবি নিজে।
  •  প্রশ্ন ৪৩। কবি কী ছাড়িয়েউঠেছেন ?
  • উত্তর : কবি বিশ্ব ছাড়িয়েউঠেছেন।
  •  প্রশ্ন ৩৮। পরশুরাম কয়বার ক্ষত্রিয়দের নিধন করেন ?
  • উত্তর : পরশুরাম একুশবার ক্ষত্রিয়দের নিধন করেন।
  •  প্রশ্ন ৩৯। গ্রিক পুরাণ অনুসারে গানের দেবতা কে ?
  • উত্তর : গ্রিক পুরান অনুসারে গানের দেবতা এ্যাপোলো
  • প্রশ্ন ৪০। পুরাণ কাহিনি অনুসারে বিষ্ণুর হাত কয়টি ?
  • উত্তর : পুরাণ কাহিনি অনুসারে বিষ্ণুর হাত চারটি।

MCQ প্রশ্নোত্তর:

০১। বিদ্রোহী কবিসত্ত্বা কার?
(ক) কাজী নজরুল ইসলাম
(খ) জীবনানন্দ দাস
(গ) ফররুখ আহমেদ
(ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
০২। বিদ্রোহী কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
(ক) অগ্নিবীণা
(খ) বিষের বাঁশি
(গ) সর্বহারা
(ঘ) সাম্যবাদী
০৩। ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়?
(ক) ১৯২২
(খ) ১৯২৩
(গ) ১৯২১
(ঘ) ১৯২৪
০৪। কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয়?
(ক) দোলন চাঁপা
(খ) পূরবী
(গ) ছায়ানট
(ঘ) পুবের হাওয়া
০৫। নজরুল ইসলাম কারাবরণ করেন-
(ক) ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যের জন্য
(খ) ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ কবিতার জন্য
(গ) ‘নবযুগ’ কাব্যের জন্য
(ঘ) ‘বিদ্রোহী’ কবিতার জন্য
০৬। কোনটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত গ্রন্থ?
(ক) বন্দীর বন্দনা
(খ) বিষের বাঁশী
(গ) রূপসী বাংলা
(ঘ) অগ্নিকোণ
০৭। কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কী?
(ক) অগ্নিবীণা
(খ) সাম্যবাদী
(গ) সর্বহারা
(ঘ) দোলনচাঁপা
০৮। কোনটি নজরুলের কাব্যগ্রন্থ নয়?
(ক) সন্ধ্যা
(খ) এষা
(গ) বিষের বাঁশি
(ঘ) সর্বহারা
০৯। কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের কাব্য নয়?
(ক) ছায়ানট
(খ) নতুন চাঁদ
(গ) ব্যথার দান
(ঘ) চক্রবাক
১১।‘বিদ্রোহী’ কবিতায় উন্নত শির কার?
(ক) কবির
(খ) যোদ্ধার
(গ) পাহাড়ের
(ঘ) বৃক্ষের
১২। ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় নত শিরের সঙ্গে কিসের সম্পর্ক রয়েছে?
(ক) বৃক্ষের
(খ) কবির
(গ) পাষাণের
(ঘ) হিমাদ্রির
১৩। চির, দুর্দম, দুর্বিনীত, নৃসংশ কে?
(ক) মানুষ
(খ) পাঠক
(গ) কবি
(ঘ) রাজা
১৪। নিচের কোনটি সুষ্টির ধ্বংসকালকে নির্দেশ করে?
(ক) মহাপ্রলয়
(খ) মহাকাল
(গ) মহাবিপ্লব
(ঘ) মাহাশ্মশান
১৫। কে নিজেকে বিশ্ববিধাত্রীর বিদ্রোহী পুত্র বলে উল্লেখ করেছেন?
(ক) মানুষ
(খ) পাঠক
(গ) কবি
(ঘ) রাজা
১৬। কবি কার জন্য অভিশাপ?
(ক) বিবেকর
(খ) পৃথ্বীর
(গ) চেতনার
(ঘ) যাতনার
১৭। কবি কী মানেন না?
(ক) আইন
(খ) সভ্যতা
(গ) মানবতা
(ঘ) সততা
১৮। বন্ধন, নিয়ম, কানুন ও শৃঙ্খলকে কবি কী করেন?
(ক) আটকে রাখেন
(খ) দলে যান
(গ) যত্ন করেন
(ঘ) অবহেলা করেন
১৯। ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় কোনটি ভরা ডুবির তথা বলা হয়েছে?
(ক) ভরা জ্যোৎা
(খ) ভড়া তরি
(গ) ভরা কলস
(ঘ) ভরা পূর্ণিমা
২০। ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় কবি কেমন মাইনের কথা উল্লেখ করেছেন?
(ক) ঝুলন্ত মাইন
(খ) ভাসমান মাইন
(গ) ডুবন্ত মাইন
(ঘ) মৃত মাইন
২১। ইন্দ্রণী-সুতের হাতে কী?
(ক) সূর্য
(খ) চাঁদ
(গ) শশ্মান
(ঘ) অন্ধকার
২২। কবির হাতে কেমন বাঁশির কথা বলা হয়েছে?
(ক) বাঁশের বাঁশি
(খ) মন্থর বাঁশের বাঁশি
(গ) বাঁকা বাঁশের বাঁশি
(ঘ) কোনটি নয়
২৩। কবি নিজ ব্যাতীত অন্য কাউকে কী করনে না?
(ক) সালাম
(খ) নমস্কার
(গ) কুর্নিশ
(ঘ) অবহেলা
২৪। ‘ডমরু’ বলতে বোঝায়?
(ক) এক ধরনের অস্ত্র
(খ) ডুমুর গাছের ফল
(গ) তলোয়ার
(ঘ) ডুগডুগি জাতীয় যন্ত্র
২৫। পথিক কবির রাহিণী কেমন?
(ক) শীতল
(খ) গভীর
(গ) অস্থির
(ঘ) কোমল
২৬। কবি নিজেকে কার বাঁশি হিসাবে পরিচয় দিয়েছেন?
(ক) আর্ফিয়াসের
(খ) প্রমিথিউসের
(গ) ক্লিওপেট্টার
(ঘ) হারকিউলিসের
২৭। কবি কার কঠোর কুঠার?
(ক) দুর্গার
(খ) বিদ্রোহীর
(গ) বিশ্বমায়ের
(ঘ) পরশুরামের
২৮। যার চুল বা কেশ এলানো তাকে কী বলে?
(ক) এলাকেশে
(খ) পাগল বেশ
(গ) এলামেলো
(ঘ) ছদ্মবেশ
২৯। ‘বিদ্রোহী সুত’ বলতে কী বোঝায়?
(ক) বিদ্রোহী পুত্র
(খ) বিদ্রোহীর সুত্র
(গ) বিদ্রোহের নেতা
(ঘ) বিদ্রোহের সময়
৩০। পরশুরামের অস্ত্র কী?
(ক) কুঠার
(খ) ত্রিশূল
(গ) তীর
(ঘ) ধনুক
৩১। ‘সুত’ শব্দের অর্থ কী?
(ক) পুত্র
(খ) সুতা
(গ) স্রোত
(ঘ) সুর
৩২। পরশুরাম কে?
(ক) বীর যোদ্ধা
(খ) কবির বন্ধু
(গ) দেবতা
(ঘ) অসুর
৩৩। বেদুঈন-এর সাথে সম্পর্ক রয়েছে কোন জাতির?
(ক) আরব জাতির
(খ) মিশরের
(গ) ইরানের
(ঘ) জাপানের
৩৪। চেঙ্গিস-এর পুরো নাম কী?
(ক) চেঙ্গিস খান
(খ) চেঙ্গিস শেঠ
(গ) জন চেঙ্গিস
(ঘ) চেঙ্গিস শাহ
৩৫। ‘প্রণব নাদ’ শব্দের অর্থ কী?
(ক) ওঙ্কার ধ্বনি
(খ) ঐকতান
(গ) করুণ কান্না
(ঘ) মহাশব্দ
৩৬। ‘নিদাঘ’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
(ক) গ্রীষ্ম
(খ) বর্ষা
(গ) হেমন্ত
(ঘ) শরৎ
৩৭। ‘হল’ অর্থ কী?
(ক) লাঙ্গল
(খ) তীর
(গ) ধনুক
(ঘ) কুঠার
৩৮। ‘হাবিয়া দোজখ’ কয়টি দোজখের একটি?
(ক) সাতটি
(খ) আটটি
(গ) নয়টি
(ঘ) ছয়টি
৩৯। গ্রিক পুরাণের গানের দেবতা কে?
(ক) দুর্বাসা
(খ) অ্যাপোলো
(গ) নটরাজ
(ঘ) ভীম

৪০। ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী শিঙ্গায় ফুঁকদানকারী ফেরেশতার নাম কী?
(ক) জিব্রাইল
(খ) আজরাইল
(গ) মিকাঈল
(ঘ) ইসরাফিল

৪১। কোনটি কাজী নজরুলের ইসলামের লেখা উপন্যাস?
(ক) বিদ্রোহী
(খ) অগ্নিবীণা
(গ) দোলনচাঁপা
(ঘ) মৃত্যুক্ষুধা
৪২। কাজী নজরুল ইসলামের কাব্য বৈশিষ্ট্য কোনটি?
(ক) সামাজিক ও পারিবারিক জীবনের প্রতিচ্ছবি
(খ) সামাজিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসের চিত্রকর
(গ) প্রকৃতি ও মানবমনের সম্পর্কের সেতু বন্ধন
(ঘ) সামাজিক অবিচার ও পরাধীনতার বিরুদ্ধে সোচ্চার

 

HSC বাংলা সাহিত্য গল্প,কবিতা,উপন্যাস

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্তুতি-
নংগল্প + কবিতার নামসাহিত্যিকদের নামলিঙ্ক
০১আমার পথকাজী নজরুল ইসলামClick
০২বিড়ালবঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
০৩চাষার দুক্ষুবেগম রোকেয়া সাখাওয়াতClick
০৪বায়ান্নর দিনগুলোশেখ মুজিবুর রহমানClick
০৫অপরিচিতারবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick
০৬মাসি-পিসিমানিক বন্দ্যোপাধ্যায়Click
০৭জীবন ও বৃক্ষমোতাহের হোসেন চৌধুরীClick
০৮জাদুঘরে কেন যাবআনিসুজ্জামানClick
০৯নেকলেসগী দ্য মোপাসাঁ/ পূর্ণেন্দু দস্তিদারClick
১০রেইনকোটআখতারুজ্জামান ইলিয়াসClick
১১আহ্বানবিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়Click
১২মহাজাগতিক কিউরেটরমুহম্মদ জাফর ইকবালClick
১৩সাম্যবাদীকাজী নজরুল ইসলামClick
১৪ঐকতানরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick
১৫বিভীষণের প্রতি মেঘনাদমাইকেল মধূসুদন দত্তClick
১৬নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়সৈয়দ শামসুল হকClick
১৭তাহারেই পড়ে মনেসুফিয়া কামালClick
১৮ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯শামসুর রাহমানClick
১৯রক্তে আমার অনাদি অস্থি দিলওয়ার খানClick
২০ সেই অস্ত্রআহসান হাবিবClick
২১আঠারো বছর বয়সসুকান্ত ভট্টাচার্যClick
২২লোক লোকান্তরমীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদClick
২৩এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে জীবনানন্দ দাশClick
২৪আমি কিংবদন্তির কথা বলছিআবু জাফর ওবায়দুল্লাহClick
২৫লালসালুসৈয়দ ওয়ালীউল্লাহClick
২৬সিরাজউদ্দৌলাসিকান্দার আবু জাফরClick
২৭বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদনবঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
২৮বিদ্রােহীকাজী নজরুল ইসলাম Click
২৯গৃহরোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন Click
৩০মানব কল্যাণ-আবুল ফজলClick
৩১বিলাসীশরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
৩২সোনার তরীরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick
Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *