মানব কল্যাণ- আবুল ফজল

মানব কল্যাণ- আবুল ফজল

মানব কল্যাণ- আবুল ফজল

উৎস পরিচিতি ( Source ):

মানব কল্যাণ- আবুল ফজল ‘ মানবতন্ত্র ‘ গ্রন্থে সংকলিত হয় । ‘ মানব – কল্যাণ ’ প্রবন্ধটি ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দে রচিত । এটি প্রথমে রচনার বক্তব্যবিষয় ( Gist ) মানব – কল্যাণ ’ প্রবন্ধে লেখক জগতে মানবকল্যাণ সাধনের উপায় সম্পর্কে আলোচনা করেছেন । তিনি এতে মানবকল্যাণ ধারণাটির তাৎপর্য বিচারে সচেষ্ট হয়েছেন । মানবকল্যাণের উৎস মানুষের মর্যাদাবোধ ও মানবিক চেতনা বিকাশের মধ্যে নিহিত । মানবকল্যাণের প্রাথমিক সোপান হচ্ছে মানুষের মানবিক বৃত্তি বিকাশের ক্ষেত্র রচনা । মানুষের মধ্যকার সাম্প্রদায়িক দ্বিধা – বিভক্তি নিয়ে মানবকল্যাণ সাধন করা সম্ভব নয় । মানবকল্যাণ বলতে লেখক মূলত মানুষের ব্যবহারিক জীবনের কল্যাণকে বুঝিয়েছেন । সাধারণভাবে অনেকে দুস্থ মানুষকে করুণাবশত দান – খয়রাত করাকে মানবকল্যাণ মনে করে । কিন্তু লেখকের মতে এমন ধারণা খুবই সংকীর্ণ মনোভাবের পরিচায়ক । তাঁর মতে মানব – কল্যাণ হলো মানুষের সার্বিক মঙ্গলের প্রয়াস । এই কল্যাণের লক্ষ্য সব অবমাননাকর অবস্থা থেকে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থায় মানুষের উত্তরণ ঘটানো । লেখকের বিশ্বাস , মুক্তবুদ্ধির সহায়তায় পরিকল্পনামাফিক পথেই কল্যাণময় পৃথিবী রচনা করা সম্ভব ।

পাঠ – পরিচিতি:

মানব কল্যাণ- আবুল ফজল প্রবন্ধটি ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দে রচিত । এটি প্রথম ‘ মানবতন্ত্র ‘ গ্রন্থে সংকলিত হয় । এই রচনায় লেখক মানব কল্যাণ ধারণাটির তাৎপর্য বিচারে সচেষ্ট হয়েছেন । সাধারণভাবে অনেকে দুস্থ মানুষকে করুণাবশত দান – খয়রাত করাকে মানব কল্যাণ মনে করেন । কিন্তু লেখকের মতে , এমন ধারণা খুবই সংকীর্ণ মনোভাবের পরিচায়ক । তাঁর মতে , মানব কল্যাণ হলো মানুষের সার্বিক মঙ্গলের প্রয়াস । এ কল্যাণের লক্ষ্য সকল অবমাননাকর অবস্থা থেকে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থায় মানুষের উত্তরণ ঘটানো । লেখকের বিশ্বাস , মুক্তবুদ্ধির সহায়তায় পরিকল্পনামাফিক পথেই কল্যাণময় পৃথিবী রচনা করা সম্ভব

শব্দার্থ ও টীকা:

  1. শিরোনাম – প্রবন্ধ রচনাদির নাম ।
  2. মামুলি – প্রথানুযায়ী , গতানুগতিক , অতি সাধারণ ।
  3. উপলব্ধি – অনুভূতি , বোধ , লব্ধ জ্ঞান ।
  4. দীনতা – দরিদ্রতা ।
  5. বীভৎস – অতিশয় কদর্য , ঘৃণ্য , বিকৃত ।
  6. অবমাননা – অপমান , অসম্মান ।
  7. খয়রাত – দান , বিতরণ , ভিক্ষা ।
  8. অবশ্যম্ভাবী – নিশ্চয় ঘটবে এমন ।
  9. স্বাবলম্বন – আত্মনির্ভরতা , নিজ শক্তি দ্বারা কর্ম করা ।
  10. সোপান – সিঁড়ি ।
  11. সংযোগ – মিলন , সংলগ্নতা , মিশ্রণ , যোগাযোগ ।
  12. স্বয়ম্ভূ – স্বয়ং সৃষ্ট , স্বেচ্ছায় শরীরধারী , ব্রহ্মা , বিষ্ণু , শিব ।
  13. অলৌকিক – লোকাতীত , ইহলোকের নয় এমন ।
  14. অবিচ্ছেদ্য – বিযুক্ত বা খণ্ডিতকরণের অযোগ্য বা অসাধ্য ।
  15. জাগতিক – জগৎ বা ইহলোক সম্বন্ধীয় , পার্থিব ।
  16. রিহেবিলিটেশন – পুনর্বাসন ।
  17. বিক্ষিপ্ত – এলোমেলো , অস্থির , ইতস্তত ছড়ানো ।
  18. স্ফুরণ – স্ফুটন – কম্পন , স্পন্দন , প্রকাশ , বিকাশন ।
  19. অস্তিত্ববাদ – সত্তার বিদ্যমানতা সম্পর্কিত মতবাদ , ঈশ্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাস ।
  20. চাটুকার – তোষামোদ করে এমন , তোষামোদকারী ।
  21. ক্ষুণ্ণ – দুঃখিত , ব্যথিত , ক্ষুব্ধ ।
  22. সংক্রান্ত – সম্পর্কিত , সম্বন্ধীয় ।
  23. বর্তায় – প্রযোজ্য হয় , উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্য হওয়া ।
  24. বাহবা – উচ্ছ্বসিত প্রশংসা , প্রবল সমর্থন ।

বানান সতর্কতা ( Orthography ):

অবিস্মরণীয় , গোষ্ঠীবদ্ধ , অস্তিত্ব , ক্ষুণ্ণ , মনুষ্যত্ববোধ , বর্ষণ , বীভৎস , অবশ্যম্ভাবী , স্বাবলম্বন , আত্মমর্যাদাসম্পন্ন , স্বয়ম্ভু , স্রেফ , কণ্ঠস্বর , স্ফুরণ – স্ফুটন , দৃষ্টিভঙ্গি , পরিণতি , স্বীকৃতি , তাচ্ছিল্য , মনীষা ।

চৌম্বক তথ্য ( Magnetic Information ):

  1. ‘ মানব – কল্যাণ ‘ প্রবন্ধের লেখক আবুল ফজল ।
  2. আবুল ফজলের জন্ম চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ১৯০৩ সালে ।
  3. আবুল ফজল শিক্ষকতা , অধ্যাপনা , বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং রাষ্ট্রপতির উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেছেন ।
  4. আবুল ফজলের লেখায় স্বদেশ ও ঐতিহ্যপ্রীতি , মানবতা ও শুভবোধ এবং আধুনিক অসাম্প্রদায়িক জীবনবোধ প্রতিফলিত হয়েছে ।
  5. মানবকল্যাণ সাধনে অসাম্প্রদায়িক ধর্মচেতনা একান্ত জরুরি ।
  6. একুশে ফেব্রুয়ারি সম্পর্কে তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধ ‘ একুশ মানে মাথা নত না করা ‘ ।
  7. চিন্তাশীল প্রাবন্ধিক আবুল ফজলের মৃত্যু ১৯৮৩ সালের ৪ মে চট্টগ্রামে । তাঁর ‘ মানব – কল্যাণ ‘ প্রবন্ধটি ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দে রচিত ।
  8. মানব – কল্যাণ ‘ প্রবন্ধটি প্রথম ‘ মানবতন্ত্র ‘ গ্রন্থে সংকলিত হয় ।
  9. মানবকল্যাণ অলৌকিক কিছু নয় , তা জাগতিক মানবধর্ম ।
  10. ‘ মানব – কল্যাণ ‘ প্রবন্ধে মানবকল্যাণ ধারণাটির তাৎপর্য বিচার করা হয়েছে ।
  11. মানবকল্যাণ অর্থ করুণাবশত দান – খয়রাত করা নয় ।
  12. মানবকল্যাণ হচ্ছে মানুষের সার্বিক মঙ্গলের প্রয়াস ।
  13. মানবকল্যাণের লক্ষ্য হচ্ছে অবমাননাকর অবস্থা থেকে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থায় মানুষের উত্তরণ ঘটানো ।
  14. আবুল ফজলের মতে , মুক্তবুদ্ধির সহায়তায় কল্যাণময় পৃথিবী রচনা করা সম্ভব ।
  15. মানবকল্যাণের প্রকৃত ধারণা লাভ করতে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টাতে হবে ।
  16. সমস্যা সমাধানের জন্য মানুষকে বৈজ্ঞানিক , ( Rational ) ও সুবুদ্ধি – নিয়ন্ত্রিত হতে হবে ।
  17. “ মানব – কল্যাণ— এ শিরোনাম আমার দেওয়া নয় ।
  18. ” মানবকল্যাণ বলতে মানুষের জীবনের উৎকর্ষের জন্য মানুষের উপকার করাকে বোঝায় ।
  19. মানবকল্যাণ কথাটা সস্তা ও মামুলি অর্থেই আমরা প্রচলিত ধারণায় ব্যবহার করে থাকি ।
  20. যে কারণে এটি প্রবন্ধকারের দেওয়া শিরোনাম নয় ।
  21. “ ওপরের হাত সব সময় নিচের হাত থেকে শ্রেষ্ঠ ।
  22. ” ওপরের হাত বলতে দাতার হাতকে বোঝায় ।
  23. এই হাত থেকে অনুগ্রহ বর্ষণ করা হয় ।
  24. অন্যদিকে নিচের হাত বলতে গ্রহীতার হাতকে বোঝায় , মানুষ যে হাত পেতে কারও দান গ্রহণ করে ।
  25. “ সে সোপান রচনাই সমাজ আর রাষ্ট্রের দায়িত্ব ।
  26. ” মানবকল্যাণের প্রাথমিক সোপান রচনা সমাজ ও রাষ্ট্রের দায়িত্ব ।
  27. সমাজ ও রাষ্ট্রের কাছে মানুষের অধিকার ও মর্যাদা সমান ।
  28. মানুষ যাতে মানবিক বৃত্তি বিকাশের পথ অনুসরণ করে বেড়ে উঠতে পারে , সেই সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়াই মানবকল্যাণের প্রাথমিক কাজ ।
  29. সত্যিকার মানব – কল্যাণ মহৎ চিন্তা – ভাবনারই ফসল ।
  30. ” কালে কালে জগতের মহৎ ব্যক্তিরা মানবকল্যাণের জন্য চিন্তা ভাবনা করেছেন এবং বাস্তবে প্রতিফলন ঘটিয়ে তার আদর্শ রেখে গেছেন ।
  31. বিদ্যাপতি , চণ্ডীদাস , লালন থেকে আধুনিককালের রবীন্দ্রনাথ , নজরুল সবাই মানবিক চেতনার উদাত্ত সত্যিকার
  32. মানবকল্যাণ তাঁদেরই মহৎ চিন্তা – ভাবনার ফসল ।
  33. স্রেফ সদিচ্ছা দ্বারা মানব – কল্যাণ সাধিত হয় না ।
  34. ” লালন করে তা কার্যকর না করলে মানবকল্যাণ সাধন করা যায় না ।
  35. মানবকল্যাণের জন্য প্রয়োজন উদ্যোগ , সঠিক পরিকল্পনা , স্লোগান ও কর্মনিষ্ঠা । তাহলেই সদিচ্ছা সফলতা লাভ করে ।

লেখক পরিচিতি

শিক্ষাজীবন : আবুল ফজল ১৯০৩ সালের ১ জুলাই চট্টগ্রামের জন্মগ্রহণ করেন । গ্রামের প্রাইমারি পড়ার পর চট্টগ্রাম শহরে প্রাইমারি স্কুলে ভর্তি হন । পরে ১৯১৩/১৪ সালে চট্টগ্রাম সরকারি মাদরাসায় দ্বিতীয় শ্রেণিতে ভর্তি হন । ১৯২৩ সালে ম্যাট্রিক, ১৯২৫ সালে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন । তিনি ১৯২৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ ডিগ্রি লাভ করেন । ১৯৪০ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন ।

কর্মজীবন : শিক্ষাজীবন শেষে ১৯৩১ সালে মসজিদে ইমামতির মাধ্যমে পেশাগত জীবন শুরু করেন । চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল , চট্টগ্রাম সরকারি মাদরাসা ও চট্টগ্রাম কাজেম আলী বেসরকারি হাইস্কুলে চাকুরী করেন । ১৯৩৩ সালে তিনি খুলনা জেলা স্কুলে দ্বিতীয় পণ্ডিতের পদে স্থায়ীভাবে যোগ দেন । ১৯৩৭ সালে তিনি চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুলে সহকারী ইংরেজি শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন । ১৯৪১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের কৃষ্ণনগর কলেজে বাংলা বিষয়ের লেকচারার পদে যোগদান করেন । সেখান থেকে ১৯৪৩ সালে তিনি চট্টগ্রাম কলেজে বদলি হন এবং সেখান থেকেই ১৯৫৬ সালে অধ্যাপক হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন । ১৯৭৩ সালে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য পদে যোগদান করেন । ১৯৭৫ সালের নভেম্বর থেকে ১৯৭৭ সালের ২৩ জুন পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে শিক্ষা ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন ।

সাহিত্য সাধনা : মানব কল্যাণ- আবুল ফজল কথাশিল্পী হিসেবে পরিচিতি অর্জন করলেও তিনি ছিলেন মূলত চিন্তাশীল প্রাবন্ধিক । স্বদেশপ্রেম , দায়িক চিন্তা – চেতনা , সত্যনিষ্ঠা , মানবতা ও কল্যাণবোধ ছিল তাঁর সাহিত্যকর্মের প্রতিপাদ্য বিষয় । তাঁর প্রবন্ধে সাহিত্য , সংস্কৃতি , সমাজ ও রাষ্ট্র সম্পর্কে গভীর ও স্বচ্ছ দৃষ্টির পরিচয় বিধৃত । আধুনিক অসাম্প্রদায়িক জীবনবোধ , স্বদেশ মানবতা ও শুভবোধ তাঁর সাহিত্যকর্মের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় । আবুল ফজল উপন্যাস , ছোটগল্প , নাটক , মাতৃকথা , ধর্ম , ভ্রমণকাহিনী ইত্যাদি বিষয়ে বহু গ্রন্থ রচনা করেন ।

উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে-
উপন্যাস : ‘ ( ১৯৩৪ ) , ‘ রাঙা প্রভাত ‘ ( ১৩৬৪ ) ;
গল্পগ্রন্থ: মাটির পৃথিবী ‘ ( ১৩৪৭ ) , ‘ মৃতের আত্মহত্যা ‘ ; প্রবন্ধ সাহিত্য সংস্কৃতি সাধনা ‘ , ‘ সাহিত্য সংস্কৃতি ও জীবন ‘ , ‘ সমাজ সাহিত্য ও রাষ্ট্র ‘ , ‘ মানবতন্ত্র ‘ , ‘ একুশ মানে মাথা নত না করা ‘ । নির্মীলিপি । ‘ রেখাচিত্র ” , ” দুর্দিনের দিনলিপি ‘ ।

পুরস্কার ও সম্মাননা : সাহিত্য চর্চায় অসাধারণ অবদানের জন্য ২০১২ সালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করা হয় । এছাড়াও তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার ( ১৯৬২ ) , আদমজী সাহিত্য পুরস্কার ( ১৯৬০ ) , মাসিরুদ্দীন স্বর্ণপদক ( ১৯৮০ ) , মুক্তধারা সাহিত্য পুরস্কার ( ১৯৮১ ) , আব্দুল হাই সাহিত্য পদক ( ১৯৮২ ) এবং সমকাল পুরস্কার লাভ করেছেন ।
মৃত্যু: চট্টগ্রামে ১৯৮৩ সালের ৪ মে মৃত্যুবরণ করেন ।

পাঠ্যবই বিশ্লেষিত:

প্রশ্ন ১। আবুল ফজল কত সালে জন্মগ্রহণ করেন ?
উত্তর : আবুল ফজল ১৯০৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন ।
প্রশ্ন ২। আবুল ফজল কোথায় জন্মগ্রহণ করেন ?
উত্তর : আবুল ফজল চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন ।
প্রশ্ন ৩। আবুল ফজল কত বছর কলেজে অধ্যাপনা করেছেন ?
উত্তর : আবুল ফজল প্রায় ত্রিশ বছর কলেজে অধ্যাপনা করেছেন ।
প্রশ্ন ৪। আবুল ফজলের পিতার নাম কী ?
উত্তর : আবুল ফজলের পিতার নাম ফজলুর রহমান ।
প্রশ্ন ৫। আবুল ফজল কোথায় শিক্ষাজীবন অতিবাহিত করেন ?
উত্তর : আবুল ফজল চট্টগ্রাম এবং ঢাকায় শিক্ষাজীবন অতিবাহিত করেন ।
প্রশ্ন ৬। আবুল ফজল কত সালে মারা যান ?
উত্তর : আবুল ফজল ১৯৮৩ সালে মারা যান ।
প্রশ্ন ৭। কোন কথাটি মামুলি অর্থে ব্যবহৃত হয়ে থাকে ?
উত্তর : মানব কল্যাণ ‘ কথাটি ।
প্রশ্ন ৮। একমুষ্টি ভিক্ষা দেওয়াকে আমরা সাধারণভাবে কী মনে করে থাকি ?
উত্তর : মানবকল্যাণ
প্রশ্ন ৯। মানুষ যে হাত পেতে গ্রহণ করে , সেটি কোন হাত ?
উত্তর : নিচের হাত ।
প্রশ্ন ১০। অনুগ্রহকারী আর অনুগৃহীতের মধ্যে কোন দিক থেকে তফাত ?
উত্তর : অনুগ্রহকারী আর অনুগৃহীতের মধ্যে মনুষ্যত্ব ও মানব মর্যাদার দিক থেকে তফাত ।
প্রশ্ন ১১। জাতির যৌথ জীবন আর যৌথ চেতনার প্রতীক কী ?
উত্তর : রাষ্ট্র জাতির যৌথ জীবন আর যৌথ চেতনার প্রতীক ।
প্রশ্ন ১২। রাষ্ট্রের বৃহত্তর দায়িত্ব কী ?
উত্তর : রাষ্ট্রের বৃহত্তর দায়িত্ব জাতিকে আত্মমর্যদাসম্পন্ন করে ।
প্রশ্ন ১৩। মানবকল্যাণের উৎস কিসের মধ্যে নিহিত ?
উত্তর : মানবকল্যাণের উৎস মানুষের মর্যাদাবোধ আর মানবিক চেতনা বিকাশের মধ্যে নিহিত ।
প্রশ্ন ১৪। ‘ মানব – কল্যাণ ‘ প্রবন্ধে একদিন এক ব্যক্তি কার কাছে ভিক্ষা চাইতে এসেছিল ?
উত্তর : ইসলামের নবির কাছে এক ব্যক্তি ভিক্ষা চাইতে এসেছিল । দিয়েছিলেন ?
প্রশ্ন ১৫। ‘ মানব – কল্যাণ ‘ প্রবন্ধ অনুসারে নবি ভিক্ষুককে কী
উত্তর : নবি ভিক্ষুককে একখানা কুড়াল কিনে দিয়েছিলেন ।
প্রশ্ন ১৬। মানবকল্যাণের প্রাথমিক সোপান কী ?
উত্তর : মানবিক বৃত্তি বিকাশের যথাযথ ক্ষেত্র রচনা করা ।
প্রশ্ন ১৭। মানবকল্যাণের প্রাথমিক সোপান রচনার দায়িত্ব কার ?
উত্তর : মানবকল্যাণের প্রাথমিক সোপান রচনার দায়িত্ব সমাজ ও রাষ্ট্রের ।
প্রশ্ন ১৮। মানুষের ভবিষ্যৎ জীবনের সূচনা হয় কোথা থেকে ?
উত্তর : মানুষের ভবিষ্যৎ জীবনের সূচনা হয় পরিবার থেকে ।
প্রশ্ন ১৯। প্রত্যেক মানুষ কিসের সঙ্গে সম্পর্কিত ?
উত্তর : প্রত্যেক মানুষ সমাজের সঙ্গে সম্পর্কিত ।
প্রশ্ন ২০। সামগ্রিকভাবে সমাজের ভালো – মন্দের সঙ্গে কোনটি
উত্তর : মানবকল্যাণ সমাজের ভালো – মন্দের সঙ্গে সংযুক্ত ।
প্রশ্ন ২১। কোন মনোভাব নিয়ে কারও কল্যাণ করা যায় না ?
উত্তর : বিভক্তিকরণের মনোভাব নিয়ে কারও কল্যাণ করা যায় না ।
প্রশ্ন ২২। সত্যিকার মানবকল্যাণ কিসের ফসল ?
উত্তর : সত্যিকার মানবকল্যাণ মহৎ চিন্তাভাবনার ফসল ।
প্রশ্ন ২৩। কারা মানবিক চিন্তা আর আদর্শের উত্তরাধিকার রেখে গেছেন ?
উত্তর : বাংলাদেশের মহৎ প্রতিভাবান সবাই ।
প্রশ্ন ২৪। মহৎ প্রতিভাবানদের উত্তরাধিকারকে আমরা কী করতে পারিনি ?
উত্তর : আমাদের জীবনে প্রয়োগ করতে পারিনি ।
প্রশ্ন ২৫। কারা মানবিক চেতনার উদাত্ত কণ্ঠস্বর ?
উত্তর : বিদ্যাপতি , চণ্ডীদাস , রবীন্দ্রনাথ , নজরুল প্রমুখ মানবিক চেতনার উদাত্ত কণ্ঠস্বর ।
প্রশ্ন ২৬। “ তুমি অধম , তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন ? ” কার উক্তি ?
উত্তর : বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ।
প্রশ্ন ২৭। আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিকে কী করতে হবে ?
উত্তর : আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিকে পাল্টাতে হবে ।
প্রশ্ন ২৮। কীভাবে সমস্যার মোকাবিলা করতে হবে ?
উত্তর : নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে সমস্যার মোকাবিলা করতে হবে ।
প্রশ্ন ২৯। জোড়াতালি দিয়ে কী করা যায় না ?
উত্তর : জোড়াতালি দিয়ে কোনো সমস্যার সমাধান করা যায় না ।
প্রশ্ন ৩০। কীভাবে কল্যাণময় পৃথিবী রচনা করা সম্ভব ?
উত্তর : মুক্তবুদ্ধির সহায়তায় সুপরিকল্পিত পথে ।

HSC বাংলা সাহিত্য গল্প,কবিতা,উপন্যাস

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্তুতি-
নংগল্প + কবিতার নামসাহিত্যিকদের নামলিঙ্ক
০১আমার পথকাজী নজরুল ইসলামClick
০২বিড়ালবঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
০৩চাষার দুক্ষুবেগম রোকেয়া সাখাওয়াতClick
০৪বায়ান্নর দিনগুলোশেখ মুজিবুর রহমানClick
০৫অপরিচিতারবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick
০৬মাসি-পিসিমানিক বন্দ্যোপাধ্যায়Click
০৭জীবন ও বৃক্ষমোতাহের হোসেন চৌধুরীClick
০৮জাদুঘরে কেন যাবআনিসুজ্জামানClick
০৯নেকলেসগী দ্য মোপাসাঁ/ পূর্ণেন্দু দস্তিদারClick
১০রেইনকোটআখতারুজ্জামান ইলিয়াসClick
১১আহ্বানবিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়Click
১২মহাজাগতিক কিউরেটরমুহম্মদ জাফর ইকবালClick
১৩সাম্যবাদীকাজী নজরুল ইসলামClick
১৪ঐকতানরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick
১৫বিভীষণের প্রতি মেঘনাদমাইকেল মধূসুদন দত্তClick
১৬নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়সৈয়দ শামসুল হকClick
১৭তাহারেই পড়ে মনেসুফিয়া কামালClick
১৮ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯শামসুর রাহমানClick
১৯রক্তে আমার অনাদি অস্থি দিলওয়ার খানClick
২০ সেই অস্ত্রআহসান হাবিবClick
২১আঠারো বছর বয়সসুকান্ত ভট্টাচার্যClick
২২লোক লোকান্তরমীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদClick
২৩এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে জীবনানন্দ দাশClick
২৪আমি কিংবদন্তির কথা বলছিআবু জাফর ওবায়দুল্লাহClick
২৫লালসালুসৈয়দ ওয়ালীউল্লাহClick
২৬সিরাজউদ্দৌলাসিকান্দার আবু জাফরClick
২৭বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদনবঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
২৮বিদ্রােহীকাজী নজরুল ইসলাম Click
২৯গৃহরোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন Click
৩০মানব কল্যাণ-আবুল ফজলClick
Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *