Monday, February 26, 2024
Home Blog

সোনার তরী- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

সোনার তরী- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

সোনার তরী- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

রচনার বক্তব্যবিষয়:

‘সোনার তরী’ কবিতাটি একটি রূপক কবিতা। এ কবিতায় একটি জীবনদর্শন অন্তলীন হয়ে আছে। কবিতাটি ‘একটি ছোট ধানখেত, তার চারপাশে স্রোতের বিস্তার, সোনার ধান নিয়ে। একা কৃষক, অবলীলায় তরি বেয়ে আসা মাঝি’- এই কয়েকটি চিত্রকল্প এবং এগুলোর অনুষঙ্গে রচিত। এই কবিতায় দ্বীপসদৃশ ধানখেতের চারপাশে ক্ষুরধার বর্ষার নদীস্রোত হিংস্র হয়ে খেলা করছে। সেখানে রাশি রাশি সোনার ধান নিয়ে অপেক্ষা করছে এক কৃষক, তার মনে নানা আশঙ্কা। সেখানে ভরা পালে তরি বেয়ে এক মাঝিকে আসতে দেখে কৃষকের মনে আশার সঞ্চার হয়। নিঃসঙ্গ কৃষক আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে ওঠে, তার মনে হয় মাঝিটি তার চেনা। কিন্তু সেই মাঝি নির্বিকারভাবে তার পাশ দিয়ে অজানা দেশের দিকে তরি নিয়ে চলে যেতে থাকে। তখন কৃষক তাকে কাতর অনুনয় করে কূলে তরি ভিড়িয়ে সোনার ধানটুকু নিয়ে যেতে। মাঝি তরি ভিড়িয়ে তাতে সোনার ধান ভরে নিয়ে অজানার পথে চলে যায়। সেই তরিতে ধানের স্থান হলেও কৃষকের স্থান হয় না। আর শূন্য নদীতীরে অপূর্ণতার বেদনা নিয়ে কৃষক একা গুমড়ে মরে। এভাবে এ কবিতার রূপকল্পটি পূর্ণতা লাভ করেছে। এখানে মহাকালের চিরন্তন স্রোতে মানুষ যে অনিবার্য বিষয়টি এড়াতে পারে না তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। মানুষ থাকে না, টিকে থাকে মানুষের সৃষ্ট সোনার ফসলরূপী উত্তম কর্ম। এভাবে কবির সৃষ্টিকর্ম কালের সোনার তরিতে স্থান পেলেও ব্যক্তি কবির স্থান সেখানে হয় না। এক অতৃপ্তির বেদনা নিয়ে তাকে অপেক্ষা করতে হয় অনিবার্যভাবে মহাকালের শূন্যতায় বিলীন হওয়ার জন্য।

শব্দার্থ:

  • ভরসা → আশা, আশ্বাস, নির্ভরশীলতা, আস্থা।
  • ক্ষুরধারা → ক্ষুরের মতো ধারালো যে প্রবাহ বা স্রোত।
  • খরপরশা → শাণিত বা ধারালো বর্শ। এখানে ধারালো বর্শার মতো।
  • তরুছায়া মসীমাখা → গাছ পালার কালচে রং মাখা।
  • আমি একেলা → কৃষক নিজে, কবির নিঃসঙ্গ অবস্থা প্রকাশ করেছে।
  • বাঁকা জল → বাঁকা জল এখানে কালস্রোতের খেলা।
  • থরে বিথরে → স্তরে স্তরে, সুবিন্যস্ত করে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

  1. ‘সোনার তরী’ কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সোনার তরী’ কাব্যগ্রন্থের নাম কবিতা।
  2. ‘সোনার তরী’ কবিতার কয়েকটি চিত্রকল্পÑএকটি ছোট ক্ষেত। চারপাশে প্রবল স্রোতের বিস্তার। সোনার ধান নিয়ে একলা কৃষক। অবলীলায় তরী বয়ে আসা।
  3. রবীন্দ্রনাথের ভাষায়, ‘মহাকাল আমার সর্বস্ব লইয়া যায় বটে, কিন্তু আমাকে ফেলিয়া যায় বিস্মৃতি ও অবহেলার মধ্যে।
  4. ‘সোনার তরী’ কবিতাটি ৮ মাত্রার মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।
  5. ‘সোনার তরী’ কবিতায় কে এই মাঝি? রবীন্দ্রনাথের মতে এই মাঝি আসলে মহাকালের প্রতীক।
  6. বিশ্বকবি পূর্ববঙ্গের শিলাইদহে পদ্মাবক্ষে, বোটে বসে ১২৯৮ বঙ্গাব্দের ফাল্গুন মাসে ‘সোনার তরী’ কবিতাটি রচনা করেন।
  7. ‘সোনার তরী’ কবিতাটি প্রকৃত অর্থেই দার্শনিকতাপূর্ণ একটি রূপক কবিতা।
  8. ‘সোনার তরী’ কবিতায় নির্ধারক বিশেষণ -রাশি রাশি ভারা ভারা।
  9. ‘সোনার তরী’ কবিতায় সাপেক্ষ সর্বনামের উদাহরণ যত চাও তত লও।
  10. ‘সোনার তরী’ কবিতায় ‘তরী’ কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে? – মহাকালের অনির্দৃষ্ট পরিসীমা অর্থে।
  11. ‘সোনার তরী’ কবিতার প্রথম লাইন-গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা।
  12. ‘সোনার তরী’ কবিতার শেষ লাইন-যাহা ছিল নিয়ে গের সোনার তরী।
  13. ‘সোনার তরী’ কবিতায় ‘সোনার ধান’ বলতে কবি বস্তুজগতে সৃজনশীল মানুসের সৃষ্টি সম্ভারকে বুঝিয়েছেন।

১. জন্মগ্রহণ – ৭ মে ১৮৬১ (২৫ বৈশাখ ১২৬৮)।
২. সম্পাদিত পত্রিকা – সাধনা, বঙ্গদর্শন,তত্ত্ববোধনী, ভারতী, ভান্ডার।
৩. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম – ভানুসিংহ ঠাকুর।
৪. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাহিত্যে নোবেল পায় – ১৯১৩ সালে।
৫. নোবেল চুরি হয় – ২০০৪ সালের ২৪ মার্চ শান্তিনিকেতন থেকে।
৬. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল পান – গীতাঞ্জলি কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ ঝড়হম ঙভভবৎরহমং এর জন্য।
৮. গীতাঞ্জলি ইংরেজি অনুবাদ করেন – ডবলিউ বি ইয়েটস।
৯. তার মোট কাব্য সংখ্যা – ৫৬ টি।
১০. প্রথম কাব্যগ্রন্থ – কবিকাহিনী।
১১. দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ – বনফুল।
১২. রবীন্দ্রনাথের শ্রেষ্ঠ কাব্য – সঞ্চয়িতা।
১৩. রবীন্দ্রনাথের শেষ কাব্যগ্রন্থ ও শেষ গ্রন্থ – শেষলেখা।
১৫. রবীন্দ্রনাথের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস – বৌ ঠাকুরাণীর হাট।
১৬. হিন্দিতে অনূদিত প্রথম উপন্যাস – রাজর্ষি।
১৭. বাংলা সাহিত্যে প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস – চোখের বালি।
১৮. রবীন্দ্রনাথের বৃহত্তম ও সর্বশ্রেষ্ঠ উপন্যাস – গোরা।
১৯. চলিত ভাষায় লিখিত প্রথম উপন্যাস – ঘরে বাইরে ।
২০. ছোটগল্প ধর্মী উপন্যাস – চতুরঙ্গ।
২২. ছোটগল্পের জনক – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
২৩. তার প্রকাশিত প্রথম ছোটগল্প – ভিখারিণী।
২৪. বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ছোটগল্প – দেনাপাওনা।
২৫. সর্বমোট ছোটগল্প – ১১৯ টি।
২৭. রবীন্দ্রনাথের ট্রাজেডি নাটক – বিসর্জন।
২৮. কাব্যনাট্য-মালিনী।
২৯. কৌতুক নাটক – বৈকুন্ঠের খাতা ।
৩০. ভ্রমণ কাহিনী – রাশিয়ার চিঠি , জাপান যাত্রী, পারস্য, পথের সঞ্চয়।
৩১. রবীন্দ্রনাথের প্রহসন – গোড়ায় গলদ, বৈকুন্ঠের খাতা, চিরকুমার সভা, হাস্যকৌতুক, ব্যঙ্গকৌতুক, মায়ার খেলা।
৩২. রবীন্দ্রনাথের আতœজীবনী – চরিত্রপূজা, জীবনস্মৃতি, ছেলেবেলা।
৩৩. রবীন্দ্রনাথ কাজী নজরুলকে উৎসর্গ করেন – বসন্ত নাটক।
৩৪. রবীন্দ্রনাথ সোনার তরী রচনা করেন – শিলাইদাহ থেকে।
৩৫. রবীন্দ্রনাথ ঢাকায় আসেন – ২ বার। ১৮৯৮ ও ১৯২৬ সালে।
৩৬. নাইট উপাধি লাভ করেন-১৯১৫ সালে।
৩৭. নাইট উপাধি ত্যাগ করেন- ১৯১৯ সালে।
৩৮. শান্তি নিকেতন থেকে ডিলিট ডিগ্রি লাভ করেন-১৯১৩ সালে।
৩৯. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিলিট ডিগ্রি লাভ করে- ১৯৩৬ সালে।
৪০. অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিলিট ডিগ্রি লাভ করে-১৯৪০ সালে।
৪১. সাহিত্যিক হয়েও চিত্রশিল্পী ছিলেন – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
৪২. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম-শতবার্ষিকী পালিত হয় – ১৯৬১ ।
৪৩. মৃত্যু – ৭ আগস্ট ১৯৪১ (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮)।

 

১। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম কী ?

উত্তর : ভানুসিংহ ঠাকুর।

২। রবীন্দ্রনাথের পিতার নাম কী ?

উত্তর : মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর।

৩। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মায়ের নাম কী ?

উত্তর : সারদা দেবী।

৪। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন কাব্যের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?

উত্তর : গীতাঞ্জলি কাব্যের জন্য।

৫। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ক্ষণিকা’ কী জাতীয় গ্রন্থ ?

উত্তর : কাব্যগ্রন্থ।

৬। ‘চিত্রা’ কাব্যগ্রন্থের কবি কে ?

উত্তর : কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

৭। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শেষের কবিতা’ কোন ধরনের রচনা ?

উত্তর : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শেষের কবিতা’ একটি উপন্যাস।

৮। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গোরা’ কী জাতীয় রচনা ?

উত্তর : উপন্যাস।

৯। ‘চিরকুমার সভা’ কী ?

উত্তর : রবীন্দ্রনাথ রচিত একটি নাটক।

১০। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শিক্ষা’ কোন ধরনের রচনা ?

উত্তর : প্রবন্ধ জাতীয় রচনা।

১১। ‘কালান্তর’ কী ধরনের রচনা ?

উত্তর : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ।

১২। কাকে বাংলা ছোটগল্পের পথিকৃৎ বলা হয় ?

উত্তর : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে।

১৩। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কী ?

 উত্তর : ‘বনফুল’।

১৪। আপাতভাবে ‘সোনার তরী’ কবিতাটি মূলত কোন ছন্দে রচিত ? উত্তর : মাত্রাবৃত্ত ছন্দে।

১৫। ‘সোনার তরী’ কবিতার কত মাত্রার পূর্ণ পর্বে বিন্যস্ত ?

উত্তর : ৮ + ৫ মাত্রার।

১৬। ‘রাশি রাশি ভারা ভারা’ লাইনটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে ?

উত্তর : বহু বেশি বোঝানো হয়েছে।

১৭। ‘সোনার তরী’ কবিতায় ‘আমি’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?

উত্তর : ‘সোনার তরী’ কবিতায় ‘আমি’ দ্বারা সাধারণ অর্থে কৃষককে এবং প্রতীকী অর্থে শিল্পস্রষ্টা কবিকে বোঝানো হয়েছে।

১৮। ক্ষুরধার নদীস্রোত হিংস্র হয়ে কোথায় খেলা করছে ?

উত্তর : দ্বীপসদৃশ ধানখেতের চারপাশে।

১৯। রাশি রাশি সোনার ধান কেটে কে অপেক্ষমাণ ?

উত্তর : এক কৃষক।

২০। নিঃসঙ্গ কৃষক কাকে দেখে আশার আনন্দে উদ্বেলিত হয় ?

উত্তর : তরি বেয়ে আসা এক মাঝিকে দেখে।

২১। কৃষক মাঝিকে অনুনয় করে কী বলে ?

উত্তর : কূলে তরি ভিড়িয়ে তার সোনার ধানটুকু নিয়ে যেতে বলে।

২২। সোনার ধান নিয়ে তরি কোথায় চলে যায় ?

উত্তর : অজানা দেশে।

২৩। সোনার ধান নিয়ে তরি চলে যাওয়ার পর কৃষক কী করে ?

উত্তর : অপূর্ণতার বেদনা নিয়ে কৃষক একা অপেক্ষা করে।

২৪। ‘সোনার তরী’ কবিতায় মূলত কী অস্তলীন হয়ে আছে ?

উত্তর : কবির জীবনদর্শন।

২৫। মহাকালের চিরন্তন স্রোতে মানুষ কী এড়াতে পারে না ?

উত্তর : অনিবার্য পরিণতি অর্থাৎ মৃত্যু।

২৬। ব্যক্তিসত্তা মহাকালের করালগ্রাসের শিকার হলেও কোনটি টিকে থাকে ?

উত্তর : ব্যক্তির মহৎ সৃষ্টিকর্ম।

২৭। এক অতৃপ্তির বেদনা নিয়ে কবিকে কিসের জন্য অপেক্ষা করতে হয় ?

উত্তর : মহাকালের শূন্যতায় বিলীন হওয়ার জন্য

২৮। ‘সোনার তরী’ কবিতায় ‘আমি একেলা’ দ্বারা কী প্রকাশ পেয়েছে?

উত্তর : কৃষক কিংবা কবির নিঃসঙ্গ অবস্থা।

২৯৷ ‘সোনার তরী ‘ কবিতায় গ্রামখানি কিসে ঢাকা?

উত্তর : মেঘে ঢাকা।

৩০৷ ‘সোনার তরী’ কবিতায় ‘থরে বিথরে’ অর্থ কী?

উত্তর : স্তরে স্তরে, সুবিন্যস্ত করে।

৩১। ‘সোনার তরী’ কবিতায় কিসের চারপাশে ঘূর্ণায়মান স্রোতের উদ্দামতা ?

উত্তর : ধানখেতের চারপাশে।

অনুধাবন মূলক প্রশ্ন:

০১। ‘সোনার তরী’ কবিতার মূলভাব ব্যাখ্যা কর।

উত্তর : ‘ সোনার তরী’ কবিতার মূলভাব হলো মহাকালের স্রোতে ভেসে যায় মানুষের জীবন- যৌবন, কিন্তু বেঁচে থাকে মানুষেরই সৃষ্ট সোনার ফসল। ক্ষুরধার বর্ষার নদীস্রোত হিংস্র হয়ে খেলা করছে দ্বীপসদৃশ ধানখেতের চারপাশে। সেখানে রাশি রাশি সোনার ধান কেটে নানা আশঙ্কা নিয়ে একাকী অপেক্ষমাণ এক কৃষক। এমন সময় অপ্রত্যাশিতভাবে তরি বেয়ে আসে এক মাঝি। নিঃসঙ্গ কৃষক আশার আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে ওঠে, যখন তার মনে হয় মাঝিটি যেন তার চেনা। কিন্তু নির্বিকারভাবে অজানা দেশের দিকে চলে যেতে থাকে সেই মাঝি। কৃষক তখন কাতর অনুনয় করে, মাঝি যেন কূলে তরি ভিড়িয়ে তার সোনার ধান নিয়ে যায়। অবশেষে ঐ সোনার তরিতে তার ভারা ভারা ফসল নিয়ে মাঝি চলে যায়, কিন্তু ছোট তরিতে কৃষকের স্থান হয় না। সোনার ধান নিয়ে তরি চলে যায় অজানা দেশে, আর এক অতৃপ্তির বেদনা নিয়ে তাকে অপেক্ষা করতে হয় অনিবার্যভাবে মহাকালের শূন্যতায় বিলীন হওয়ার জন্য।

০২। ‘ঢেউগুলি নিঝুপায়/ভাঙে দু ধারে’ বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?  ঢেউগুলি নিরুপায়/ভাঙে দু ধারে বলতে কবি করি বেয়ে মাঝির এগিয়ে চলার উদ্দামতাকে বুঝিয়েছেন। ‘সোনার তরী’ কবিতায় ক্ষুরধার বর্ষার স্রোতে ছোট ধানখেতের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা কৃষকের দিকে এক প্রত্যাশিত মাঝি এগিয়ে আসে। সে তরি বেয়ে আসার সময় দুধারে ঢেউগুলো নিরূপায় ভেঙে পড়ে। তরির গতিতে নদীর স্রোত কোনো বাধা হয়ে দাঁড়ায় না। এই অবস্থা দেখে কৃষকের মনে আশার সবার হয়। কৃষক তার ‘সোনার ধান’ নিয়ে যে সংকটে পড়ে আছে তা থেকে উত্তরণের উপায় মনে করে ঐ ভরি বেয়ে আসা মাঝির মাধ্যমে।

০৩। সোনার তরী কবিতায় কৃষক ভীত কেন? ‘সোনার তরী’ কবিতায় কৃষক তার চারপাশে ঘূর্ণায়মান স্রোতের উদ্দামতা দেখে ভীত।

‘সোনার তরী’ কবিতায় এক কৃষক ঘন বর্ষার দিনে দ্বীপসদৃশ ধানখেতে রাশি রাশি ধান কেটে নিয়ে নদীতীরে অপেক্ষা করে। সেখানে চারপাশের ঘূর্ণায়মান উদ্দামতা দ্বীপসদৃশ ধানখেতেকে যেন বিলীন করে দিতে চাইছে। কৃষক সেখানে একাকী দাঁড়িয়ে নানা আশঙ্কা করছে। তাকে কেউ উদ্ধার করতে আসছে না। রাশি- রাশি ধান রেখে কৃষক বাঁকা স্রোত উপেক্ষা করে যেতে পারছে না। শূন্য নদীতীরে সে একা অপেক্ষা করছে। অনিবার্য পরিণতির কথা ভেবে কৃষক তাই ভীত। তার আশঙ্কা ঘূর্ণায়মান স্রোতের উদ্দামতা তাকেসহ সবকিছু বিলীন করে দিবে।

০৪। ‘সোনার তরী’ কবিতায় কৃষক মাঝির দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য কী বলেছিল ? ব্যাখ্যা কর ।

‘সোনার তরী’ কবিতায় কৃষক মাঝির দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য বলেছিল, “ ওগো, তুমি কোথা যাও কোন বিদেশে ? ” ‘সোনার তরী কবিতায় চারপাশের প্রবল স্রোতের মধ্যে জেগে থাকা দ্বীপের মতো ছোট একটি ধানখেতে উৎপন্ন সোনার ধানের সম্ভার নিয়ে নিঃসঙ্গ এক কৃষক অপেক্ষা করে। আকাশের ঘন মেঘ আর ভারী বর্ষণে পাশের খরস্রোতা নদী হিংস্র হয়ে উঠেছে। চারদিকে বাঁকা জল কৃষকের মনে ঘনঘোর আশঙ্কা সৃষ্টি করেছে। এরকম এক পরিস্থিতিতে ওই খরস্রোতা নদীতে একটি ভরা পাল সোনার নৌকা নিয়ে এগিয়ে আসে এক মাঝি। তাকে দেখে কৃষকের মন আনন্দে উদ্বেলিত হয়। কিন্তু কোনো কথা না । বলে মাঝি কৃষককে উপেক্ষা করে চলে যেতে থাকে। তখন কৃষক তার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে বিনয়ের সঙ্গে বলে ‘ওগো, তুমি কোথা যাও কোন বিদেশে? বারেক ভিড়াও তরী কূলেতে এসে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিগত বছরের প্রশ্ন

  • ‘চারি দিকে বাঁকা জল করিছে খেলা।–বাঁকা জল’ কিসের প্রতীক? (ঘ-২০০৮-০৯) 
  • ‘সােনার তরী’ কবিতার ছন্দ- (ক-২০০৮-০৯)
  • খরপরশা’ শব্দের আভিধানিক অর্থ (ক-২০০৭-০৮)
  • সােনার তরী কবিতা কোন ছন্দে রচিত? (ক-২০০৬-০৭) 
  • রবীন্দ্রনাথের লেখা গ্রন্থ কোনটি? (ক-২০০৬-০৭)। 
  • ‘সােনার তরী’ কবিতায় কোন ঋতুর কথা আছে? (ঘ-২০০১-০২) 
  • রবীন্দ্রনাথের সােনার তরীতে মূলত ব্যক্ত হয়েছে ? (ঘ-২০০৪-০৫) 
  • ‘সােনার তরী’ কবিতায় সােনার ধান কথাটি ব্যবহৃত হয়েছে- (ঘ-২০০৬-০৭) 
  • কর্মীর চেয়ে কর্ম অধিক প্রত্যাশিত’- এটি কোন কবিতার ভাবার্থ? (গ-২০১০-১১) 
  • কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর কোন নাটকটি কবি নজরুলকে উৎসর্গ করেছিলেন? (গ-২০০৬-০৭) 
  • বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্য বনফুল যখন প্রকাশিত হয়, তখন তাঁর বয়স: (গ-২০০৬-০৭) 
  • কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘সােনার তরী’ কবিতাটি যে স্থানে রচনা করেন তার নাম- (গ-২০০৬-০৭) 
  • ২০০৬ সনে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কততম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়? (গ-২০০৬-০৭) 
  • শেষের কবিতা’ একটি: (গ-২০০৪-০৫)

বিলাসী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

MCQ প্রশ্নোত্তর:

১। কী কাটতে কাটতে বর্ষা এল?

(ক) ধান

(খ) আখ

(গ) পাট

(ঘ) ভুট্টা

২। ‘সোনার তরী’ কবিতায় কোথায় মেঘ গর্জন করার কথা বলা হয়েছে?

(ক) পূর্বাকাশে

(খ) পশ্চিমাকাশে

(গ) আকাশ জুড়ে

(ঘ) হিংস্র হয়ে

৩। ‘সোনার তরী’ কবিতায় মূলত কয়টি চরিত্রের সন্ধান মেলে?

(ক) ৫টি

(খ) ৩টি

(গ) ২টি

(ঘ) ৪টি

৪। ‘ভরসা’ শব্দটির অর্থ কী?

(ক) আশা

(খ) নিরাশা

(গ) বিশ্বাস

(ঘ) মাঝি

৫। কূল শব্দের অর্থ কোনটি?

(ক) ঢেউ

(খ) কিনারা

(গ) বংশ

(ঘ) স্রোত

৬। কী কাটা হল সারা?

(ক) পাট

(খ) ধান

(গ) ঘাস

(ঘ) আখ

৭। ‘সোনার তরী’ কবিতায় কূলে একা কে বসে আছে?

(ক) কৃষক

(খ) শ্রমিক

(গ) জমিদার

(ঘ) ভিক্ষুক

৮। ‘থরে বিথরে’ শব্দটির অর্থ কী?

(ক) ব্যবচ্ছেদ করে

(খ) সুবিন্যস্ত করে

(গ) এলোমেলো করে

(ঘ) বিচ্ছিন্ন করে

৯। সোনার ধান নিয়ে তরী কোথায় চলে যায়?

(ক) নদীতে

(খ) সাগরে

(গ) মোহনায়

(ঘ) অজানা দেশে

১০। ‘ক্ষুরধারা’ বলতে কী বুঝানো হয়েছে?

(ক) তীব্র ভ্রুকুটি

(খ) ক্ষুর দ্বারা কোনো কিছু কাটা

(গ) ক্ষুরের মতো ধারালো প্রবাহ বা স্রোত

(ঘ) নদীর যে বাঁকটি ক্ষুরের মতো

১১। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম কী?

(ক) বীরবল

(খ) যাযাবর

(গ) জগৎশেঠ

(ঘ) ভানুসিংহ

১২। ‘তরুছায়ামসী-মাখা’ বলতে কী বুঝানো হয়েছে?

(ক) গাছপালার ছায়ায় কালচে রং মাখা

(খ) গাছ হতে প্রস্তুতকৃত কলমের কালি

(গ) গাছগুলোতে মেঘের যে ছায়া পড়েছে

(ঘ) নদীতীরের অনিদ্য সুন্দর বৃক্ষরাজি

১৩। ‘সোনার তরী’ কবিতায় ‘শূন্য নদীর তীরে’ কে একা পড়ে থাকল?

(ক) কৃষক

(খ) মাঝি

(গ) তরী

(ঘ) ছোট খেত

১৪। কোন পঙক্তিতে মাঝির অপরিচয়ের নির্বিকারত্ব ও নিরাসক্তি ফুটে উঠেছে?

(ক) ভরা পালে চলে যায়

(খ) কোনো দিকে নাহি চায়

(গ) দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে

(ঘ) গান গেয়ে তরী বেয়ে কে আসে পারে

১৫। সোনার তরীতে কেন কৃষকের ঠাঁই হলো না?

(ক) তরীটা ছিল অত্যন্ত ছোট

(খ) মাঝিটি ছিল খুব নিষ্ঠুর

(গ) কৃষকের সোনার ধারে তরীটি ভরে গিয়েছিল

(ঘ) সোনার তরীতে স্থান করে নেয়ার ব্যাপারে কৃষক উদাসীন ছিল

১৬। মানবজীবনের এক দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির প্রতি ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে কোন শব্দটি ব্যবহারের মাধ্যমে?

(ক) ক্ষুরধারা

(খ) খরপরশা

(গ) মেঘ

(ঘ) কূল

১৭। কৃষক কিংবা কবির নি:সঙ্গ অবস্থা প্রকাশ পাচ্ছে কোনটির মাধ্যমে?

(ক) আমি

(খ) আমি একেলা

(গ) খরপরা

(ঘ) থরে বিথরে

১৮। মাঝি মূলেতে তরী ভিড়ালো কেন?

(ক) ফসলের জন্য

(খ) কবির জন্য

(গ) বৃষ্টি নামানোর জন্য

(ঘ) স্রোতের জন্য

১৯। কৃষক সোনার ফসল মহাকালের উদ্দেশ্যে পাঠাতে চায় –

(ক) কর্মের মধ্যে বেঁচে থাকার জন্য

(খ) মহাকালের শূন্যতায় বিলীন হওয়ার জন্য

(গ) মাঝিকে ভালো লাগার জন্য

(ঘ) ইহকালে শান্তিতে বসবাসের জন্য

২০। নির্বিকার মাঝিকে দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য কৃষক চেষ্টা করেছেন-

(ক) তার সাথে পরিচয় পাওয়ার জন্য

(খ) তাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য

(গ) তার সোনার ফসল তুলে নেয়ার জন্য

(ঘ) তাকে নদী পার করার জন্য

২১। ‘ভারা ভারা’ শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?

(ক) সারি সারি

(খ) রাশি রাশি

(গ) স্তরে স্তরে

(ঘ) বোঝা বোঝা

২২। কোন সময়ে ক্ষেতসমেত নদীর তীর নদীর গ্রাসে হারিয়ে যায়?

(ক) আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে

(খ) আশ্বিন-কার্তিক মাসে

(গ) বৈশাখ-জৈষ্ঠ্য মাসে

(ঘ) কার্তিক-অগ্রহায়ণ মাসে

২৩। ‘সোনার তরী’ কবিতাটির নামকরণ ‘নিষ্ঠুর মহাকাল’ রাখা যেত নিচের কোন যুক্তিতে?

(ক) চরিত্রের ভিত্তিতে

(খ) বিষয়ের ভিত্তিতে

(গ) অন্তর্নিহিত তাৎপর্যের ভিত্তিতে

(ঘ) দার্শনিকতার ভিত্তিতে

২৪। ফকির লালন শাহ অনেক পূর্বে মৃত্যুবরণ করেছেন কিন্তু তাঁর গানগুলো যুগ যুগ ধরে আজও মানুষের কণ্ঠে ধ্বনিত হয়ে চলেছে। এ বিষয়টি তোমার পঠিত কোন কবিতাকে সমর্থন করে?

(ক) জীবন বন্দনা

(খ) তাহারেই পড়ে মনে

(গ) পাঞ্জেরী

(ঘ) সোনার তরী

২৬। মানুষের জীবন কেমন?

(ক) দীর্ঘস্থায়ী

(খ) চিরস্থায়ী

(গ) ক্ষণস্থায়ী

(ঘ) অমর

২৭। ‘বাঁকা জল’ কিসের প্রতীক?

(ক) ধাবমান জলের

(খ) কালস্রোতের

(গ) কালো জলের

(ঘ) ভরা জলের

২৮। ‘নদী’ শব্দটির প্রতিশব্দ হিসেবে কোনটি সমর্থনযোগ্য?

(ক) নেত্র

(খ) সলিল

(গ) সৈকত

(ঘ) তটিনী

২৯। ফসল উৎপাদনকারী কৃষক বলতে কবি কাকে কল্পনা করেছেন?

(ক) নিজেকে

(খ) মাঝিকে

(গ) নেতাকে

(ঘ) তরুণকে

৩০। ‘সোনার তরী’ কবিতায় কবি সৃষ্টিকর্মকে কী হিসেবে কল্পনা করা হয়েছে?

(ক) ধান-সম্পদ

(খ) জমিজমা

(গ) ফসল

(ঘ) তরী

৩১। ‘সোনার তরী’ কবিতার সর্বশেষ স্তবকের ‘শূন্য’ শব্দটির প্রয়োগে কী স্পষ্ট হয়ে ওঠে?

(ক) এটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দে রচিত

(খ) এটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত

(গ) এটি সুনির্দিষ্ট ছন্দহীন কবিতা

(ঘ) এটি একটি গভীর চতুর্দশপদী কবিতা

৩২। ‘সোনার তরী’র মাঝি অতৃপ্তির বেদনা নিয়ে কিসের জন্য অপেক্ষা করতে থাকে?

(ক) আবার মাঝি আসবে বলে

(খ) মহাকালের শূন্যতায় বিলীন হওয়ার জন্য

(গ) মহাকাল তাকে একদিন গ্রহণ করবে বলে

(ঘ) বৃষ্টি আসলে আবার সোনার ফসল ফলাবে বলে

৩৩। ‘সোনার তরী’ কবিতায় ‘সোনার ধান’ আসলে কী?

(ক) সোনার তরী

(খ) মানুষের সৃষ্টিকর্ম

(গ) মূল্যবান সম্পদ

(ঘ) মহাকালের প্রতীক

৩৪। ‘খরপরশা’ শব্দের আভিধানিক অর্থ-

(ক) খরস্রোত

(খ) ধারালো বর্শ

(গ) তীব্র গতি

(ঘ) তীক্ষ্ম তীর

৩৫। ‘সোনার তরী’ কবিতার পংক্তিসংখ্যা-

(ক) ৪০

(খ) ৪২

(গ) ৪৬

(ঘ) ৪৮

৩৬। রবীন্দ্রনাথের ‘সোনার তরী’ কবিতায় তরীটি কিসে বোঝাই?

(ক) সোনার ঘাসে

(খ) সোনার হারে

(গ) সোনার ধানে

(ঘ) সোনার মোহরে

৩৭। ‘সোনার তরী’র নদীটির পরপারে দেখা যায়-

(ক) নৌকা

(খ) ধানক্ষেত

(গ) গাছ

(ঘ) জল

৩৮। “যেয়ো যেথা যেতে চাও, যারে খুশি তারে দাও”- চরণ দুটি কার?

(ক) প্রমথ চৌধুরী

(খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

(গ) অমিয় চক্রবর্তী

(ঘ) কাজী নজরুল ইসলাম

৩৯। ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই ছোট সে তরী- সোনার ধানে গিয়েছে ভরি-

(ক) আমার

(খ) আমারই

(গ) তোমারি

(ঘ) মোদের

৪০। ‘রাশি রাশি ভারা ভারা’Ñশব্দের এরূপ ব্যবহারকে বলে?

(ক) পুনরুক্তি

(খ) শব্দের দ্বিরুক্তি

(গ) ক্রিয়া বিশেষণ

(ঘ) অলংকার

৪১। ‘সেনার তরী’ কবিতায় ‘সোনার ধান’ বলতে বোঝানো হয়েছে-

(ক) স্বর্ণবর্ণের ধান

(খ) দামী ধান

(গ) জীবনের সৃষ্টিকর্ম

(ঘ) জীবনের আনন্দ

৪২। ‘সেনার তরী’ কবিতা কোন ছন্দে রচিত?

(ক) স্বরবৃত্ত

(খ) মাত্রাবৃত্ত

(গ) অক্ষরবৃত্ত

(ঘ) স্বরমাত্রিক

৪৩। কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘সোনার তরী’ কবিতাটি যে স্থানে রচনা করেন তার নাম:

(ক) শান্তিনিকেতন

(খ) শিলাইদহ

(গ) জোড়াসাঁকো

(ঘ) খুলনা

৪৪। রবীন্দ্রনাথের ‘সোনার তরী’ কী জাতীয় কবিতা?

(ক) শোকগাথা

(খ) রূপক কবিতা

(গ) ব্যঙ্গ কবিতা

(ঘ) সনেট

৪৫। “শূন্য নদীর তীরে রহিনু পড়ি” কে পড়ে রয়েছে?

(ক) কবি

(খ) কৃষক

(গ) কামলা

(ঘ) নৌকার মাঝি

৪৬। ‘সোনার তরী’ কবিতাটির নদীটি?

(ক) বৃহৎ

(খ) ক্ষুদ্র

(গ) শান্ত

(ঘ) খরস্রোতা

৪৭।  “গান গেয়ে তরী বেয়ে কে আসে পারে”Ñ পরের পংক্তি কোনটি?

(ক) দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে

(খ) ঢেউগলি নিরূপায় ভাঙে দুধারে-

(গ) এ পারেতে ছোট ক্ষেত, আমি একেলা

(ঘ) ভরা পালে চলে যায়, কোনো দিকে নাহি চায়

(ঙ) গ্রামখানি মেঘে ঢাকা প্রভাত বেলা

৪৮। ‘দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে’ পঙক্তিটি কোন্ কবিতার?

(ক) পাঞ্জেবী

(খ) আঠারো বছর বয়স

(গ) সোনার তরী

(ঘ) কবর

৪৯। “একখানি ছোট ক্ষেত, আমি একেলা” পরবর্তী পঙক্তি কোনটি?

 (ক) গান গেয়ে ত বেয়ে কে আসে পারে

(খ) এ পারেতে ছোট ক্ষেত্রে, আমি একেলা

(গ) গ্রামখানি মেঘে ঢাকা প্রভাত বেলা

(ঘ) চারিদিকে বাঁকা জল করিছে খেলা

উত্তর মালা
১০
১১ ১২ ১৩ ১৪ ১৫ ১৬ ১৭ ১৮ ১৯ ২০
২১ ২২ ২৩ ২৪ ২৫ ২৬ ২৭ ২৮ ২৯ ৩০
৩১ ৩২ ৩৩ ৩৪ ৩৫ ৩৬ ৩৭ ৩৮ ৩৯ ৪০
৪১ ৪২ ৪৩ ৪৪ ৪৫ ৪৬ ৪৭ ৪৮ ৪৯

HSC বাংলা সাহিত্য গল্প,কবিতা,উপন্যাস

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্তুতি-
নংগল্প + কবিতার নামসাহিত্যিকদের নামলিঙ্ক
০১আমার পথকাজী নজরুল ইসলামClick
০২বিড়ালবঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
০৩চাষার দুক্ষুবেগম রোকেয়া সাখাওয়াতClick
০৪বায়ান্নর দিনগুলোশেখ মুজিবুর রহমানClick
০৫অপরিচিতারবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick
০৬মাসি-পিসিমানিক বন্দ্যোপাধ্যায়Click
০৭জীবন ও বৃক্ষমোতাহের হোসেন চৌধুরীClick
০৮জাদুঘরে কেন যাবআনিসুজ্জামানClick
০৯নেকলেসগী দ্য মোপাসাঁ/ পূর্ণেন্দু দস্তিদারClick
১০রেইনকোটআখতারুজ্জামান ইলিয়াসClick
১১আহ্বানবিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়Click
১২মহাজাগতিক কিউরেটরমুহম্মদ জাফর ইকবালClick
১৩সাম্যবাদীকাজী নজরুল ইসলামClick
১৪ঐকতানরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick
১৫বিভীষণের প্রতি মেঘনাদমাইকেল মধূসুদন দত্তClick
১৬নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়সৈয়দ শামসুল হকClick
১৭তাহারেই পড়ে মনেসুফিয়া কামালClick
১৮ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯শামসুর রাহমানClick
১৯রক্তে আমার অনাদি অস্থি দিলওয়ার খানClick
২০ সেই অস্ত্রআহসান হাবিবClick
২১আঠারো বছর বয়সসুকান্ত ভট্টাচার্যClick
২২লোক লোকান্তরমীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদClick
২৩এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে জীবনানন্দ দাশClick
২৪আমি কিংবদন্তির কথা বলছিআবু জাফর ওবায়দুল্লাহClick
২৫লালসালুসৈয়দ ওয়ালীউল্লাহClick
২৬সিরাজউদ্দৌলাসিকান্দার আবু জাফরClick
২৭বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদনবঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
২৮বিদ্রােহীকাজী নজরুল ইসলাম Click
২৯গৃহরোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন Click
৩০মানব কল্যাণ-আবুল ফজলClick
৩১বিলাসীশরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
৩২সোনার তরীরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick

বিলাসী- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

বিলাসী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

বিলাসী– শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

১। জন্ম ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৮৭৬ খ্রিস্টাব্দ।
২। জন্মস্থান পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার দেবানন্দপুর গ্রামে।
৩। মৃত্যু ১৬ জানুয়ারি, ১৯৩৮ খ্রিস্টাব্দ।
৪। সাহিত্যবিষয়ক উপাধি অপরাজেয় কথাশিল্পী।
৫। প্রথম মুদ্রিত রচনা কুন্তলীন পুরস্কারপ্রাপ্ত ‘মন্দির’ নামে একটি গল্প।
৬। প্রথম উপন্যাস বড়দিদি (১৯১৩)।
৭। আত্মচরিতমূলক উপন্যাস শ্রীকান্ত (চারখণ্ডে)।
৮। উপন্যাস বড়দিদি (১৯১৩); পথের দাবী (১৯১৬); পল্লীসমাজ (১৯১৬); পরিণীতা (১৯১৪); দেনাপাওনা (১৯২৩); চরিত্রহীন (১৯১৭); গৃহদাহ (১৯১৪); বিরাজ বৌ (১৯১৪); দেবদাস (১৯১৭); অরক্ষণীয়া (১৯১৬); চন্দ্রনাথ (১৯১৬); নববিধান (১৯২৪); নিষ্কৃতি (১৯১৭); পণ্ডিতমশাই (১৯১৪); বামুনের মেয়ে (১৯২০); বারোয়ারী উপন্যাস (১৯২১); বিপ্রদাস (১৯৩৫); বৈকুণ্ঠের উইল (১৯১৬); ভালোমন্দ (১৯১৬); রসচক্র (১৯৩৬); শুভদা (১৯৩৮); শেষপ্রশ্ন (১৯৩১); শেষের পরিচয় (১৯৮৬); শ্রীকান্ত- ১ম পর্ব (১৯১৭), শ্রীকান্ত- ২য় পর্ব (১৯১৮), শ্রীকান্ত- তয় পর্ব (১৯২৭), শ্রীকান্ত – ৪র্থ পর্ব (১৯৩৩)।
৯। ছোটগল্পগ্রন্থ অনুরাধা, সতী ও পরেশ (১৯৩৪); কাশীনাথ (১৯১৭); ছবি (১৯২০); ছেলেবেলার গল্প (১৯৩৮); বিন্দুর ছেলে (১৯১৪); মেজদিদি (১৯১৫); স্বামী (১৯১৮); হরিলক্ষী (১৯২৬)।
১০। প্রবন্ধগ্রন্থ তরুণের বিদ্রোহ (১৯২৯), নারীর মূল্য (১৯২৪), স্বদেশ ও সাহিত্য (১৯৩২), শরৎচন্দ্র ও ছাত্র সমাজ (১৯৩৮)।

রচনার উৎসঃ
⇒ বিলাসী গল্পটি শরৎচন্দ্রের ‘ছবি’ গল্প গ্রন্থের অন্তর্ভূক্ত।
⇒ ‘বিলাসী’ গল্পটি সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়- ভারতী পত্রিকায় (বৈশাখ-১৩২৫)
⇒ ‘বিলাসী’ গল্পটি ‘ন্যাড়া’ নামের এক যুবকের নিজের জবানিতে বিবৃত গল্প।
⇒ ‘বিলাসী’ গল্পে বর্ণিত হয়েছে- দুই ব্যতিক্রমধর্মী মানব-মানবীর চরিত্রের অসাধারণ প্রেমের মহিমা।

লেখক সম্পর্কে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ
⇒ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জগত্তারিনী স্বর্ণপদক লাভ করেন- ১৯২৩ সালে
⇒ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কে ডি লিট ডিগ্রী প্রদান করে- ১৯৩৬ সালে।
⇒ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অসমাপ্ত উপন্যাস ‘শেষের পরিচয়’, আগামীকাল, জাগরণ।
⇒ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ (১৯২৬) উপন্যাস সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়।
⇒ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় অনীলাদেবী ছদ্মনামে ‘নারীর মূল্য’ নিবন্ধ গ্রন্থটি লিখেন।
⇒  ‘মহেশ’ ছোট গল্পটি কোন গল্পগ্রন্থের অন্তর্গত? উত্তর : হরিলক্ষী (১৯২৬)।
⇒ ‘রামের সুমতি’ গল্পটি কোন গল্পগ্রন্থের অন্তর্গত? উত্তর : ছবি (১৯২০)।

শব্দার্থ ও টীকাঃ
⇒ এন্ট্রাস – প্রবেশিকা পরীক্ষা। বর্তমানে মাধ্যমিক পরীক্ষা।
⇒ মা-সরস্বতী – হিন্দু পুরাণ অনুসারে বিদ্যা ও কলার অধিষ্ঠাত্রী দেবী, বীণাপাণি।
⇒ উপরের আদালতের হুকুমে – স্রষ্টার নির্দেশে।
⇒ রম্ভার কাঁদি – কলার ছড়া।
⇒ কলি – হিন্দু পুরাণে বর্ণিত চার যুগের শেষ যুগ। পুরাণ মতে, এ যুগে অন্যায়, অসত্য ও অধর্মের বাড়াবাড়ি ঘটবে।
⇒ খরিশ গোখরা – খুব বিষাক্ত এক প্রকার সাপ।
⇒ যমরাজ – মৃত্যু।
⇒ দেব বাবু – ভূদেবচন্দ্র মুখোপাধ্যায় (১৮২৫-১৮৯৪খ্রি:) উনিশ শতকের বাংলার নবজাগরণের অন্যতম  পথিকৃৎ। মাইকেল মধুসূদন দত্তের সহপাঠী।
⇒ হুমায়ুন – মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা বাবরের পুত্র এবং দ্বিতীয় মুঘল সম্রাট। তিনি মুঘল সম্রাট আকবরের পিতা।
⇒ ফোর্থ ক্লাশ – এখনকার সপ্তম শ্রেণী।
⇒ সেকেণ্ড ক্লাস – এখনকার নবম শ্রেণী।
⇒ কামস্কাট্কা – প্রকৃত উচ্চারণ কামচাট্টকা রাশিয়ার অন্তর্গত সাইবেরিয়ার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত উপদ্বীপ। বহু-উষ্ণ প্রস্রবণ ও ১৭টি জীবন্ত আগ্নেয়গিরি আছে এখানে। প্রচুর স্যামন মাছ পাওয়া যায় বলে দ্বীপটি স্যামন মাছের দেশ নামে পরিচিত। রাজধানী শহর-পেত্রো পাঠলোভস্ক।
⇒ থার্ড ক্লাস – বর্তমান অষ্টম শ্রেণী। সেকালে মাধ্যমিক শিক্ষার শ্রেণী হিসাব করা হত ওপর থেকে নিচের দিকে। দশম শ্রেণী তখন ছিল ফার্স্ট ক্লাস, নবম শ্রেণী ছিল সেকেণ্ড ক্লাস।
⇒ ভুজি উচ্ছুগ্যু – মৃতের আত্মার সদ্গতি কামনা করে ব্রাহ্মনকে যে ভোজ্য উৎসর্গ করা হয় তা।
⇒ পারশিয়া – পারস্য বা ইরান দেশ।
⇒ প্রত্ততাত্ত্বিক – পুরাতত্ত্ববিদ, প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ, মুদ্রালিপি, ইত্যাদি থেকে ঐতিহাসিক তথ্য নির্ণয়ের বিদ্যায় পণ্ডিত ব্যক্তি।
⇒ মালো – সাপের ওঝা। এরা সাপ ধরতে, সাপের কামড়ের চিকিৎসায় ও সাপের খেলা দেখাতে পটু। এসব করে এরা জীবিকা নির্বাহ করে থাকে।
⇒ বারওয়ারি – অনেকের সমবেত চেষ্টায় যা করা হয়, সর্বজনীন।
⇒ নিকা – বিয়ে। এখানে তাচ্ছিল্যসূচক প্রয়োগ।
⇒ বিলাত প্রভৃতি স্লেচ্ছদেশ – ইংল্যান্ডসহ ইউরোপিয় দেশসমূহে যেখানে হিন্দু সমাজে আচার ধর্মের কোন বালাই নেই।
⇒ সদক্ষিণা – পুরোহিতের সম্মানী বা সেলামি সহকারে।
⇒ চক্র – ফণা।
⇒ কাশী – কাশী ভারতের উত্তরপ্রদেশে অবস্থিত সুবিখ্যাত ও সুপ্রাচীন তীর্থক্ষেত্র।
⇒ ফলাহার – জলযোগ, ফলার।
⇒ পঞ্চমুখ – পাঁচ মুখে যে কথা বলে। মুখর।
⇒ মনসা – হিন্দু ধর্মানুসারে সাপের দেবী।
⇒ এডেন – লোহিত সাগর ও আরব সাগরের প্রবেশ পথে আরব দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত বিখ্যাত বন্দর।
⇒ মন্ত্রের দ্রষ্টা – যিনি প্রথম মন্ত্র লাভ করেন। যার কাছে প্রথম মন্ত্র আভির্ভূত হয় তিনিই মন্ত্রদ্রষ্টা।
⇒ সত্যযুগ – হিন্দু পুরাণে বর্ণিত চার যুগের প্রথম যুগ, যখন সমাজে অসত্য অন্যায় একেবারেই ছিল না বলে ধারণা।
⇒ প্রকৃতিস্থ – স্বাভাবিক।
⇒ কামাখ্যা – ভারতের আসাম রাজ্যে অবস্থিত প্রাচীন তীর্থস্থান। তান্ত্রিক সাধক ও উপাসকদের তন্ত্রমন্ত্র সাধনের জন্য বিখ্যাত।
⇒ বহুদর্শী – জ্ঞানী, অনেক দেখেছেন এমন। বহু অভিজ্ঞতাসম্পন্ন।
⇒ বিষহরির দোহাই – মন্ত্রশক্তি/ মনসার দোহাই।
⇒ বঁইচি – পিয়াল জাতীয় ক্ষুদ্র ফল বিশেষ।
⇒ তিলার্ধ – তিল পরিমাণ সময়ের অর্থ।
⇒ মৃত্যুঞ্জয় – মৃত্যুঞ্জয় নামের অর্থ যিনি মৃত্যুকে জয় করেন। বিষকণ্ঠ মহেশ্বরের (শিব) অন্যনাম মৃত্যুঞ্জয়। কারণ বিষ রূপ মৃত্যু তার কোন ক্ষতি করতে পারে না।
⇒ পিণ্ডি – শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠানে মৃতের উদ্দেশ্যে দেয় চালের গোলাকার ডেলা।

সমাস বাংলা ব্যাকরণ (MCQ 120+)

গুরুত্বপূর্ণ লাইন ও তথ্যঃ
⇒ মৃত্যুঞ্জয় কোন বংশের ছেলে?- মিত্তির।
⇒ মৃত্যুঞ্জয়ের আত্মীয়দের মধ্যে শুধুু কে বেঁচে ছিলো?- জ্ঞাতি খুড়া।
⇒ মৃত্যুঞ্জয়ের খুড়ার কাজ ছিল- মৃত্যুঞ্জয়ের নানাবিধ দুর্নাম রটনা করা।
⇒ মৃত্যুঞ্জয়ের কী বাগান ছিল?- আম-কাঠালের বাগান।
⇒ মৃত্যুঞ্জয়ের বাগানের পরিধি কতুটুকু- কুড়ি পঁচিশ বিঘার বাগান। (২০-২৫ বিঘা)।
⇒ ‘কিন্তু এই পাপের দণ্ড একদিন আমাকে ভাল করিয়াই দিতে হইল।’- উক্তিটি- ন্যাড়ার।
⇒ বিলাসী গল্পে কোন কোন ফলের উলে­খ আছে? আম, কাঁঠাল, বঁইচি (রম্ভা), আনারস, খেজুর ইত্যাদি।
⇒ ‘বিলাসী’ গল্পে কোন উপদ্বীপের উলে­খ আছে? কামস্কাট্কা (রাশিয়ায়)।
⇒ ‘বিলাসী’ গল্পে উলে­খিত এডেন বন্দর কেন বিখ্যাত? সামুদ্রিক লবন তৈরির জন্য।
⇒ ‘বিলাসী’ গল্পে কোন কোন দেশের কথা উলে­খ আছে? সাইবেরিয়া, পারসিয়া, (ইরান দেশ), বিলাত।
⇒ ‘বিলাসী’ গল্পে কোন সম্রাটের প্রসঙ্গ আছে? হুমায়ুন।
⇒ বিলাসী কিভাবে আত্মহত্যা করেছিল? বিষ পান করে।
⇒ ‘বিলাসী’ গল্পে কোন লেখকের উলে­খ আছে? ভূদেবচন্দ্র মুখোপাধ্যায়।
⇒ ‘বাবা আমাকে বাবুর সাথে নিকা দিয়াছে, জানো?’ উক্তিটি- বিলাসীর।
⇒ ন্যাড়া দশ-বারোজন সঙ্গীসহ মৃত্যুঞ্জয়ের বাড়ি কেন গেল? বিলাসীকে গ্রাম থেকে বের করে দিতে।
⇒ বিলাসী গল্পটি কার মাধ্যমে বর্ণিত হয়েছে? ন্যাড়া।
⇒ বিলাসী গল্পে ন্যাড়া আসলে কে? লেখক স্বয়ং নিজে; অর্থ্যাৎ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
⇒ অনেক দিন তাহার মিষ্টান্নের সন্ধ্যায় করিয়াছি? কার মিষ্টান্নের কথা বলা হয়েছে? মৃত্যুঞ্জয়ের।
⇒ মৃত্যুঞ্জয় শয্যাগত ছিল- দেড় মাস।
⇒ ‘গেল গেল গ্রামটি রসাতলে গেল।’ উক্তিটি মৃত্যুঞ্জয়ের জ্ঞাতি খুড়োর।
⇒ তাহার ফোর্থ ক্লাসে পড়ার ইতিহাস ও কখনো শুনি নাই, সেকেণ্ড ক্লাসে উঠিবার খবর ও কখনো পাই নাই।’- ⇒ এখানে কার কথা বলা হয়েছে?- মৃত্যুঞ্জয়।
⇒ ‘স্বদেশের মঙ্গলের জন্য সমস্ত অকাতরে সহ্য করিয়া তাকে হিড়হিড় করিয়া টানিয়া লইয়া চলিলাম।’ উক্তিটি- ন্যাড়ার।
⇒ ‘না পেল এক ফোটা আগুন, না পেল একটি পিণ্ডি- না হলো- একটা ভুজি উচ্ছেুগ্যু- কার প্রসঙ্গে বলা হয়েছে? – মৃত্যুঞ্জয়।
⇒ ‘তাহাকে কখনো কাহারও সহিত যাচিয়া আলাপ করিতে দেখি নাই।’- কাকে দেখে নাই?- মৃত্যুঞ্জয়কে।
⇒ ‘শাস্ত্রমতে সে নিশ্চয় নরকে গিয়াছে।’-কে? বিলাসী।
⇒ লেখক কতদিন মৃত্যুঞ্জয়ের খবর নেননি? প্রায় মাস দুই।
⇒ ‘টিকিয়া থাকা চরম সার্থকতা নয় এবং অতিকায় হস্তী লোপ পাইয়াছে, কিন্তু তেলাপোকা টিকিয়া আছে।’ উক্তিটি বিলাসী গল্পের।
⇒ ‘চরিত্রেই বল, ধর্মই বল, সমাজেই বল, আর বিদ্যাতেই বল, শিক্ষা একেবারেই পুরো হইয়া আছে, এখানে শুধু ইংরেজকে কষিয়া গালিগালাজ করিতে পারিলে দেশটা উদ্ধার হইয়া যায়।’ কোন রচনার অন্তর্গত?- বিলাসীর।
⇒ ‘যে বস্তুটি এই অসাধ্য সাধন করিয়া তুলিয়াছিল তাহার পরিচয় যদিও সেদিন পাই নাই, কিন্তু আর একদিন পাইয়াছিলাম।’ উক্তিটি বিলাসী সম্পর্কে ন্যাড়ার।
⇒ ‘সে তাহার নামজাদা শ্বশুরের শিষ্য, সুতরাং মস্তলোক’-কে? মৃত্যুঞ্জয়।
⇒ ‘কাল করিল যে ঐ ভাত খাইয়া।’ এখানে অন্নপাপ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
⇒ ‘বিলাসী’ গল্পে শরৎচন্দ্র তুলে ধরেছেন- মানব প্রেমের মহিমা।
⇒ ‘বিলাসী’ গল্পে উলে­খ আছে- সাপ, শেয়াল, কুকুর, হস্তি, তেলাপোকা।
⇒ ‘নন্দগোপাল’ শব্দের অর্থ- অতি আদুরে।
⇒ ‘আর কায়েতের ছেলের সঙ্গে সাপুড়ের মেয়ের নিকা- এতো একটা হাসিয়া উড়াইবার কথা।’ এখানে কায়েতের ছেলে হচ্ছে মৃত্যুঞ্জয় এবং সাপুড়ের মেয়ে হচ্ছে বিলাসী।
⇒ ‘মৃত্যুঞ্জয়ের জাত ছিল কায়েত (কায়স্থ)।
⇒ মৃত্যুঞ্জয়ের খুড়ার মতে কোন গুলো খেলে অন্নপাপ হয় না-লুচি, সন্দেশ, পাঠার মাংস।
⇒ ‘নালতের মিত্তির বলিয়া সমাজে আর তার মুখ বাহির করিবার জো রহিল না।’ উক্তিটি মৃত্যুঞ্জয়ের জ্ঞাতি খুড়োর।
⇒ ‘ধুচুনি’ শব্দের অর্থ বাঁশের ঝুড়ি।
⇒ ‘গেল, গেল গ্রাম এবার রসাতলে গেল’- উক্তিটি কে করেছেন?- মৃত্যুঞ্জয়ের খুড়া।
⇒ মৃত্যুঞ্জয় কত মাস শয্যায় ছিল- আড়াই মাস।
⇒ ‘ঠাকুর এসব ভয়ঙ্কর জানোয়ার, একটু সাবধানে নাড়াচাড়া করো।’ উক্তিটি ন্যাড়ার প্রতি বিলাসীর।
⇒ ‘তাহার হৃদয় জয় করিয়া দখল করার আনন্দটাও তুচ্ছ নয় সে সম্পদও অকিঞ্চিতকর নহে।’ তাহা হৃদয় বলতে বোঝানো হয়েছে-বিলাসীর হৃদয়।
⇒ ‘কিন্তু মুখের প্রতি চাহিবামাত্র টের পাইলাম, বয়স যাহাই হোক, খাটিয়া খাটিয়া আর রাত জাগিয়া জাগিয়া ইহার শরীরে আর কিছু নেই।’ উক্তিটি- বিলাসীর প্রতি ন্যাড়ার।
⇒ কিন্তু সে আজ্ঞা যে ম্যাজিস্ট্রেটের আজ্ঞা নহে এবং সাপের বিষ যে বাঙালীর বিষ নয়, তাহা আমিও বুঝিয়াছিলাম। উক্তিটি- ন্যাড়ার।
⇒ অবশ্য দখল একদিন তিনি পাইয়াছিলেন বটে, কিন্তু সে জেলা আদালতে নালিশ করিয়া নয়, উপরের আদালতের হুকুমে। উক্তিটি- মৃত্যুঞ্জয়ের জ্ঞাতি খুড়োর উদ্দেশ্যে।
⇒ ‘ঠিক যেন ফুলদানিতে জল দিয়া ভিজাইয়া রাখা বাসী ফুলের মত, হাত দিয়া এতটুকু স্পর্শ করিলে, এতটুকু ⇒ নাড়াচাড়া করিতে গেলেই ঝড়িয়া পড়িবে।’ উক্তিটি- বিলাসীকে উদ্দেশ্য করে।
⇒ ‘তুমি না আগলালে সে রাত্রিতে তারা আমাকে মেরে ফেলতো।’ উক্তিটি- ন্যাড়ার প্রতি বিলাসীর।
⇒ ‘রাস্তা পর্যন্ত তোমাকে রেখে আসব কি? উক্তিটি-ন্যাড়ার প্রতি বিলাসীর।
⇒ ‘করুকগে সবাই আমাদের’র খাবার ভাবনা নেই, আমরা কেন মিছিমিছি লোক ঠকাইতে যাই।’ উক্তিটি মৃত্যুঞ্জয়ের প্রতি বিলাসীর।
⇒ ‘চার ক্রোশ হাঁটা বিদ্যা যে সব ছেলেদের পেটে, তারাই’ত একদিন বড় হইয়া সমাজের মাথা হয়। দেবী বীণাপাণির বরে সংকীর্ণতা তাহাদের মধ্যে আসবে কী করিয়া।’ উক্তিটি-ন্যাড়ার।
⇒ ‘ওরে বাপরে! আমি একলা থাকতে পারবো না।’ উক্তিটি- ন্যাড়ার এক আত্মীয়ের।
⇒ অন্ন পাপ। বাপ রে! এর কি আর প্রায়শ্চিত্ত আছে। উক্তিটি- গ্রামবাসীর, মৃত্যুঞ্জয় সম্পর্কে ।
⇒ ভূদেবচন্দ্র মুখোপাধ্যায় ‘পারিবারিক’ প্রবন্ধের উলে­খ আছে কোন রচনায়? -বিলাসী।
⇒ ‘কাগজ তো ইঁদুরেও আনতে পারে’। বিলাসী গল্পে এই উক্তিটি কে করেছে? – মৃত্যুঞ্জয়।
⇒ ‘এমনি করিয়া এত সহজে পুরুষকে যাহার টানিয়া নামাইতে পারে তাহারা কি এমনিই অবলীলাক্রমে তাহাদের ঠেলিয়া উপরে তুলিতে পারে নাই।’ উক্তিটি কোন গল্পের? – বিলাসী।
⇒ ‘বিলাসী গল্পে সাপ ধরার বায়না এলে বিলাসী মৃত্যুঞ্জয়কে কি করতেন? – বাধা দিতেন।
⇒ “সাপ একটা নয় এক জোড়া তো আছে বটেই, হয়তো বা বেশি থাকতে পারে।” উক্তিটি করেছেন- বিলাসী।
⇒ মৃত্যুঞ্জয় অজ্ঞান অবস্থায় ছিল (১০-১৫) দশ/ পনের দিন।
⇒ ‘সে গুলি খায়’ – কার সম্পর্কে বলা হয়েছে?- মৃত্যুঞ্জয়।
⇒ ‘গুলি’ শব্দের অর্থ- আফিম থেকে প্রস্তুত মাদক দ্রব্য বিশেষ।
⇒ ‘বিলাসীর আত্মহত্যার ব্যাপারটা অনেকের নিকট কি মনে হয়েছিল?- পরিহাসের।
⇒ ‘বিষহরি শব্দের অর্থ- হিন্দুদেবী মনসা।
⇒ পঞ্চমুখ – প্রশংসামুখর হওয়া।
⇒ দোহাই মানা – নজির দেখানো
⇒ রসাতলে যাওয়া – অধঃপাতে যাওয়া।
⇒ লাভের অঙ্কে শূণ্য – ফলাফল একেবারেই লাভজনক না হওয়া।
⇒ কাঁটা দেওয়া – বাধা সৃষ্টি করা।
⇒ নাছোড়বান্দা – উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য মরিয়া হয়ে পিছু লেগে থাকা এমন লোক
⇒ মাথা হেঁট করা – লজ্জায় বা বিনয়ে মাথা নত করা।
⇒ বুক ফাটা – হৃদয়বিদারক
⇒ অকালকুষ্মাণ্ড – অকর্মণ্য, অকেজো। পরিবারের অনিষ্টকারী ব্যক্তি।
⇒ পাথর হয়ে যাওয়া – স্তব্ধ হয়ে পড়া।

বাংলা কবি সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম

আলোচ্য অধ্যায়ের গুরুত্ত্বপূর্ণ MCQ প্রশ্নাবলীঃ

১। কোন সালে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে সম্মানসূচক ডি-লিট ডিগ্রি প্রদান করা হয়।
ক. ১৯২৬
√  খ. ১৯৩৬
গ. ১৯৪৬
ঘ. ১৯৩৮
ঙ. ১৯২৮
২। মৃত্যুঞ্জয়ের আমবাগানের আয়তন-
ক. দশ-পনের বিঘা
√  খ. কুড়ি-পচিশ বিঘা
গ. পঁচিশ-তিরিশ বিঘা
ঘ. তিরিশ-চলি­শ বিঘা
৩। নিচের কোন গ্রন্থটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়?
√  ক. চরিত্রহীন
খ. নীল দর্পন
গ. জমিদার দর্পন
ঘ. ভ্রান্তিবিলাস
ঙ. ক্ষীরের পুতুল
৪। বিলাসীর হাতে ভাত খেয়ে মৃত্যুঞ্জয় কি ধরনের পাপ করেছিল?
√  ক. অন্নপাপ
খ. খাদ্যপাপ
গ. ধর্ম ত্যাগের পাপ
ঘ. ধর্ম গ্রহণের পাপ
৫। ‘সহমরণ’ প্রসঙ্গ কোন রচনার অন্তর্গত?
√  ক. বিলাসী
খ. হৈমন্তী
গ. অর্ধাঙ্গী
ঘ. সৌদামিনী মালো
৬। রম্ভার কাঁদি’ শব্দের অর্থ-
ক. ব্যথিত
খ. অশ্রু সজল
√  গ. কলার ছড়া
ঘ. বেতের ছড়া
ঙ. ক্রন্দনরত
৭। ‘ম্লেচ্ছ দেশে পুরুষদের মধ্যে একটা কুসংস্কার আছে, স্ত্রীলোক দুর্বল এবং নিরূপায় বলিয়া তাহার গায়ে হাত তুলিতে নাই- কথাটি যে গল্প হতে নেয়া হয়েছে, তার নাম-
ক. হৈমন্তী
√  খ. বিলাসী
গ. অর্ধাঙ্গী
ঘ. শকুন্তলা
ঙ. যৌবনের গান
৮। কোনটি শরৎচন্দ্রের উপন্যাস নয়?
ক. পল্লী সমাজ
খ. দেনা-পাওনা
গ. বিপ্রদাস
√  ঘ. চার অধ্যায়
৯। ‘বিলাসীর বাপকে সংবাদ দিবার জন্য লোক গেল।’- কেন?
ক. বিলাসী মারা গিয়েছিল বলে
খ. মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যু সংবাদ জানানোর জন্য
√  গ. মৃত্যুঞ্জয়কে বাঁচানোর জন্য
ঘ. মৃত্যুঞ্জয়কে বিলাসীর কাছ থেকে ছাড়িয়ে আনার জন্য
১০। নিচের কোনটি শরৎচন্দ্রের রচনা নয়?
ক. গৃহদাহ
খ. পথের দাবী
√  গ. চন্দ্রশেখর
ঘ. দত্তা
ঙ. চরিত্রহীন
১১। খুড়ার ভাষায় মৃত্যুঞ্জয়ের সবচেয়ে বড় অপরাধ ছিল-
ক. বিলাসীকে বিয়ে করা
খ. সাপুড়ে হওয়া
√  গ. বিলাসীর হাতে ভাত খাওয়া
ঘ. সাপ ধরে বিক্রি করা
১২। বিষহরির দোহাই বুঝি বা আর খাটে না।’ এটি বোঝা গেল কখন?
ক. মৃত্যুঞ্জয়কে যখন সাপে কামড় দিল
খ. যখন মৃত্যুঞ্জয়কে শিকড়-বাকড় খাওয়ানো হল
গ. যখন মৃত্যুঞ্জয়ের হাতে মাদুলি বেঁধে দেওয়া হল
√  ঘ. যখন মৃত্যুঞ্জয় বমি করল
১৩। ‘সে তাহার নামজাদা শ্বশুরের শিষ্য, সুতরাং মস্ত লোক।’- উক্তিটির লেখক-
ক. শওকত ওসমান
√  খ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
গ. প্রমথ চৌধুরী
ঘ. জহির রায়হান
ঙ. মুহম্মদ আবদুল হাই
১৪। ‘বিলাসী’ গল্পে শরৎচন্দ্র ফুটিয়ে তুলেছেন-
ক. মানব প্রেমের অপূর্ব মহিমা
√  খ. সামাজিক সংকীর্ণতা
গ. সাম্প্রদায়িকতার বিষময় ফল
ঘ. বৈবাহিক সম্পর্কের জটিলতা
ঙ. সামাজিক অনৈক্য
১৫। ‘পাকা দুই ক্রোশ পথ হাঁটিয়া স্কুলে বিদ্যা অর্জন করিতে যাই।’ এ বাক্যে উলি­খিত পথের দৈর্ঘ্য মাইলে প্রকাশ করলে বলতে হবে:
ক. দুই মাইল
খ. দুই মাইলের কিছু কম
গ. দুই মাইলের অনেক কম
√  ঘ. দুই মাইলের কিছু বেশি
ঙ. দুই মাইলের অনেক বেশি
১৬। ‘বিলাসী’ গল্পে সাপ ধরার বায়না এলে বিলাসী কি করতেন?
ক. খুশি হতেন
খ. উৎসাহিত করতেন
√  গ. বাধা দিতেন
ঘ. পিতাকে ডেকে আনতেন
১৭। ‘কাগজ তো ইঁদুরেও আনতে পারে’- বিলাসী গল্পে এই উক্তি কার?
ক. বিলাসীর
√  খ. মৃত্যুঞ্জয়ের
গ. খুড়ার
ঘ. মৃত্যুঞ্জয়ের বন্ধুর
১৮। সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত করে-
ক. ১৯২৭ সালে
√  খ. ১৯৩৬ সালে
গ. ১৯৩৩ সালে
ঘ. ১৯৪০ সালে
ঙ. ১৯৪২ সালে
১৯। বিলাসী গল্পে বিলাসীর মৃত্যু হয় কীভাবে?
ক. অসুখে
খ. অনাহারে
গ. সর্পদংশনে
√  ঘ. বিষপানে
২০। মৃত্যুঞ্জয় কোন ক্লাসে পড়তো?
ক. ফোর্থ ক্লাসে
√  খ. থার্ড ক্লাসে
গ. সেকেণ্ড ক্লাসে
ঘ. ফিফথ্ ক্লাসে
২১। কোন্টি শরৎচন্দ্রের উপন্যাস নয়?
ক. শ্রীকান্ত
খ. দত্তা
গ. পথের দাবি
√  ঘ. পথের প্যাঁচালী
২২। অকাল কুষ্মাণ্ডটা একটা সাপুড়ের মেয়ে নিকা করিয়া ঘরে আনিয়াছে। উক্তিটি কার সম্পর্কে?
ক. বিলাসী
খ. ছোট বাবু
গ. খুড়া
√  ঘ. মৃত্যুঞ্জয়
২৩। ‘আমার মাথার দিব্যি রইল, এসব তুমি আর কখনো করো না।’ উক্তিটি কোন গল্প থেকে নেয়া হয়েছে?
ক. শকুন্তলা
খ. হৈমন্তী
√  গ. বিলাসী
ঘ. ভাষার কথা
২৪। কোনটি শরৎচন্দ্রের উপন্যাস নয়?
ক. পল্লীসমাজ
খ. দেনাপাওনা
গ. দত্তা
ঘ. দেবদাস
√  ঙ. চোখের বালি
২৫। ‘বিলাসী’ গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয় কোন পত্রিকায়?
√  ক. ভারতী
খ. বঙ্গদর্শন
গ. সাধনা
ঘ. মোসলেম ভারত
ঙ. ধূমকেতু
২৬। ‘বিলাসী’ গল্পটি সমাপ্ত হয়েছিল-
ক. নায়ক নায়িকার মিলনের মাধ্যমে
খ. নায়ক নায়িকার বিচ্ছেদের মাধ্যমে
√  গ. নায়কের মৃত্যুর মাধ্যমে
ঘ. নায়িকার মৃত্যুর মাধ্যমে
২৭। ‘ঠিক যেন ফুলদানিতে জল দিয়া ভিজাইয়া রাখা বাসি ফুলের মতো। হাত দিয়া এতটুকু স্পর্শ করিলে, এতোটুকু নাড়াচাড়া করিতে গেলেই ঝরিয়া পড়িবে।’ এই উক্তিটি কোন গল্পে আছে?
√  ক. বিলাসী
খ. একুশের গল্প
গ. সৌদামিনী মালো
ঘ. একই সমতলে
২৮। ‘অতিকায় হস্তী লোপ পাইয়াছে কিন্তু তেলাপোকা টিকিয়া আছে।’- কোন রচনার অংশ?
ক. হৈমন্তী
√  খ. বিলাসী
গ. অর্ধাঙ্গী
ঘ. সৌদামিনী মালো
২৯। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোন সালে মৃত্যুবরণ করেন?
ক. ১৯৩৭
√  খ. ১৯৩৮
গ. ১৯৩৯
ঘ. ১৯৪০
৩০। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস-
ক. বৈকুণ্ঠের উইল
√  খ. বড়দিদি
গ. বিন্দুর ছেলে
ঘ. রামের সুমতি
৩১। ‘বিলাসী’ গল্পের মৃত্যুঞ্জয় কতদিন শয্যাগত ছিল?
ক. একমাস
খ. একমাস সাতদিন
গ. আড়াই মাস
√ ঘ. দেড় মাস
৩২। শরৎচন্দ্রের ‘বিলাসী’ গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয় কোন পত্রিকায়?
ক. যমুনা
খ. সবুজপত্র
গ. বঙ্গদর্শন
ঘ. ভারতী
৩৩। ‘তাহার হাতে উল্টা পিঠ দিয়ে র্ঝর্ঝ করিয়া রক্ত পড়িতেছিল।’ এখানে কার হাতের কথা বলা হয়েছে?
ক. মৃত্যুঞ্জয়ের
√  খ. বিলাসীর
গ. ন্যাড়ার
ঘ. শাহজীর
৩৪। মৃত্যুঞ্জয়ের জাত কী ছিল?
ক. সদ্ব্রাহ্মণ
√  খ. কায়স্থ
গ. শূদ্র
ঘ. বৈশ্য
৩৫। শরৎচন্দ্রের ‘বিলাসী’ গল্পে হুমায়ূনের বাপের নাম কী লেখা হয়েছিল?
ক. বাবর
খ. আকবর
গ. শের খাঁ
√ ঘ. তোগলক খাঁ

 

HSC বাংলা সাহিত্য গল্প,কবিতা,উপন্যাস

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্তুতি-
নংগল্প + কবিতার নামসাহিত্যিকদের নামলিঙ্ক
০১আমার পথকাজী নজরুল ইসলামClick
০২বিড়ালবঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
০৩চাষার দুক্ষুবেগম রোকেয়া সাখাওয়াতClick
০৪বায়ান্নর দিনগুলোশেখ মুজিবুর রহমানClick
০৫অপরিচিতারবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick
০৬মাসি-পিসিমানিক বন্দ্যোপাধ্যায়Click
০৭জীবন ও বৃক্ষমোতাহের হোসেন চৌধুরীClick
০৮জাদুঘরে কেন যাবআনিসুজ্জামানClick
০৯নেকলেসগী দ্য মোপাসাঁ/ পূর্ণেন্দু দস্তিদারClick
১০রেইনকোটআখতারুজ্জামান ইলিয়াসClick
১১আহ্বানবিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়Click
১২মহাজাগতিক কিউরেটরমুহম্মদ জাফর ইকবালClick
১৩সাম্যবাদীকাজী নজরুল ইসলামClick
১৪ঐকতানরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick
১৫বিভীষণের প্রতি মেঘনাদমাইকেল মধূসুদন দত্তClick
১৬নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়সৈয়দ শামসুল হকClick
১৭তাহারেই পড়ে মনেসুফিয়া কামালClick
১৮ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯শামসুর রাহমানClick
১৯রক্তে আমার অনাদি অস্থি দিলওয়ার খানClick
২০ সেই অস্ত্রআহসান হাবিবClick
২১আঠারো বছর বয়সসুকান্ত ভট্টাচার্যClick
২২লোক লোকান্তরমীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদClick
২৩এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে জীবনানন্দ দাশClick
২৪আমি কিংবদন্তির কথা বলছিআবু জাফর ওবায়দুল্লাহClick
২৫লালসালুসৈয়দ ওয়ালীউল্লাহClick
২৬সিরাজউদ্দৌলাসিকান্দার আবু জাফরClick
২৭বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদনবঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
২৮বিদ্রােহীকাজী নজরুল ইসলাম Click
২৯গৃহরোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন Click
৩০মানব কল্যাণ-আবুল ফজলClick
৩১বিলাসীশরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
৩২সোনার তরীরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick

বাংলা ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ

বাংলা ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ

বাংলা ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ

ভুল : তার এখন সঙ্কট অবস্থা।
শুদ্ধ : তার এখন সঙ্কটাপন্ন অবস্থা।
ভুল : তাহার জীবন সংশয়পূর্ণ।
শুদ্ধ : তাহার জীবন সংশয়ময়।
ভুল : আমি সাক্ষী দিয়েছি।
শুদ্ধ : আমি সাক্ষ্য দিয়েছি।
ভুল : সকল মানুষেরাই মরণশীল।
শুদ্ধ : মানুষ মরণশীল।
ভুল : ৫ জন ছাত্ররা স্কুলে যায়।
শুদ্ধ : ৫ জন ছাত্র স্কুলে যায়।
ভুল : চোরটি সব মালসুদ্ধ ধরা পড়েছে।
শুদ্ধ : চোরটি মালসুদ্ধ ধরা পড়েছে।
ভুল : রহিমা পাগলি হয়ে গেছে।
শুদ্ধ : রহিমা পাগল হয়ে গেছে।
ভুল : রাজা পাপিষ্ঠ রানীকে শাস্তি দিলেন।
শুদ্ধ : রাজা পাপিষ্ঠা রানীকে শাস্তি দিলেন।
ভুল : তুমি কী ঢাকা যাবে?
শুদ্ধ : তুমি কি ঢাকা যাবে?
ভুল : কি ভয়ানক বিপদ!
শুদ্ধ : কী ভয়ানক বিপদ!
ভুল : তাহার সাঙ্ঘাতিক আনন্দ হইল।
শুদ্ধ : তাহার প্রচুর আনন্দ হইল।
ভুল : ইক্ষুর চারা বপন করা হইল।
শুদ্ধ : ইক্ষুর চারা রোপন করা হইল।
ভুল : ছেলেটি ভয়ানক মেধাবী।
শুদ্ধ : ছেলেটি অত্যান্ত মেধাবী।
ভুল : আকণ্ঠ পর্যন্ত ভোজন করলাম।
শুদ্ধ : আকণ্ঠ ভোজন করলাম।

ভুল : সাবধানপূর্বক চলবে।
শুদ্ধ : সাবধানে চলবে।
ভুল : একটি গোপন কথা বলি।
শুদ্ধ : একটি গোপনীয় কথা বলি।
ভুল : হাসান হলো আমার ভ্রাতুষ্পুত্র।
শুদ্ধ : হাসান আমার ভ্রাতুষ্পুত্র।
ভুল : বিধি লঙ্ঘন হয়েছে।
শুদ্ধ : বিধি লঙ্ঘিত হয়েছে।
ভুল : তিনি আমার বইটি প্রকাশিত করেছেন।
শুদ্ধ : তিনি আমার বইটি প্রকাশ করেছেন।
ভুল : সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
শুদ্ধ : সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
ভুল : বিবিধ জিনিসপত্র কিনলাম।
শুদ্ধ : বিবিধ জিনিস কিনলাম।
ভুল : আমি যেয়ে দেখি সব শেষ?
আমি গিয়ে দেখি সব শেষ?
ভুল : কুলাটা নারীকে বর্জন কর।
শুদ্ধ : কুলটাকে বর্জন কর।
ভুল : দুষ্কৃতিদের ছুটি দেওয়া উচিত নয়।
শুদ্ধ : দুষ্কৃতিকারীদের ছুটি দেওয়া উচিত নয়।
ভুল : অন্যায়ের ফল আবশ্যক।
শুদ্ধ : অন্যায়ের ফল অনিবার্য।

 

সূচনা: ব্যাকরণই ভাষার সংবিধান। ভাষার শুদ্ধ প্রয়োগের দ্বারাই বাংলা ভাষাকে সম্মান প্রদর্শন করা হয়। বাংলাভাষাকে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা যায়, শুদ্ধ কথা বলে বা লেখে। ব্যাকরণ জ্ঞান থাকলে ভাষার অশুদ্ধ প্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ সম্পর্কে সচেতন থাকা যায়। সে জন্য শব্দ ও বাক্যের নির্ভূল প্রয়োগের দ্বারা ভাষার দক্ষতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। শিক্ষার্থীরা যদি মাতৃভাষা বাংলাকে গভীর ভাবে ভালবাসে এবং যথাযথ অনুশীলন করে তা হলে শুদ্ধ বলা এবং লেখা অবশ্যই সম্ভব। বাংলা ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ।

প্রথমে জানতে হবে আমরা কী কী ভূল লিখি?
১. বানানের ভুল: বিভিন্ন কারণে বানান ভুল হয়ে থাকে। যেমন: (ক) বর্ণ প্রয়োগে ভুল (খ) যুক্ত ব্যঞ্জন ঠিকমতো চিনতে না পারার ভুল (গ) সন্ধিজাত ভুল (ঘ) প্রত্যয়জাত ভুল (ঙ) শব্দ রুপান্তর জাত ভুল (চ) উপসর্গজাত ভুল (ছ) বচনজাত ভুল (জ) লিঙ্গজনিত ভুল (ঝ) বিসর্গজাত ভুল (ঞ) ণত্ব-বিধান ও ষত্ব-বিধান জনিত ভুল (ট) সমাস জাত ভুল (ঠ) কারক ও বিভক্তি জনিত ভুল।

২. শব্দদ্বিত্ব: ৩. সমোচ্চারিত, ৪. বাক্য গঠনের ক্ষেত্রে বাক্যে পদের অপপ্রয়োগ, ৫. বাক্যে পদবিন্যাসের ত্রুটি, ৬. ক্রিয়া পদের ভুল ব্যবহার, ৭. সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণ, ৮. উপমা, উৎপ্রেক্ষা, প্রতীক ইত্যাদি অলঙ্কারের ভুল প্রয়োগ, ৯. এক কথায় প্রকাশ, বাগধারা ও প্রবাদজনিত ভুল, ১০. যতিচিহ্নের ব্যবহার জনিত ভুল।

বানান সমস্যা সমাধনের জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আগ্রহে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় সর্বপ্রথম ১৯৩৭ সালে, বাংলাদেশ জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তুক বোর্ড ১৯৮৮ সালে এবং বাংলা একাডেমি ১৯৯২ ও ২০১২ সালে বাংলা বানানের কিছু নিয়ম বেঁধে দেন। ঐ নিয়মগুলো ছিল মূলত সুপারিশমূলক-বাধ্যতামূলক নয়। তদুপরি, তাঁরা বেশ কিছু শব্দের বিকল্প বানান নির্দেশ করায় সুপারিশ সমূহ সর্বজন কর্তৃক সুচারুরুপে পালিত হচ্ছে না। ফলে অশুদ্ধ প্রয়োগের মাত্রা ও হ্রাস পাচ্ছে না। আমাদের সকলেরই প্রয়োজন সেসব নিয়মগুলো আয়ত্ব করা।

বাংলা বাক্য এবং শব্দের শুদ্ধি ও অশুদ্ধির নিয়মাবলি:
১. ‘ই’ ও ‘ঈ’ সংস্কৃতের ‘ইন’ প্রত্যয় যুক্ত শব্দের মধ্যকার ‘ন’ লোপ ই-কার থেকে যায়। এসব শব্দের শেষে বিশেষ্যবাচক ‘তা’ অথবা ‘ত্ব’ প্রত্যয় যুক্ত হয়। যেমন:

  • দুরদর্শী + তা = দুরদর্শিতা
  • মনোযোগী + তা = মনোযোগিতা
  • প্রতিযোগী + তা = প্রতিযোগিতা
  • পারদর্শী+তা = পারদর্শিতা
  • কৃতী+ত্ব = কৃতিত্ব
  • দ্বায়ী+ত্ব = দায়িত্ব
  • কৃতী+ত্ব কৃতিত্ব

২. সংস্কৃতের ‘ইন’ প্রত্যয়যুক্ত শব্দের শেষে বাংলায় ‘ঈ’কার এসেছে। সংস্কৃতের অনুসরণে এ সব ই-কার বজায় থাকে কিন্তু বহু বচনের ক্ষেত্রে ‘ইন’ এর ‘ই’ কার লোপ পায় না। যেমন- প্রাণী, মন্ত্রী, শশী, পক্ষী, বহুবচনে- প্রাণিকুল, মন্ত্রিপরিষদ, শশিভূষণ, পক্ষিকুল ইত্যাদি।

৩. স্ত্রীবাচক ‘ইনি’ (ইণী) প্রত্যয়ের মাঝখানে ই-কার চলে। যেমন:

  • বিজয়+ইনী = বিজয়িনী
  • দুঃখী+ইনী = দুঃখিনী
  • বিরহ+ইনী = বিরহিনী
  • সহধর্মী+ইনী= সহধর্মিনী ইত্যাদি।

৪. সন্ধিতে বিসর্গ এর স্থলে মূর্ধন্য-ষ বসে। বিসর্গযুক্ত ই-কার বা উ-কার এর পর ক/খ/প/ফ এর যে কোনটি থাকলে বিসর্গ স্থানে ‘ষ’ হয়। যেমন:

  • বহিঃ+কার = বহিষ্কার
  • নিঃ +কর = নিষ্কর
  • দুঃ+কর = দুষ্কর
  • চতুঃ+পদ = চতুষ্পদ ইত্যাদি

৫. তালব্য-শ এর পরিবর্তে মূর্ধন্য-ষ হয়। যেমন:

  • নির্দেশ নির্দিষ্ট
  • বিনাশ বিনষ্ট
  • উপবেশ উপবিষ্ট ইত্যাদি।

৭. বিসর্গের পরে ‘ত’ বা ‘থ’ থাকলে ঐ বিসর্গের স্বানে ‘স’ হয়। যেমন:

  • নিঃ + তার = নিস্তার
  • তিরঃ + কার = তিরষ্কার
  • প্রঃ থান= প্রস্থান ইত্যাদি।

৮. ‘st’ যুক্ত বিদেশি শব্দে ‘স্ট’ লিখতে হবে। যেমন: মাস্টার, হোস্টেল, মিনিস্টার, স্টল, ডাস্টবিন ইত্যাদি।
বাক্যে পদের অপ প্রয়োগ: বাংলা ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ।

১. বহুবচনের ভুল: বাংলা ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ। অনেক সময় বিশেষণ পদটি স্বয়ং বহুবচনের কাজ করে। মুল শব্দটিকে বহুবচন পদে পরিণত করার প্রয়োজন পড়ে না। যেমন: সবগুলো আম, না লিখে লেখা উচিত সব আম অথবা আমগুলো। কয়েকটি উদাহরণ:
ভুল : সকল পাখিরা ঘর বাঁধে না।
শুদ্ধ : সকল পাখি ঘর বাঁধে না।
ভুল : সকল প্রাণিকুল রাতের বেলা বিশ্রাম নেয়।
শুদ্ধ : প্রাণিকুল/সকল প্রাণী রাতের বেলা বিশ্রাম নেয়।
ভুল : সকল শিক্ষক মন্ডলী উপস্থিত আছেন।
শুদ্ধ : সকল শিক্ষক/শিক্ষকমন্ডলী উপস্থিত আছেন।

২. বাক্যে শব্দের অপপ্রয়োগ:
ভুল : বাংলাদেশ একটি উন্নতশীল রাষ্ট্র।
শুদ্ধ : বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল রাষ্ট্র।
ভুল : অপু মামলায় সাক্ষী দেবে।
শুদ্ধ : অপু মামলায় সাক্ষ্য দেবে।
ভুল : মেয়েটি ভয়ানক সুন্দরী
শুদ্ধ : মেয়েটি অনিন্দ্য সুন্দরী

৩. বাহুল্য শব্দ প্রয়োগজনিত অশুদ্ধি
ভুল : ছাত্ররা সবিনয়পূর্বক নিবেদন করল।
শুদ্ধ : ছাত্ররা সবিনয় নিবেদন করল।
ভুল : মেয়েটি নিদারুন সুবুদ্ধিমতী।
শুদ্ধ : মেয়েটি দারুন বুদ্ধিমতী।

৪. প্রবাদ প্রবচন জনিত অশুদ্ধি:
ভুল : গাছে কাঁঠাল চুলে তেল।
শুদ্ধ : গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল।
ভুল : অতি ভক্তি ডাকাতের লক্ষণ।
শুদ্ধ : অতিভক্তি চোরের লক্ষণ।
ভুল : কইয়ের তেলে মাছ ভাজা।
শুদ্ধ : কইয়ের তেলে কই ভাজা।
ভুল : বেয়াদবটাকে পূর্ণচন্দ্র দিয়ে বিদায় কের দাও।
শুদ্ধ : বেয়াদবটাকে অর্ধচন্দ্র দিয়ে বিদায় করে দাও।

৫. লিঙ্গ জনিত অশুদ্ধি:
ভুল : ওর মতো বুদ্ধিমান তরুনী এই তল্লাটে নেই।
শুদ্ধ : ওর মতো বুদ্ধিমতি তরুণী এই তল্লাটে নেই।
ভুল : আজ আমার কনিষ্ঠ বোনের বাগদান অনুণ্ঠান।
শুদ্ধ : আজ আমার কনিণ্ঠা বোনের বাগদান অনুষ্ঠান।
ভুল : যে মেয়েটি বুদ্ধিমান তাকে দিয়ে কাজটি কর।
শুদ্ধ : যে মেয়েটি বুদ্ধিমতি তাকে দিয়ে কাজটি কর।
ভুল : তার মা খুব মহান নেত্রী ছিলেন।
শুদ্ধ : তার মা খুব মহিয়সী নেত্রী ছিলেন।
ভুল : তোমার তো আবার ষোলো মাসে বছর, সবকিছুতেই বিলম্ব।
শুদ্ধ : তোমার তো আবার আঠার মাসে বছর, সবকিছুতেই বিলম্ব।

৬. বিশেষণের দ্বিত্বজনিত অশুদ্ধি:
ভুল : সবিনয় নিবেদন পূর্বক জানাচ্ছি যে ——-
শুদ্ধ : সবিনয়ে জানাচ্ছি যে———-
ভুল : প্রতিপক্ষ দলের কথা সঠিক নয়।
শুদ্ধ : প্রতিপক্ষ দলের কথা ঠিক নয়।

সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণজনিত অশুদ্ধি- বাংলা ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ
ভুল : লোকজন দেখে সন্ত্রাসীরা চলিয়া গেল।
শুদ্ধ : লোকজন দেখে সন্ত্রাসীরা চলে গেল।
ভুল : আত্মীয়রা শশ্মনে শব পোড়াচ্ছে।
শুদ্ধ : আত্মীয়রা শশ্মনে শব দাহ করছে।
ভুল : বাড়ির পাশেই ভীষণ অরণ্য।
শুদ্ধ : বাড়ির পাশেই ভীষণ জঙ্গল।

ভাষারীতি ও বানানের অশুদ্ধি:
ভুল : এ ঘটনা তোমার জন্য লজ্জাস্কর।
শুদ্ধ : এ ঘটনা তোমার জন্য লজ্জাকর/লজ্জাজনক।
ভুল : তোমার আচরণে আমি অত্যন্ত অপমান হয়েছি।
শুদ্ধ : তোমার আচরণে আমি অত্যন্ত অপমানিত হয়েছি।
ভুল : অনেক দিন পর তিনি আরোগ্য হলেন।
শুদ্ধ : অনেক দিন পর তিনি আরোগ্য লাভ করলেন।
ভুল : কীর্তিবাস প্রথম বাংলা রামায়ণ লিখেছেন।
শুদ্ধ : কৃত্তিবাস প্রথম বাংলা রামায়ণ লিখেছেন।
ভুল : আজকাল বানানের ব্যাপারে সকল ছাত্ররাই অমনোযোগী
শুদ্ধ : আজকাল বানানের ব্যাপারে সকল ছাত্রই অমনোযোগী

কতিপয় বাক্যের ভুল/অশুদ্ধি সংশোধন।
ভুল : অশ্রু জলে বুক ভেসে গেল। (রা.বো.০৪)
শুদ্ধ : অশ্রুতে বুক ভেসে গেল।
ভুল : অন্নাভাবে প্রতি ঘরে ঘরে হাহাকার। (ঢা.বো.০৩)
শুদ্ধ : অন্নাভাবে ঘরে ঘরে হাহাকার।
ভুল : অতিশয় দুঃখিত হলাম। (ঢা.বো.০৩)
শুদ্ধ : অতিশয় দুঃখ পেলাম।
ভুল : অতি লোভে তাঁতী নষ্ট। (ঢা.বো.০৩)
শুদ্ধ : অতি লোভে তাঁতি নষ্ট।
ভুল : অপমান হবার ভয় নেই। (চ.বো.১০)
শুদ্ধ : অপমানিত হবার ভয় নেই।
ভুল : অধ্যায়নই ছাত্রদের তপস্যা। (ঢা.বো.০৩)
শুদ্ধ : অধ্যয়নই ছাত্রদের তপস্যা।
ভুল : আমি সন্তোষ হলাম। (ঢা.বো.০৩)
শুদ্ধ : আমি সন্তুুষ্ট হলাম।
ভুল : আমার আর বাঁচবার স্বাদ নাই। (রা.বো.০৪)
শুদ্ধ : আমার আর বাচিবার সাধ নাই।
ভুল : আমি এ ঘটনা চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ করেছি। (কু.বো.১২)
শুদ্ধ : আমি এ ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছি।
ভুল : আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত। (চ.বো.১০)
শুদ্ধ : আপনি সপরিবারে আমন্ত্রিত।
ভুল : আসছে আগামীকাল কলেজ বন্ধ থাকবে। (চ.বো.০৮)
শুদ্ধ : আগামী কাল কলেজ বন্ধ থাকবে।
ভুল : আবশ্যক ব্যয়ে কার্পণ্যতা উচতি নয়। (চ.বো.০৮)
শুদ্ধ : আবশ্যক ব্যয়ে কার্পণ্য অনুচিত।
ভুল : উৎপন্ন বৃদ্ধির জন্য কঠোর পরিশ্রম দরকার। (রা.বো.০৪)
শুদ্ধ : উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কঠোর পরিশ্রম দরকার।
ভুল : এ কথা প্রমান হয়েছে। (চ.বো.১০)
শুদ্ধ : এ কথা প্রমাণিত হয়েছে।
ভুল : এটা লজ্জাস্কর ব্যাপার। (চ.বো.০৮)
শুদ্ধ : এটা লজ্জাকর ব্যাপার।
ভুল : একের লাঠি দশের বোঝা । (রা.বো.০৪)
শুদ্ধ : দশের লাঠি একের বোঝা।
ভুল : এক অগ্রহায়নে শীত যায় না। (রা.বো.০৬)
শুদ্ধ : এক মাঘে শীত যায় না।
ভুল : চোরে চোরে খালাত ভাই
শুদ্ধ : চোরে চোরে মাসতুতো ভাই।
ভুল : এ বিষয়ে আমার কোন দৈন্যতা নেই। (চ.বো.১০)
শুদ্ধ : এ বিষয়ে আমার কোন দৈন্য/দীনতা নেই।
ভুল : কেই মরে বিল ছেঁচে, কেই খায় শিং। (কু.বো.১২)
শুদ্ধ : কেউ মরে বিল ছেঁচে, কেউ খায় কৈ।
ভুল : কুপুরুষের মতো কথা বলছ কেন? (রা.বো.০৪)
শুদ্ধ : কাপুরুষের মতো কথা বলছ কেন?
ভুল : কাব্যটির উৎকর্ষতা প্রশংসনীয়। (কু.বো.১২)
শুদ্ধ : কাব্যটির উৎকর্ষ প্রশংসনীয়।
ভুল : কালীদাস বিখ্যাত কবি। (রা.বো.০৪)
শুদ্ধ : কালিদাস বিখ্যাত কবি।
ভুল : কথাটি সঠিক নয়। (চ.বো.০৮)
শুদ্ধ : কথাটি সত্য নয়।
ভুল : কন্যার বাপ সবুর করতে পারতেন কিন্তু বরের বাপ সবুর করিতে চাহিল না।(চ.বো.০৩)
শুদ্ধ : কন্যার বাপ সবুর করিতে পারিতেন কিন্তু বরের বাপ সবুর করিতে চাহিলেন না।
ভুল : গাছটি সমূলসহ উৎপাটিত হয়েছে। (কু.বো.০৮)
শুদ্ধ : গাছটি মুলসহ উৎপাটিত হয়েছে।
ভুল : গতকালের সভায় সকল সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।(চ.বো.১০)
শুদ্ধ : গতকালের সভায় সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
ভুল : গাছে কাঁঠাল মাথায় তেল। (চ.বো.০৮)
শুদ্ধ : গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল।
ভুল : গীতাঞ্জলী রবীঠাকুরের বিখ্যাত কাব্য।
শুদ্ধ : গীতাঞ্জলি রবিঠাকুরের বিখ্যাত গ্রন্থ।
ভুল : গীতাঞ্জলী পড়েছ কি? (চ.বো.০৫)
শুদ্ধ : গীতাঞ্জলি পড়েছ কি?
ভুল : দ্বাদশ শ্রেনীতে তেত্রিশ জন ছাত্র আছে তারমধ্যে তামি সবচেয়ে ভাল। (চ.বো.১০)
শুদ্ধ : দ্বাদশ শ্রেণিতে তেত্রিশ জন ছাত্র আছে, তাদের মধ্যে তামি সর্বোত্তম।
ভুল : তোমার মত বুদ্ধিমান বালিকা আমি আর দেখিনি। (চ.বো.১০)
শুদ্ধ : তোমার মতো বুদ্ধিমতি বালিকা আমি আর দেখিনি।
ভুল : তাকে স্বপরিবারে দাওয়াত কর। (কু.বো.১২)
শুদ্ধ : তাকে সপরিবারে দাওয়াত কর।
ভুল : তাহার সৌন্দর্য্যতায় মুদ্ধ হয়েছি। (রা.বো০৬)
শুদ্ধ : তার সৌন্দর্যে মুদ্ধ হয়েছি।
ভুল : তার বৈমাত্র সহোদর ডাক্তার। (কু.বো.১২)
শুদ্ধ : তার বৈমাত্র ডাক্তার।
ভুল :  তারা একত্রে গমন করল। (চ.বো.১০)
শুদ্ধ : তারা একত্র গমন করল।
ভুল : তাহার লেখা-পড়ায় মনযোগ নাই। (রা.বো.০৬)
শুদ্ধ : তাহার লেখাপড়ায় মনোযোগ নেই।
ভুল : তোমার তথ্য গ্রাহ্য যোগ্য নয়। (চ.বো.০৫)
শুদ্ধ : তোমার তথ্য গ্রহণ যোগ্য নয়।
ভুল : তিনি আরোগ্য হলেন।
শুদ্ধ : তিনি আরোগ্য লাভ করলেন।
ভুল : যে সব অর্থহীন বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি শব্দের পরে বসে শব্দ গঠন করে তাকে প্রত্যয় বলে।
শুদ্ধ : যে সব অর্থহীন বর্ণ বা র্বণসমষ্টি শব্দের পরে বসে শব্দ গঠন করে তাদের প্রত্যয় বলে।
ভুল : তিনি স্বস্ত্রীক বেড়াতে যাবেন। (চ.বো.০৫)
শুদ্ধ : তিনি সস্ত্রীক বেড়াতে যাবেন।
ভুল : দারিদ্রতাকে জয় করতে হলে পরিশ্রম কর। (কু.বো.১২)
শুদ্ধ : দারিদ্র্যকে/দরিদ্রতাকে জয় করতে হলে পরিশ্রম কর।
ভুল : দৈন্যতা প্রশংসনীয় নয়।
শুদ্ধ : দীনতা/দৈন্য প্রশংসনীয় নয়।
ভুল : দশ চক্রে ঈশ্বর ভুত। (কু.বো.০৮)
শুদ্ধ : দশ চক্রে ভগবান ভুত।
ভুল : নতুন নতুন ছেলেগুলো উৎপাত করছে। (চ.বো.০৮)
শুদ্ধ : নতুন ছেলেগুলো উৎপাত করছে।
ভুল : সকল ছাত্রগণ নিয়মিত স্কুলে যায় না।
শুদ্ধ : সকল ছাত্র নিয়মিত স্কুলে যায় না।
ভুল : সকল শিক্ষক মন্ডলীকে স্বাগত জানাই।
শুদ্ধ : সকল শিক্ষককে স্বাগত জানাই।
ভুল : যুদ্ধের বাজারে অনেকেই আঙ্গুল ফুলে আমগাছ হয়েছে।
শুদ্ধ : যুদ্ধের বাজারে অনেকেই আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে।
ভুল : শয়তানটাকে পূর্ণচন্দ্র দিয়ে বিদায় করে দাও।
শুদ্ধ : শয়তানটাকে অর্ধচন্দ্র দিয়ে বিদায় করে দাও।
ভুল : মার্কিনরা স্বশিক্ষিত জাতি।
শুদ্ধ : মার্কিনরা শিক্ষিত জাতি।
ভুল : কৃপণের নিকট চাঁদা চাওয়া বনে ক্রন্দন মাত্র।
শুদ্ধ : কৃপণের নিকট চাঁদা চাওয়া অরণ্যে রোদন মাত্র।
ভুল : দেশের উন্নয়নে তারা নিজেকে নিয়োজিত করেছে।
শুদ্ধ : দেশের উন্নয়নে তারা নিজেদেরকে নিয়োজিত করেছে।
ভুল : ধনে জনে চৌধুরী সাহেবের সংসার যেন চাঁদের বাজার।
শুদ্ধ : ধনে জনে চৌধুরী সাহেবের সংসার যেন চাঁদের হাট।
ভুল : পরপকার মনুষত্বের পরিচায়ক। (সি.বো.০৩)
শুদ্ধ : পরোপকার মনুষ্যত্বের পরিচায়ক।
ভুল : পরবর্তীতে আপনি এলে ভালো হবে। (চ.বো.১০)
শুদ্ধ : পরে আপনি এলে ভালো হবে।
ভুল : বিদ্যান র্শর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।
শুদ্ধ : বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।
ভুল : বাংলাদেশ একটি সমৃদ্ধশালী দেশ। (চ.বো.১০)
শুদ্ধ : বাংলাদেশ একটি সমৃদ্ধিশালী দেশ।
ভুল : বাংলাদেশ একটি উন্নতশীল দেশ। (কু.বো.১২)
শুদ্ধ : বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ।
ভুল : মেয়েটি বিদ্যান কিন্তু সুন্দরী নয়।
শুদ্ধ : মেয়েটি বিদুষী কিন্তু সুন্দরী নয়।
ভুল : মাদকাশক্তি ভাল নয়।
শুদ্ধ : মাদকাসক্তি ভাল নয়।
ভুল : মহারাজা সভাগৃহে প্রবেশ করিলেন। (রা.বো.০৬)
শুদ্ধ : মহারাজ সভাকক্ষে প্রবেশ করলেন।
ভুল : অন্নাভাবে প্রতি ঘরে ঘরে হাহাকার। (ঢা.বো.০৩)
শুদ্ধ : অন্নাভাবে ঘরে ঘরে হাহাকার।
ভুল : সব মাছ গুলোর দাম কত? (কু.বো.০৫)
শুদ্ধ : সবগুলো মাছের দাম কত?
ভুল : সূর্য উদয় হয়েছে। (চ.বো.০৩)
শুদ্ধ : সূর্য উদিত হয়েছে।
ভুল : শ্বাশুড়ী বউকে দেখতে পারে না।
শুদ্ধ : শাশুড়ি বউকে দেখতে পারে না।
ভুল : মুহুর্তের মধ্যে এতকিছু ঘটে যাইবে বুঝিতে পারিনি।
শুদ্ধ : মুহুর্তের মধ্যে এতকিছু ঘটে যাবে, বুঝতে পারিনি।
ভুল : তুমি টাকাটা আত্বসাৎ করেছ।
শুদ্ধ : তুমি টাকাটা আত্মসাৎ করেছ।
ভুল : যথাসময়ে কাজ না করায় শেষে চক্ষুতে হলুদের ফুল দেখিতে লাগিলাম।
শুদ্ধ : যথা সময়ে কাজ না করায় শেষে চোখে সর্ষের ফুল দেখতে লাগলাম।
ভুল : অপব্যায় একটি মারাত্বক ব্যাধি
শুদ্ধ : অপব্যয় একটি মারাত্মক ব্যধি।
ভুল : যাবতীয় প্রাণিকুল এ গ্রহের বাসিন্দা। (চ.বো.০৩)
শুদ্ধ : সকল প্রাণী এই গ্রহের বাসিন্দা।
ভুল : রচনার উৎকর্ষতা অনস্বীকার্য। (সি.বো.০৩)
শুদ্ধ : রচনার উৎকর্ষ অনস্বীকার্য।
ভুল : রবীন্দ্রনাথ ভয়ংকর কবি ছিলেন। (চ.বো.০৮)
শুদ্ধ : রবীন্দ্রনাথ বিশ্বকবি ছিলেন।
ভুল : বন ও জঙ্গলে এখন আর বাঘ থাকে না।
শুদ্ধ : বন-জঙ্গলে এখন আর বাঘ থাকে না।
ভুল : শুধুমাত্র এই কটা টাকা দিলে? (কু.বো.০৮)
শুদ্ধ : মাত্র এই কটা টাকা দিলে?
ভুল : শুধুমাত্র তুমি গেলেই হবে। (কু.বো.১২)
শুদ্ধ : শুধু তুমি গেলেই হবে।
ভুল : শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণ করবো। (কু.বো.১২)
শুদ্ধ : শহিদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করব।
ভুল : সকল ছাত্রগণ ক্লাসে উপস্থিত ছিল।
শুদ্ধ : সকল ছাত্র ক্লাসে উপস্থিত ছিল।

বাংলা বানানের নিয়ম

বাংলা বানান (MCQ) প্রশ্নোত্তর

বাংলা বানানের নিয়ম

বাংলা বানানের নিয়ম

বাংলা বানানের নিয়ম

বাংলায় ণ ও ন দুটি বর্ণের উচ্চারণ একই। বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ণ এর যথার্থ ব্যবহারের নিয়মকেই ণত্ব বিধান বলে।

►►➥ ণত্ব বিধানের নিয়ম গুলো নিচে দেওয়া হলো।
১। ঋ, র, ষ-এর পরে মূর্ধন্য-ণ বসে। যেমন: তৃণ, মসৃণ, ঋণ, প্রেরণ, ইত্যাদি।
২। যুক্ত ব্যঞ্জনে ট- বর্গীয় ধ্বনির পূর্বাস্থিত দন্ত-ন মূর্ধন্য-ণ হয়। যেমন: কণ্টক, কাণ্ড, ঘণ্টা, অবগুণ্ঠন ইত্যাদি।
৩। যদি পদের মধ্যে ঋ, র, ষ বর্ণের পর ক-বর্গ, প-বর্গ, য, ব, হ ও থাকে তা হলে পরের দন্ত-ন মূর্ধন্য-ণ হয়। যেমন: বর্ণ, হরিণ, বর্ষণ, শ্রবণ ইত্যাদি।
৪। প্র, পরা, পরি, নীর এ চারটি উপসর্গের এবং অন্তর শব্দের স্থিত, নদ, নম, নশ, নহ, নীর, অন, হন এ কয়টি ধাতুর দন্ত-ন মূর্ধন্য-ণ হয়। যেমন: প্রণাম, পরিণতি, পরায়ণ, প্রণীত ইত্যাদি।
৫। কতকগুলো শব্দে স্বভাবতই মূর্ধন্য-ণ হয়। যেমন: অণু আপণ, কণা, কল্যাণ, তৃণ, গণিত, বীণা, বাণিজ্য, বাণী, লবণ, শোণিত ইত্যাদি।

►►➥ ষ-ত্ব বিধান কাকে বলে? ষ-ত্ব বিধানের পাঁচটি নিয়ম লেখ।
►►➥ ষ-ত্ব বিধান: সংস্কৃতের যে বিধান অনুসারে দন্ত-স মূর্ধন্য-ষতে পরিণত হয় তাকে ষ-ত্ব বিধান বলে।
১। তৎসম শব্দে ট, ঠ বর্ণের পূর্বে ‘ষ’ হয়। যেমন: তুষ্ঠ, ঘনিষ্ট, শ্রেষ্ঠ, বলিষ্ঠ ইত্যাদি।
২। ঋ-কার ও র- এর পর ‘ষ’ হয়। যেমন: বৃষ্টি, কৃষক, বর্ষা, বৃষ ইত্যাদি।
৩। যুক্ত ব্যঞ্জনে ট ও ঠ বর্ণের পূর্বে মূর্ধন্য-ষ বসে। যেমন: কষ্ট, নষ্ট, ওষ্ঠ, ইষ্ট, চেষ্টা, কৃষ্টি ইত্যাদি।
৪। নিঃ, দুঃ, বহিঃ আবিঃ চতুঃ ইত্যাদি শব্দেরপর ক, খ, প, ফ বর্ন থাকলে বিসর্গের পরিবর্তে মূর্ধন্য-ষ বসে। যেমন: নিঃ+কর্মা-নিষ্কর্মা, দুঃ+কর- দুষ্কর, বহিঃ+কার- বহিষ্কার ইত্যাদি।
৫। কতকগুলো শব্দে সচারচর মূর্ধন্য-ষ হয়। যেমন: ভাষা, পাষান্ড, আষাঢ়, ঊষা, অভিলাষ, ষোড়শ, ঈষা ইত্যাদি।

►►➥ বাংলা একাডেমি প্রণিত বাংলা বানানের পাঁচটি নিয়ম লেখ। ( ঢা.বো.১৬, রা.বো.১৬, ব.বো.১৬, কু.বো.১৬, চ. বো.১৬)
►►➥ অথবা- আধুনিক বাংলা বানানের পাঁচটি নিয়ম লেখ।
১. সকল অতৎসম শব্দে অর্থাৎ তদ্ভব, দেশি,বিদেশি ও মিশ্র শব্দে কেবল ই এবং উ-কার ব্যবহৃত হবে। এমনকি জাতিবাচক ও স্ত্রী বাচক শব্দের ক্ষেত্রেও এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে। যেমন: শাড়ি, বাড়ি, দিদি, জাপানি, ইংরেজি ইত্যাদি।
২. ‘আলি’ প্রত্যয়যুক্ত শব্দে ই-কার হবে। যেমন: মিতালি সোনালি, বর্ণালি ইত্যাদি।
৩. রেফ এর পর ব্যঞ্জনবণের দ্বিত্ব হবে না। যেমন: অর্চনা, অর্জন, গর্জন, কার্তিক, ইত্যাদি।
৪. ক খ গ ঘ পরে থাকলে পদের অবস্থিত ম্ স্থানে (ং) লেখা যাবে। যেমন: অহংকার, ভয়ংকার, সংগীত ইত্যাদি।
৫. তৎসম শব্দে ‘ক্ষ’ অপরিবর্তনীয় । যেমন: ক্ষেত, ক্ষীর, ক্ষুর ইত্যাদি। তবে অ-তৎসম শব্দে খুদ, খিদে, খুর ইত্যাদি লেখা চলবে।

►►➥ বাংলা বানানে ই-কার ব্যবহারের পাঁচটি নিয়ম লেখ: ( দি.বো.১৬)
►►➥ ই-কার ব্যবহারের পাঁচটি নিয়ম নিচে দেওয়া হলো।
১। অ-তৎসম শব্দে ই-কার: অ-তৎসম শব্দের বানানে ই ধ্বনির ক্ষেত্রে সর্বত্র ই-কার ব্যবহার করা যাবে। যেমন: পাখি, চিংড়ি, গিন্নি ইত্যাদি।
২। ক্রিয়াবাচক শব্দে ই-কার: মৌলিক ক্রিয়াবাচক শব্দে সর্বত্রই ই-কার হবে। যেমন: চিবানো, চিমটানো, ডিঙ্গানো ইত্যাদি।
৩। সংখ্যাবাচক শব্দে ই-কার: সাধারন ভাবে সংখ্যাবাচক শব্দের বানানে ই-কার হয়। যেমন: তিন, বিশ, চল্লিশ, আশি ইত্যাদি।
৪। প্রাণিবাচক অ-তৎসম শব্দের শেষে ই-কার হয়। যেমন: জোনাকি, প্রজাপতি, বুলবুলি ইত্যাদি।
৫। স্ত্রীবাচক অ-তৎসম শব্দের শেষে ই-কার হয়। যেমন: দিদি, মামি, মাসি ইত্যাদি।

►►➥ বাংলা বানানে ব-ফলা ব্যবহারের পাঁচটি নিয়ম লেখ:
►►➥ নিচে বাংলা বানানে ব-ফলা ব্যবহারের পাঁচটি নিয়ম উল্লেখ করা হলো।
১। শব্দের আদিতে ‘ব’ ফলা যুক্ত হলে ‘ব’ অনুচ্চারিত থাকে, তবে যে বর্ণে সংযুক্ত হয় সেই বর্ণ উচ্চারণে একটু শ্বাসাঘাত লাগে। যেমন: স্বামী, স্বাধিকার, দ্বিতীয় ইত্যাদি।
২। শব্দের মধ্যে বা শেষে ‘ব’ ফলা যুক্ত হলে সেই ‘ব’ ফলা অনুচ্চারিত থাকে এবং যে বর্ণে যুক্ত হয় সেই বর্ণ দ্বিত্ব হয়। যেমন: বিশ্বাস (বিশশাস), বিদ্বান, বিশ্ব ইত্যাদি।
৩। ‘উৎ’ উপসর্গের সাথে ব যুক্ত হলে ব উচ্চারিত হয়। যেমন: উদ্বাস্তুু, উদ্বোধন, উদ্বৃত্ত ইত্যাদি।
৪। শব্দের মধ্যে বা শেষে ব এর সঙ্গে ব,ম এর সঙ্গে ব যুক্ত হলে ঐ ‘ব’ উচ্চারিত হয়। যেমন: ব্ব-সাব্বাস, আব্বা, নব্বই ইত্যাদি।
৫। যুক্ত ব্যঞ্জনে ব-ফলা যুক্ত হলে ব উচ্চারিত হয় না। যেমন: দ্বন্দ¦ (দন্দো) উজ্জ্বল, উচ্ছ¡াস ইত্যাদি।

►►➥ বাংলা ভাষায় বিদেশি শব্দ লেখার পাঁচটি নিয়ম লেখ:
►►➥ বাংলা ভাষায় বিদেশি শব্দ লেখার পাঁচটি নিয়ম নিচে উল্লেখ করা হলো:
১। বাংলায় ব্যবহৃত কেবল সংস্কৃত শব্দেই ণত্ব ও ষত্ব বিধি মানা হয়, অসংস্কৃত ও বিদেশি শব্দে এ নিয়ম প্রযোজ্য নয়। তাই বিদেশি শব্দের প্রতিবর্ণী করণে উচ্চারণ অনুযায়ী ‘শ’ অথবা ‘স’ বসবে। যেমন: ফাস্ট, স্টপ, টেস্ট, তামাশা, ইত্যাদি।
২। আররি-ফারসি শব্দের সিন, ছোয়াত- ইত্যাদির প্রতিবর্ণীকরণে ‘স’ এবং শিন এর প্রতিবর্ণীকরণে ‘শ’ হয়। যেমন: সাদা, খাস, রসদ, আসর, আসমান, শরবত ইত্যাদি।
৩। কতিপয় বিদেশি শব্দে ‘ংঃ’ এর স্থলে ‘স্ট’ হয়। যেমন: হোস্টেল, স্টার, স্টোভ ইত্যাদি।
৪। বিদেশি শব্দের মূল উচ্চারণ বাংলা তালব্য ‘শ’ এর অনুরুপ বা কাছাকাছি হলে বাংলা বানানে ‘শ’ হবে। যেমন: পরধষ- অফিশিয়াল, পরধহ – টেকনিশিয়ান, ‘ংয’ ইংলিশ ইত্যাদি।
৫। বিদেশি শব্দে সাধারণত বর্গীয় ‘জ’ হয়ে থাকে, ‘য’ হয় না। যেমন: জাদুঘর, অজুহাত, ম্যাগাজিন, জানুয়ারি ইত্যাদি।

►►➥ কোন কোন ক্ষেত্রে মূর্ধন্য ‘ণ’ হয় না। উদাহরণ সহ লেখ।
১। ত-বর্গীয় বর্ণের সঙ্গে যুক্ত ন কখনো ‘ণ’ হয় না। যেমন: অন্ত, গ্রন্থ, ক্রন্দন ইত্যাদি।
২। বাংলা ক্রিয়াপদের অন্তঃস্থিত ন ণ হয় না। যেমন: খাবেন, যাবেন, করেন ইত্যাদি।
৩। বিদেশি শব্দে দন্ত্য ন মূর্ধন্য-ণ হয় না। যেমন: জবান, ফরমান, লন্ডন ইত্যাদি।
৪। সমাস বদ্ধ পদে দুই পদের পূর্ব পদে ঋ, র, ষ থাকলে ও পর পদে দন্ত্য-ন মূর্ধন্য-ণ হয় না।
যেমন: অন্ত, গ্রন্থ, ক্রন্দন ইত্যাদি।
৫। ট-বর্গীয় বর্ণের পূর্বে অ-তৎসম শব্দে দন্ত্য-ন হয়। যেমন: আন্ডা, প্রেসিডেন্ট ইত্যাদি।

►►➥ কোন কোন ক্ষেত্রে ‘ষ’ হয় না আলোচনা কর।
১। আরবি, ফারসি, ইংরেজি ইত্যাদি বিদেশী শব্দে মূর্ধন্য ‘ষ’ হয় না। যেমন: পোশাক, মাস্টার,জিনিস ইত্যাদি।
২। ‘সাৎ’ প্রত্যয়যুক্ত শব্দে মূর্ধন্য ‘ষ’ হয় না। যেমন: অদ্বিসাৎ, ধুলিসাৎ, ভূমিসৎ ইত্যাদি।
৩। অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশী শব্দে সাধারণত মূর্ধণ্য ‘ষ’ হয় না। যেমন: জিনিস, পুলিশ, স্টেশন ইত্যাদি।
৪। স্ফুর ও স্ফুট ধাতুর দন্ত্য ‘স’ অপরিবর্তিত থাকবে। যেমন: বিস্ফোরণ, পরিস্ফুট ইত্যাদি।
৫। কতক গুলো ক্ষেত্রে স্বতঃসিদ্ধ ‘ষ’ ব্যবহারের ছড়া

ভাষা, মাষ, ষট, আষাঢ়, ষন্ড
কষিত, পাষাণ, ইষু ,পাষন্ড
কষায়, কাষায়, কাষ্ঠ, কষ্ট
আভাষা, বাষ্প, মত্তষিক, অষ্ট
পৌষ, পুষ্প, শষ্প, ভাষ্য
ষ-ত্ব-বিধির করে দাস্য।

►►➥ নিচের যেকোন পাঁচটি শব্দের বানানের নিয়ম লেখ।
শুভেচ্ছা (শুভ + ইচ্ছা) : অ-কার কিংবা আ-কারের পরই-কার কিংবা ঈ-কার থাকলে উভয় মিলে এ-কার হয়; এ কার পরবর্তী ব্যঞ্জণবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়। এখানে অ-কার এবং ই-কার মিলে এ-কার হয়েছে এবং পরবর্তী ব্যঞ্জণবর্ণের সাথে যুক্ত হয়েছে।
তৃণ: তৎসম শব্দে ঋ-এর পরের দন্ত্য-ন মূর্ধন্য‘ণ’ তে পরিনত হয়েছে।
পরিনাম: পরি-উপসর্গের পর বিধি অনুসারে ন ‘ণ’ হয়েছে।
লবণ: (লো+ আন): (সন্ধির নিয়মে) ও কারের পর স্বরবর্ণ থাকলে ও কার স্থানে অব হয়। অ-কার পূর্ব বর্ণে যুক্ত হয় এবং পরের স্বর ‘ব’ এর সাথে যুক্ত হয়।
উল্লাস (উৎ+লাস): (সন্ধির নিয়মে) ত কিংবা দ এর পর ল থাকলে ত ও দ এর স্থানে ‘ল’ হয়।
প্রতিযোগিতা (প্রতি+ যোগিতা): বাংলায় শব্দের মধ্যাংশে ‘জ’ এবং ‘য’ দুই-ই প্রচলিত।তবে শব্দের মধ্যাংশের ‘য’ মূলত শব্দের প্রথম বর্ণের। উপসর্গযোগে সে গুলো শব্দের মধ্যাংশে অবস্থান নেয়।

►►➥ যে কোন পাঁচটি শব্দের বানানের নিয়ম লেখ:
সূর্য = তৎসম শব্দে ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবে না। এ নিয়মে সূর্য বানান সাধিত হয়েছে।
সংকল্প = সন্ধি ম স্থানে ঙ এর বিকল্প ং অনুস্বার ব্যবহৃত হয়েছে।
সোনালি = আলী প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দের অন্ত ঈ-কার ই-কার হয়েছে।
কণ্টক = ট-বর্গের সঙ্গে মূর্ধন্য ‘ণ’ ব্যবহৃত হয়েছে।
কাঁকন = কঙ্কন-তৎসম শব্দ তদ্ভব হওয়ার ফলে ঙ স্থানে ‘ ঁ’ বিন্দু হয়েছে।
ক্যাসেট = বিদেশি ইংরেজি শব্দের প্রতিবর্ণি কারণে ‘্য’ এবং া/য-ফলা ও আ কারের ব্যবহার হয়েছে।
পালং = পালঙ্ক-অঙ্ক-পালং তদ্ভব শব্দে-রুপান্তরের সময় ঙ- এর বিকল্পে ং অনুস্বার বসেছে।
কার্যত = ত প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।

►►➥ বন্ধনীর মধ্যে উল্লেখিত বানান গুলো বিশ্লেষন কর। (যেকোন পাঁচটি)
ভণিতা = (ণ) এখানে স্বাভাবিক বানান রীতি অনুসারে ব্যবহৃত হয়েছে।
বৃষ্টি = (ষ) ঋ-কারের পর এবং ট-বর্গের পূর্বে (ষ) বসে।
প্রশ্নোত্তর = (ও) সন্ধির নিয়মে অ+উ = ও কার হয়েছে।
দুর্দিন = (উ) দুঃ+দিন। সন্ধির নিয়মে ব্যবহৃত হয়েছে।
স্বেচ্ছা = (স্ব) অ/আ-কারের পর ই/ঈ-কার থাকলে ‘ব’ পূর্ব বর্ণে যুক্ত হয়।
মিথ্যাবাদী = (ঈ-দী) মিথ্যা+বদ+ইন। ইন প্রত্যয়যোগে গঠিত হয়েছে।
চাকরানী = (ঈ-কার) আনি-প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্বরের বৃদ্ধি ঘটেছে-ঈ।

►►➥ নিচের শব্দগুলোর নিন্ম রেখা অংশের বানানের সুত্র লেখ।
পোষ্ট অফিস: বিদেশি শব্দের বানানে ট-এর পূর্বে ‘স’ যুক্ত হয়।
সর্বনাম: ণ-ত্ব বিধান। দুটি পদে সমাস হয়ে একপদে পরিণত হলে এবং পূর্বপদে র,স থাকলে পরপদের দন্ত-ন মূর্ধণ্য-ণ হয় না।
অভিষেক: ষ-ত্ব বিধান। ই-কারান্ত উপসর্গের পরে ধাতুর দন্ত্য-স মূর্ধণ্য-ষ হয়। (অভি+ সেক)=অভিষেক।
প্রত্যেক: সন্ধি ঘটিত বানানের নিয়ম। এখানে ‘ই’ কারের সাথে ‘অ’ কার আ-কারের মিলনে ই-কার স্থানে য-ফলা (্য) ফলা হয়েছে। (প্রতি+এক= প্রত্যেক)।
প্রতিযোগিতা: প্রত্যয় ঘটিত বানানের নিয়ম। ‘তা’ প্রত্যয় যুক্ত হওয়ায় পদান্তের ঈ-কার ‘ই’ হয়েছে। (প্রতিযোগীতা = প্রতিযোগিতা)।
ভৌগোলিক: প্রত্যয় ঘটিত বানানের নিয়ম। ‘ইক’ প্রত্যয় যুক্ত হওয়ায় শব্দের আদিস্বরের বৃদ্ধি ঘটেছে।
আকস্মিক: প্রত্যয়ের নিয়মানুসারে ইক্ প্রত্যয় যুক্ত হলে শব্দের আদিস্বরের বৃদ্ধি ঘটে এবং অন্তস্বরের ‘আৎ’ লোপ পায়্য। (অকস্মাৎ + ইক= আকস্মিক)।
আভিজাত্য: প্রত্যয়ের নিয়মানুসারে য-প্রত্যয় যুক্ত হলে শব্দের আদিস্বরের বৃদ্ধি হয়। (অভিজাত+য= আভিজাত্য)।
আমন্ত্রণ = র-এর পর স্বরধ্বনির ব্যবধানে দন্ত্য-ন মূর্ধণ্য-তে পরিবর্তিত হয়েছে।
উচ্চারণ = সন্ধির নিয়মানুসারে ত-এর পর চ থাকলে ত স্থানে চ হয়। চ পরবর্ণে যুক্ত হয়।
যেমন: (উৎ+চারণ=উচ্চারণ)
উচ্ছৃঙ্খল = সন্ধির নিয়মে ত-এর পর শ থাকলে ত স্থানে চ এবং শ স্থানে ছ হয়। উৎ+শৃঙ্খল=উচ্ছৃঙ্খল)।
ঊর্ণনাভ = সমাসের নিয়মানুসারে ‘নাভি’ শব্দটি সমস্তপদে ‘নাভ’ হয়েছে। ঊর্ণা নাভিতে যার = ঊর্ণনাভ (বহুব্রীহি সমাস)।
ঊষা = ষত্ব বিধানের নিয়ম অনুসারে অ/আ ভিন্ন অন্য স্বরবর্ণের পর মূর্ধন্য-ষ হয়।
ঋণ = ণত্ব বিধান অনুযায়ী ঋ এর পর মূর্ধন্য-ণ হয়। অন্যান্য শব্দ তৃণ, ঘৃণা, মসৃণ।
উপনিবেশিক = প্রত্যয়ের নিয়মানুসারে ইক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে আদি স্বরের বৃদ্ধি ঘটেছে। (উপনিবেশ+ইক=ঔপনিবেশিক)।
কৃপণ = ঋ-এর পর প-বর্ণ ও স্বরধ্বনির ব্যবধানে দন্ত-ন মূর্ধন্য-ণ হয়।
কোরান = বিদেশি শব্দে ণত্ব বিধান প্রযোজ্য নয়। তাই দন্ত-ন অক্ষুন্ন রয়েছে।
কল্যাণ = স্বাভাবিক নিয়মে ণ হয়েছে।
গভর্ণমেন্ট = বিদেশি শব্দে ণত্ব বিধান প্রযোজ্য নয়।
দুর্নীতি = ণত্ব-বিধান অনুযায়ী সমাস বদ্ধ পদে মূর্ধন্য-ণ হয় না। তাই দন্ত্য-ন হয়েছে।
দুর্বিষহ = অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনির পর মূর্ধন্য-ষ হয়।
দুষ্কর = ষত্ব বিধানের নিয়ম অনুযায়ী দুঃ উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দে মূর্ধন্য-ষ হয়।
প্রতীক্ষা = সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ই এবং ঈ মিলে ঈহয়। (প্রতি+ঈক্ষা= প্রতীক্ষা)।
পরিষ্কার = অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনির পর মূর্ধন্য-ষ হয়।
পুররস্কর = সন্ধির নিয়মানুসারে অ-কারের পরস্থিত বিসর্গের পর ক থাকলে বিসর্গ স্থানে দন্ত্য-স হয়। (পুরঃ+কার = পুরস্কার)।
ব্রাহ্মণ = র-এর পর স্বরধ্বনি, প-বর্গের ব্যবধানে দন্ত্য-ন মূর্ধন্য- হয়।
বোধোদয় = সন্ধির নিয়মানুসারে অ এবং উ-কার মিলে ও (।ে) হয়। (বোধ+ উদয়=বোধোদয়)
মুমূর্ষু = ষত্ব বিধান অনুযায়ী র-এর পর মূর্ধন্য-ষ হয়েছে।
মনোযোগ = সন্ধির নিয়মানুসারে অ-কারের পরস্থিত স-জাত বিসর্গের পর ‘ষ’ থাকলে অ-কার ও বিসর্গ ভয় মিলে ও-কার (।ে) হয়। মনঃযোগ=(মনোযোগ)।
যুধিষ্ঠির = ষত্ব বিধানের নিয়ম অনুযায়ী সমাসবদ্ধ পদের পূর্বপদের শেষে ই, উ, ঋ থাকলে আদ্য দন্ত্য-স মূর্ধন্য-ষ হয়। (যুধি+স্থির= যুধিষ্ঠির)।
রেজিষ্ট্রি = বিদেশি শব্দে সর্বদা স্থির-স হয়।
শুশ্রুষা = ষত্ব বিধানের নিয়ম অনুসারে অ আ ভিন্ন অন্য স্বরবর্ণের পর মূর্ধন্য-ষ হয়।
ষান্মাসিক = নিত্য মূর্ধন্য-ষ হয়েছে।
ষোড়শ = ষট+দশ সন্ধির নিয়মে ট-এর পরে ‘দ’ থাকায় ট স্থানে ঐ বর্গের তৃতীয় ধ্বনি হয়েছে।
সংবরণ = ণত্ব বিধান অনুযায়ী মূর্ধন্য হয়েছে।
সন্ত্রাস = সন্ধির নিয়মানুসারে ম-এর পর বর্গীয় ধ্বনি থাকলে ‘ম’ সেই বর্গের নাসিক্য ধ্বনি ঙ, ঞ, ণ, ন, ম হয়। সম+ত্রাস= সন্ত্রাস।
সৃষ্টি = ষত্ব বিধানের নিয়ম অনুসারে ট বর্গীয় বর্ণের সঙ্গে সর্বদাই মূর্ধণ্য-ষ হয়।
স্টিল = বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে বিদেশি (ইং) শব্দে ‘ংঃ’ স্থানে ‘স্ট’ লেখা হয়।
স্টেশন = বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে ইংরেজি (বিদেশী) শব্দে স্থানে স্ট লেখা হয়।
বর্ননা, ঝর্ণা,স্বর্ণ, বর্ণ, উত্তীর্ণ, উৎকীর্ণ, সংকীর্ণ, প্রণীত, প্রণেতা, প্রণয়ন, প্রণালী, যন্ত্রণা, নিমন্ত্রণ, মন্ত্রণালয়, হরিণ, প্রাণ। উপরে উল্লেখিত শব্দ গুলোতে ণত্ব বিধি অনুযায়ী র-এ পর মূর্ধণ্য-ণ হয়েছে। আকর্ষণ, বিকর্ষণ, ঘর্ষণ, প্রেষণা, ভাষণ, ভূষণ, বর্ষণ, রক্ষণ, ভক্ষন, ক্ষণিক, ততক্ষণ, ভীষণ ক্ষণ, উপরে উল্লেখিত শব্দ গুলোতে

►►➥ ণত্ব বিধি অনুযায়ী ষ- এর পর মূর্ধণ্য-ণ হয়েছে।
কারক, গায়ক লেখক, নায়ক, পাঠক, পাবক, গ্রাহক, দর্শক, নাশক, স্মারক। এখানে উল্লেখিত শব্দগুলো প্রত্যয় ঘটিত বানানের নিয়মে গঠিত। শব্দ গুলোতে ‘অক’ প্রত্যয় যুক্ত হওয়ায় আদি স্বরের পরিবর্তন ঘটেছে।
দর্শীণীয়, পালণীয়, পূজনীয়, মাননীয়, শোচনীয়, প্রত্যয়ঘটিত বানানের নিয়মে গঠিত। ধাতুর সাথে ‘আনীয়’ প্রত্যয় যুক্ত হওয়ায় মূল স্বরের পরিবর্তন ঘটেছে। (দৃশ+অনীয়=দর্শনীয়), (মান+অনীয়=মাননীয়), (পাল+অনীয়=পালনীয়), (পূজ+অনীয়=পূজনীয়), (শুচ+অনীয়=শোচনীয়)।

চাকরি, হাসি, পন্ডিতি, মাস্টারি, চালাকিঃ প্রত্যয়ঘটিত বানানের নিয়মে গঠিত। ‘ই’ প্রত্যয় যুক্ত হওয়ায় পদান্তে ই-কার হয়েছে। (চাকর+ই=চাকরি), (হাস+ই=হাসি), (পন্ডিত+ই=পন্ডিতি), (মাস্টার+ই=মাস্টারি), (চালাক+ই=চালাকি)।
শ্রীমান, বুদ্ধিমান, ধীমান, শক্তিমানঃ প্রত্যয়ঘটিত বানানের নিয়ম। শব্দের সাথে ‘মতুপ’ প্রত্যয় যুক্ত হওয়ায় ‘মতুপ’ পরিবর্তন হয়ে ‘মান’ হয়েছে। ‘মান” মূল শব্দের সাথে যুক্ত হয়েছে। (শ্রী+মতুপ=শ্রীমান), (বুদ্ধি+মতুপ=বুদ্ধিমান), (ধী+মতুপ=ধীমান, (শক্তি+মতুপ=শক্তিমান)।

গুনবান, জ্ঞানবান, ধনবান, ভাগ্যবান প্রত্যয়ঘটিত বানানের নিয়ম। শব্দের সাথে ‘বতুপ’ (বৎ) প্রত্যয় যুক্ত হওয়ায় ‘বতুপ’ পরিবর্তন হয়ে বান হয়েছে। (গুন+বতুপ=গুনবান), (জ্ঞান+বতুপ=জ্ঞানবান), (ধন+বতুপ=ধনবান), (ভাগ্য+বতুপ্=ভাগ্যবান)।
দর্শণীয়, পালণীয়, পূজনীয়, মাননীয়, শোচনীয়, প্রত্যয়ঘটিত বানানের নিয়মে গঠিত। ধাতুর সাথে ‘আনীয়’ প্রত্যয় যুক্ত হওয়ায় মূল স্বরের পরিবর্তন ঘটেছে। (দৃশ+অনীয়=দর্শনীয়), (মান+অনীয়=মাননীয়), (পাল+অনীয়=পালনীয়), (পূজ+অনীয়=পূজনীয়), (শুচ+অনীয়=শোচনীয়)।

বাংলা বানান (MCQ) প্রশ্নোত্তর

জেনে রাখা ভালো

০১। বানান বিভ্রাটের ধারা অপরিবর্তিত অবস্থায় কত বছর অতিক্রান্ত হয়?
২০৫ বছর।
০২। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কত সালে বাংলা বানান সংস্কার কমিটি গঠন করে?
১৯৩৫ সালে।
০৩। শ্রীরামপুর মিশনের মিশানারীদের উদ্যোগে কত সালে ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হয়?
 ১৮০১ সালে।
০৪। কলকতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বানান সংস্কার কমিটির সভাপতি কে ছিলেন?
রাজ শেখর বসু।
০৫। ঘঈঞই কত সালে বাংলা বানানের নিয়ম বিষয়ক কর্মশালা করে?
১৯৮৮ সালে।
০৬। বাংলা একাডেমী প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম দাঁড় করিয়ে ছিলেন কত সালে?
১৯৯২ সালে।

সমাস বাংলা ব্যাকরণ (MCQ 120+)

HSC বাংলা সাহিত্য গল্প,কবিতা,উপন্যাস

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্তুতি-
নংগল্প + কবিতার নামসাহিত্যিকদের নামলিঙ্ক
০১আমার পথকাজী নজরুল ইসলামClick
০২বিড়ালবঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
০৩চাষার দুক্ষুবেগম রোকেয়া সাখাওয়াতClick
০৪বায়ান্নর দিনগুলোশেখ মুজিবুর রহমানClick
০৫অপরিচিতারবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick
০৬মাসি-পিসিমানিক বন্দ্যোপাধ্যায়Click
০৭জীবন ও বৃক্ষমোতাহের হোসেন চৌধুরীClick
০৮জাদুঘরে কেন যাবআনিসুজ্জামানClick
০৯নেকলেসগী দ্য মোপাসাঁ/ পূর্ণেন্দু দস্তিদারClick
১০রেইনকোটআখতারুজ্জামান ইলিয়াসClick
১১আহ্বানবিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়Click
১২মহাজাগতিক কিউরেটরমুহম্মদ জাফর ইকবালClick
১৩সাম্যবাদীকাজী নজরুল ইসলামClick
১৪ঐকতানরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick
১৫বিভীষণের প্রতি মেঘনাদমাইকেল মধূসুদন দত্তClick
১৬নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়সৈয়দ শামসুল হকClick
১৭তাহারেই পড়ে মনেসুফিয়া কামালClick
১৮ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯শামসুর রাহমানClick
১৯রক্তে আমার অনাদি অস্থি দিলওয়ার খানClick
২০ সেই অস্ত্রআহসান হাবিবClick
২১আঠারো বছর বয়সসুকান্ত ভট্টাচার্যClick
২২লোক লোকান্তরমীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদClick
২৩এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে জীবনানন্দ দাশClick
২৪আমি কিংবদন্তির কথা বলছিআবু জাফর ওবায়দুল্লাহClick
২৫লালসালুসৈয়দ ওয়ালীউল্লাহClick
২৬সিরাজউদ্দৌলাসিকান্দার আবু জাফরClick
২৭বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদনবঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
২৮বিদ্রােহীকাজী নজরুল ইসলাম Click
২৯গৃহরোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন Click
৩০মানব কল্যাণ-আবুল ফজলClick
৩১বিলাসীশরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
৩২সোনার তরীরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick

সমাস বাংলা ব্যাকরণ (MCQ 120+)

সমাস বাংলা ব্যাকরণ (MCQ 120+)

সমাস বাংলা ব্যাকরণ

সংজ্ঞা: পরস্পর অর্থ সম্পর্ক বিশিষ্ট দুই বা ততোধিক পদের একপদে পরিণত হওয়ার নাম সমাস। সমাস প্রাচীন ভারতীয় অর্থ ভাষা অর্থাৎ সংস্কৃতের অনুগামী। তবে খাঁটি বাংলা সামস ও প্রচুর পাওয়া যায়।
ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্-এর মতে, পরস্পর অর্থ সংগতি বিশিষ্ট দুই বা বহুপদকে লইয়া একটি পদ করার নাম সমাস। যেমন: আয় ও ব্যয়= আয়-ব্যয়, স্কুল থেকে পালানো=স্কুল পালানো ইত্যাদি।
সমাসের প্রয়োজনীতা: বাংলা ভাষায় শব্দ গঠনে সমাসের যথেষ্ট প্রয়োজন রয়েছে। কারণ সামস শব্দ তৈরি ও প্রয়োগরে একটি বিশেষ রীতি। এর দ্বারা দুই বা ততোধিক শব্দের সাহায্যে নতুন অর্থবোধক পদ সৃষ্টি হয়।
সমাসের কাজ হচ্ছে ভাষাকে সহজ-সরল, সংক্ষিপ্ত, প্রাঞ্জল ও শ্রুতিমধুর করা। যেমন:আমরা যদি ঘরে আশ্রিত জামাই না বলে ‘ঘর জামাই’ বলি তা হলে তা শ্রুতিমধুর হয়। সামসের সাহায্যে অল্প কথায় অধিকতর ভাবে প্রকাশের ক্ষমতা আয়ত্ব করা যায়।

১. ‘মহাকীর্তি’-এর সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?
ক মহান কীর্তি যার
খ মহা যে কীর্তি
গ মহতী যে কীর্তি √
ঘ মহান যে কীর্তি
২. পূর্বপদ বিশেষণ ও পরপদ বিশেষ্য হলে কোন বহুব্রীহি সমাস হয়?
ক ব্যাধিকরণ
খ সমানাধিকরণ √
গ প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি
ঘ মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি
৩. ব্যাসবাক্যের অপর নাম কী?
ক বিগ্রহ বাক্য
খ যৌগিক বাক্য
গ সরল বাক্য
ঘ জটিল বাক্য
৪. বিশেষণের সঙ্গে বিশেষ্যের যে সমাস হয় তার নাম কী?
ক দ্বন্দ্ব
খ কর্মধারয় √
গ তৎপুরুষ
ঘ বহুব্রীহি
৫. ‘রাজপথ’ কোন সমাস?
ক উপপদ তৎপুরুষ
খ ষষ্ঠী তৎপুরুষ √
গ চতুর্থী তৎপুরুষ
ঘ তৃতীয় তৎপুরুষ
৬. কোন সমাসে সাধারণ ধর্মের উল্লেখ থাকে?
ক উপমান কর্মধারয় সমাসে √
খ উপমিত কর্মধারয় সমাসে
গ রূপক কর্মধারয় সমাসে
ঘ মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসে
৭. কর্মধারয় সমাসে কোন পদ প্রধান?
ক অন্যপদ
খ উভয়পদ
গ পূর্বপদ
ঘ পরপদ √
৮. কোনটি প্রাদি সমাসের উদাহরণ?
ক গৃহস্থ
খ ছা-পোষা
গ উপকূল
ঘ প্রগতি √
৯. ‘সমাস’ শব্দের অর্থ কী?
ক বিশ্লেষণ
খ সংক্ষেপণ/মিলন √
গ সংযোজন
ঘ সংশ্লেষণ
১০. সমাসের রীতি কোন ভাষা হতে আগত?
ক আরবি
খ ফারসি
গ সংস্কৃত √
ঘ ইংরেজি
১১. ‘কাজলকালো’ এর সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?
ক কাজলের ন্যায় কালো √
খ কাজল রূপ কালো
গ কাজল ও কালো
ঘ কালো যে কাজল
১২. উপমান কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ কোনটি?
ক কুসুমকোমল √
খ জ্ঞানালোক
গ নয়নকমল
ঘ নবরত্ম
১৩. সমাসনিষ্পন্ন পদটির নাম কী?
ক ব্যাসবাক্য
খ বিগ্রহবাক্য
গ সমাসবাক্য
ঘ সমস্তপদ √
১৪. বহুব্রীহি সমাসের পূর্বপদ এবং পরপদ কোনোটিই যদি বিশেষণ না হয় তবে কী বলে?
ক সমানাধিকরণ বহুব্রীহি
খ ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি √
গ ব্যতিহার বহুব্রীহি
ঘ প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি
১৫. উপপদ তৎপুরুষ সমাস কোনটি?
ক পকেটমার √
খ গৃহান্তর
গ প্রভাত
ঘ আরক্তিম
১৬. ‘জমা-খরচ’ কোন শব্দযোগে দ্বন্দ্ব সমাস?
ক সমার্থক
খ বিরোধার্থক
গ বিপরীতার্থক √
ঘ মিলনার্থক
১৭. যে যে পদে সমাস হয় তাদের প্রত্যেকটির নাম কী?
ক সমস্যমান পদ √
খ ব্যাসবাক্য
গ সমাসবাক্য
ঘ সমস্তপদ
১৮. ‘হাট-বাজার’ কোন অর্থে দ্ব›দ্ব সমাস?
ক মিলনার্থে
খ বিরোধার্থে
গ সমার্থে √
ঘ বিপরীতার্থে
১৯. ‘দশানন’ সমস্তপদটির ব্যাসবাক্য কোনটি?
ক দশ ও আনন
খ দশ সংখ্যক আনন
গ দশ আননের সমাহার
ঘ দশ আনন আছে যার √
২০. নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ কোনটি?
ক দ্বীপ √
খ ত্রিকাল
গ মুখেভাত
ঘ আশীবিষ
২১. কোনটিতে উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে অভিন্নতা কল্পনা করা হয়?
ক উপমান কর্মধারয়
খ উপমিত কর্মধারয়
গ রূপক কর্মধারয় √
ঘ মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
২২. ‘পঙ্কজ’ কোন তৎপুরুষনিষ্পন্ন শব্দ?
ক অলুক
খ উপপদ √
গ সপ্তমী
ঘ দ্বিতীয়া
২৩. ‘জায়া’ শব্দটি বহুব্রীহি সমাসে কী হয়?
ক দম
খ জানি √
গ যুবতী
ঘ পত্মী
২৪. দ্বিগু সমাসনিষ্পন্ন পদটি কোন পদ হয়?
ক বিশেষ্য √
খ বিশেষণ
গ সর্বনাম
ঘ কৃদন্ত
২৫. ‘নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম’ কোন সমাস?
ক দ্বিগু সমাস
খ প্রাদি সমাস
গ বহুব্রীহি সমাস
ঘ কর্মধারয় সমাস √
২৬. কৃদন্ত পদের সঙ্গে উপপদের যে সমাস হয়, তার নাম কী?
ক অলুক তৎপুরুষ
খ উপপদ তৎপুরুষ √
গ নঞ তৎপুরুষ
ঘ সপ্তমী তৎপুরুষ
২৭. উপমান কর্মধারয় সমাস কোনটি?
ক মুখচন্দ্র
খ ক্রোধানল
গ ঘনশ্যাম/তুষারশুভ্র √
ঘ মনমাঝি
২৮. উপমান কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ কোনটি?
ক বৌ-ভাত
খ মুখচন্দ্র
গ মহানবী
ঘ কাজলকালো/কুসুমকোমল √
২৯. কোনটি সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাস?
ক দুধে-ভাতে
খ কাগজ-পত্র √
গ ভাই-বোন
ঘ জমা-খরচ
৩০. ‘চিরসুখী’-এর ব্যাসবাক্য কোনটি?
ক চিরসুখী
খ চিরদিনের সুখী
গ চিরকাল ব্যাপিয়া সুখী √
ঘ চিরকালের সুখী
৩১. ‘কানাকানি’ কোন বহুব্রীহি সমাসের সমস্তপদ?
ক ব্যতিহার √
খ ব্যাধিকরণ
গ অলুক
ঘ প্রত্যয়ান্ত
৩২. কোনটিতে পূর্বপদের অর্থ প্রাধান্য পায়?
ক দ্বিগু সমাস
খ অব্যয়ীভাব সমাস √
গ বহুব্রীহি সমাস
ঘ কর্মধারয় সমাস
৩৩. কোনটি ‘ঈষৎ’ অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস?
ক আরক্তিম √
খ আগমন
গ আজীবন
ঘ আপাদমস্তক
৩৪. ‘পঞ্চনদ’ সমস্তপদটির সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?
ক পঞ্চ ও নদ
খ পঞ্চ নামক নদ
গ পঞ্চ নদের সমাহার
ঘ পঞ্চ নদীর সমাহার √
৩৫. ‘দা-কুমড়া’ কোন দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ?
ক বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব
খ মিলনার্থক দ্বন্দ্ব
গ বিরোধার্থক দ্বন্দ্ব √
ঘ সমার্থক দ্বন্দ্ব
৩৬. ‘জনৈক’ এর সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?
ক এক যে জন √
খ জন যে এক
গ এক এবং জন
ঘ এক জন পর্যন্ত
৩৭. কোনটি পরপদ প্রধান সমাস?
ক কর্মধারয় √
খ অব্যয়ীভাব
গ দ্বন্দ্ব
ঘ বহুব্রীহি
৩৮. নিত্য সমাসের উদাহরণ কোনটি?
ক অপব্যয়
খ বাগদত্তা
গ দেশান্তর √
ঘ বনজ
৩৯. ‘অরুণরাঙা’ কোন সমাসের উদাহরণ?
ক রূপক কর্মধারয়
খ উপমিত কর্মধারয়
গ বহুব্রীহি
ঘ উপমান কর্মধারয় √
৪০. ‘অভাব’ অর্থে অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ কোনটি?
ক নির্ভাবনা √
খ উচ্ছৃঙ্খল
গ অনুক্ষণ
ঘ প্রতিপক্ষ
৪১. ক্রিয়ার পারস্পরিক অর্থে কোন বহুব্রীহি সমাস হয়?
ক সমানাধিকরণ
খ ব্যাধিকরণ
গ ব্যতিহার √
ঘ প্রত্যয়ান্ত
৪২. ‘স্মৃতিসৌধ’ কোন সমাস?
ক মধ্যপদলোপী কর্মধারয় √

খ উপমিত কর্মধারয়
গ রূপক কর্মধারয়

ঘ উপমান কর্মধারয়
৪৩. ‘মনমাঝি’ এর সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?
ক মন যে মাঝি
খ মন মাঝির ন্যায়
গ মন রূপ মাঝি √
ঘ মন ও মাঝি
৪৪. ‘জনৈক’ কোন সমাসের উদাহরণ?
ক কর্মধারয়
খ বহুব্রীহি
গ অলুক দ্বন্দ্ব √
ঘ নঞ বহুব্রীহি
৪৫. অর্থসংগতিবিশিষ্ট একাধিক পদের এক পদে পরিণত হওয়ার নাম কী?
ক সমাস √
খ কারক
গ বাচ্য
ঘ বচন
৪৬. সমাসের সাথে কোনটির কিছুটা মিল আছে?
ক কারক
খ ধাতু
গ প্রকৃতি
ঘ সন্ধি √
৪৭. সমাস সাধিত পদ কোনটি?
ক চাষি
খ বোনাই
গ মানব
ঘ দম্পতি √
৪৮. উপমান কর্মধারয় সমাস কাকে বলে?
ক দৃশ্যমান বস্তুর সাথে অদৃশ্যমান বস্তুর মিল থাকলে
খ অদৃশ্য বস্তুর সাথে দৃশ্যমান বস্তুর মিল থাকলে
গ সাধারণ গুণের উল্লেখ থাকলে √
ঘ দুটি বিশেষ পদের একটিকে বোঝায়
৪৯. উপমান কর্মধারয় সমাসের সমস্তপদ কোনটি?
ক পান্নাসবুজ √
খ কালস্রোত
গ বীরসিংহ
ঘ রক্তকমল
৫০. ‘তুষারশুভ্র’ এর সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?
ক তুষারের ন্যায় শুভ্র √
খ তুষার শুভ্রের ন্যায়
গ তুষার ও শুভ্র
ঘ শুভ্র যে তুষার

ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয়-01

৫১. সমাসবদ্ধ পদের পরবর্তী অংশকে কী বলা হয়?
ক পূর্বপদ
খ দক্ষিণ পদ
গ উত্তরপদ √
ঘ প্রধান পদ
৫২. সমাস কত প্রকার?
ক সাত প্রকার
খ ছয় প্রকার √
গ পাঁচ প্রকার
ঘ তিন প্রকার
৫৩. কোনটি দ্ব›দ্ব সমাস?
ক বেতাল
খ মাতা-পিতা √
গ রাতকানা
ঘ অঘাট
৫৪. কোন সমস্ত পদটি দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ?
ক বিলাতফেরত
খ অহি-নকুল √
গ শশব্যস্ত
ঘ পদ্মনাভ
৫৫. ‘অহি-নকুল’ কোন শ্রেণির দ্ব›দ্ব সমাসের উদাহরণ?
ক বিরোধার্থক √
খ বিপরীতার্থক
গ সমার্থক
ঘ মিলনার্থক
৫৬. কোন সমাসে সমস্যমান পদের বিভক্তি লোপ পায় না?
ক অলুক √
খ নিত্য
গ প্রাদি
ঘ উপপদ
৫৭. পরবর্তী ক্রিয়ামূলের সঙ্গে কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কোন সমাস গঠিত হয়?
ক তৎপুরুষ
খ উপপদ √
গ উপমিত
ঘ উপমান
৫৮. সাধারণ ধর্মবাচক পদের সঙ্গে উপমানবাচক পদের যে সমাস হয় তাকে কোন কর্মধারয় বলে?
ক সাধারণ কর্মধারয়
খ রূপক কর্মধারয়
গ উপমিত কর্মধারয়
ঘ উপমান কর্মধারয় √
৫৯. ‘উপ’ কোন ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র অর্থ জ্ঞাপক?
ক উপকণ্ঠ
খ উপকূল
গ উপস্থিত
ঘ উপনেতা √
৬০. যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণ ভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্য ভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কোন সমাস বলে?
ক দ্বন্দ্ব সমাস
খ কর্মধারয় সমাস √
গ তৎপুরুষ সমাস
ঘ বহুব্রীহি সমাস
৬১. ‘মহানবী’ কোন সমাস?
ক দ্বন্দ্ব
খ বহুব্রীহি
গ কর্মধারয়
ঘ তৎপুরুষ
৬২. ‘মহারাজ’ শব্দের ব্যাসবাক্য কোনটি?
ক রাজা যে মহৎ
খ মহান যে রাজা √
গ মহতের রাজা
ঘ মহা যে রাজা
৬৩. ‘স্মৃতিসৌধ’ কোন সমাসের সমস্তপদ?
ক কর্মধারয় √
খ দ্ব›দ্ব
গ দ্বিগু
ঘ নিত্য
৬৪. মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস কোনটি?
ক পলান্ন √
খ ঘনশ্যাম
গ নরাধম
ঘ খেচর
৬৫. কোনটি অলুক তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ?
ক কলে ছাঁটা √
খ মাথায় ছাতা
গ হাতে কলমে
ঘ গায়ে হলুদ
৬৬. কোনটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ?
ক শিশুসাহিত্য
খ সাহিত্যসভা √
গ অরুণরাঙা
ঘ সকাল-সন্ধ্যা
৬৭. ‘তুষারশুভ্র’ কোন সমাসের উদাহরণ?
ক উপমান কর্মধারয় সমাস √
খ উপমিত কর্মধারয় সমাস
গ রূপক কর্মধারয় সমাস
ঘ তৎপুরুষ সমাস
৬৮. ‘চন্দ্রমুখ’ শব্দের ব্যাসবাক্য কোনটি?
ক চন্দ্রের ন্যায় মুখ √
খ চন্দ্র রূপ মুখ
গ মুখ চন্দ্রের ন্যায়
ঘ মুখ ও চন্দ্র
৬৯. ‘ফুলকুমারী’ সমস্ত পদটির সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?
ক ফুলের ন্যায় কুমারী
খ কুমারী ফুলের ন্যায় √
গ ফুলের ন্যায় সুন্দর কুমারী

ঘ ফুলের কুমারী
৭০. নিচের কোনটি উপমিত কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ?
ক ধনশ্যাম
খ স্নেহনীড়
গ কুসুমকোমল
ঘ করপল্লব √
৭১. সত্য বলে যে = সত্যবাদী এটি কোন সমাসের অন্তর্গত?
ক উপপদ তৎপুরুষ √
খ প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি
গ অলুক তৎপুরুষ
ঘ দ্বিগু
৭২. কোন উদাহরণটি অলুক তৎপুরুষ সমাসের?
ক গায়ে পড়া √
খ চা-বাগান
গ খাঁচা ছাড়া
ঘ মাল গুদাম
৭৩. উপমিত কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ কোনটি?
ক গজমূর্খ
খ মুখচন্দ্র √
গ কাঁচামিঠা
ঘ মনমাঝি
৭৪. কোনটি রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ নয়?
ক বিষাদসিন্ধু
খ ক্রোধানল
গ মনমাঝি
ঘ তুষারশুভ্র √
৭৫. সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয় তার নাম কী?
ক প্রাদি
খ অলুক
গ নিত্য
ঘ দ্বিগু √
৭৬. তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাসের ‘সমস্তপদ’ কোনটি?
ক গা-ঢাকা
খ তালকানা
গ মনগড়া √
ঘ দেশসেবা
৭৭. ‘মনগড়া’ কোন সমাস?
ক বহুব্রীহি
খ কর্মধারয়
গ তৎপুরুষ √
ঘ দ্বিগু
৭৮. কোনটি পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস?
ক শ্রমলব্ধ
খ জলমগ্ন
গ ছাত্রবৃন্দ
ঘ ঋণমুক্ত √
৭৯. কোনটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ?
ক রাজপুত্র √
খ অভাব
গ রান্নাঘর
ঘ প্রাণপ্রিয়
৮০. ‘গজনীর রাজা = গজনীরাজ’ এটি কোন সমাসের উদাহরণ?
ক পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস
খ ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস √
গ উপপদ তৎপুরুষ সমাস
ঘ বহুব্রীহি সমাস
৮১. ‘হংসডিম্ব’-এর সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?
ক হংসের ডিম্ব
খ হংস ও ডিম্ব
গ হংস হতে যে ডিম্ব
ঘ হংসীর ডিম্ব √
৮২. ‘রাজপথ’ এর ব্যাসবাক্য হবে?
ক রাজার পথ
খ রাজা নির্মিত পথ
গ রাজাদের পথ
ঘ পথের রাজা √
৮৩. ‘বিশ্ববিখ্যাত’ সমস্তপদটি কোন সমাস নির্দেশ করে?
ক মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি
খ সপ্তমী তৎপুরুষ √
গ চতুর্থী তৎপুরুষ
ঘ উপমান কর্মধারয়
৮৪. দ্ব›দ্ব সমাসের বিপরীত অর্থ প্রাধান্য সমাস কোনটি?
ক কর্মধারয় সমাস
খ বহুব্রীহি সমাস √
গ দ্বিগু সমাস
ঘ তৎপুরুষ সমাস
৮৫. যে সমাসে সমস্যমান পদের পরিবর্তে অন্য পদ প্রধান হয় তাকে কী বলে?
ক দ্বন্দ্ব
খ কর্মধারয়
গ বহুব্রীহি √
ঘ তৎপুরুষ
৮৬. ‘কমলাক্ষ’ এর সঠিক ব্যাসবাক্য হলো?
ক কমল অক্ষির ন্যায়
খ কমল অক্ষের ন্যায়
গ কমলের ন্যায় অক্ষি যার √
ঘ কমলের ন্যায় অক্ষ যার
৮৭. নিচের কোন সমস্তপদটি দ্বিগু সমাস?
ক তেপায়া
খ চৌচালা
গ তেমাথা √
ঘ চারহাতি
৮৮. ‘পদ্ম নাভিতে যার = পদ্মনাভ’ এটি কোন সমাস?
ক কর্মধারয়
খ তৎপুরুষ
গ বহুব্রীহি √
ঘ দ্বিগু
৮৯. বহুব্রীহি সমাসের নিষ্পন্ন পদটি কোন পদপ্রধান?
ক পূর্বপদ
খ অন্যপদ √
গ পরপর
ঘ উভয়পদ
৯০. কর্মধারয় সমাস নয় কোনটি?
ক কদাচার
খ মহারাজ
গ মুখচন্দ্র
ঘ মধুমাখা √
৯১. ‘বিপদাপন্ন’ সমস্তপদটি কোন সমাসের উদাহরণ?
ক অলুক দ্বন্দ্ব
খ দ্বিতীয়া তৎপুরুষ √
গ তৃতীয়া তৎপুরুষ
ঘ চতুর্থী তৎপুরুষ
৯২. ‘চিরকাল ব্যাপিয়া সুখী = চিরসুখী’ এটি কোন সমাসের উদাহরণ?
ক মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
খ রূপক কর্মধারয়
গ দ্বিতীয়া তৎপুরুষ √
ঘ বহুব্রীহি
৯৩. কোনটি ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ?
ক কোলাকুলি
খ ঊনপাঁজুরে
গ হাতেখড়ি
ঘ কথাসর্বস্ব √
৯৪. ‘আশীবিষ’ কোন বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ?
ক ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি √
খ সমানাধিকরণ বহুব্রীহি
গ ব্যতিহার বহুব্রীহি
ঘ প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি
৯৫. নিচের কোনটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের ব্যাসবাক্য?
ক ধীর বুদ্ধি যার
খ নীল যে আকাশ
গ দশ আনন যার
ঘ লাঠিতে লাঠিতে যে লড়াই √
৯৬. ‘হাসাহাসি’ কোন সমাস?
ক ব্যতিহার বহুব্রীহি √
খ ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি
গ নঞ বহুব্রীহি
ঘ মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি
৯৭. ‘অন্তরীপ’ কোন বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ?
ক প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি
খ নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি √
গ ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি
ঘ সমানাধিকরণ বহুব্রীহি
৯৮. কোন সমাসে ‘সমাহার’ ব্যাসবাক্য থাকে?
ক দ্বন্দ্ব
খ প্রাদি
গ নিত্য
ঘ দ্বিগু √
৯৯. কোনটি প্রাদি ও অব্যয়ীভাব এ উভয় সমাসই হয়?
ক পরিভ্রমণ √
খ প্রভাব
গ অতিমানব
ঘ উদ্বেল
১০০. কোনটি নিত্য সমাসের সমস্তপদ?
ক সেতার
খ গৃহান্তর √
গ বেতার
ঘ সহোদর

সমাস বাংলা ব্যাকরণ

১০১. দ্বিগু সমাসের উদাহরণ?
ক তিন কালের সমাহার = ত্রিকাল √
খ একদিকে চোখ যার = একচোখা
গ দু’দিকে অপ যার = দ্বীপ
ঘ অক্ষির অগোচরে = পরোক্ষ
১০২. কোন সমাসবদ্ধ পদটি দ্বিগু সমাসের অন্তর্ভুক্ত?
ক দেশান্তর
খ গ্রামান্তর
গ তেপান্তর √
ঘ লোকান্তর
১০৩. নিচের কোনটি দ্বিগু সমাসের উদাহরণ?
ক উপজেলা

খ রাজপথ
গ শতাব্দী √
ঘ চৌচালা
১০৪. দ্বিগু সমাসের উদাহরণ কোনটি?
ক সাতসমুদ্র √
খ প্রতিদিন
গ নীলকণ্ঠ
ঘ মুখেভাত
১০৫. সমাসবদ্ধপদের অংশগুলো বিচ্ছিন্ন করে দেখার জন্য কোন যতি চিহ্নের ব্যবহার হয়?
ক ইলেক চিহ্ন
খ ড্যাশ চিহ্ন
গ কোলন চিহ্ন
ঘ হাইফেন চিহ্ন √
১০৬. যে সমাসে প্রত্যেকটি সমস্যমান পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে তাকে কী বলে?
ক দ্বন্দ্ব সমাস √
খ কর্মধারয় সমাস
গ দ্বিগু সমাস
ঘ বহুব্রীহি সমাস
১০৭. ‘বিষাদসিন্ধু’ সমস্তপদটির ব্যাসবাক্য কোনটি?
ক বিষাদ যেন সিন্ধু
খ বিষাদ রূপ সিন্ধু √
গ বিষাদ যেমন সিন্ধু
ঘ বিষাদময় সিন্ধু
১০৮. অব্যয়ীভাব সমাসে কোন পদ প্রধান?
ক ভিন্ন পদ
খ উভয় পদ
গ পরপদ
ঘ পূর্বপদ √
১০৯. অর্থ প্রাধান্যের দিক থেকে কর্মধারয়Ñএর বিপরীত সমাস কোনটি?
ক তৎপুরুষ
খ দ্বন্দ্ব
গ অব্যয়ীভাব √
ঘ বহুব্রীহি
১১০. সামীপ্য অর্থে কোথায় অব্যয়ীভাব সমাস হয়েছে?
ক উপকূল √
খ আগত
গ গরমিল
ঘ উপদ্বীপ
১১১. ‘গরমিল’ এর সঠিক ব্যাসবাক্য?
ক অমিলের সদৃশ
খ মিলের অভাব √
গ মিল ও অমিল
ঘ অমিল রূপের ন্যায়
১১২. কোনটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ?
ক আমৃত্যু √
খ দর্শনমাত্র
গ জীবনমৃত
ঘ সফল
১১৩. সাদৃশ্য বোঝাতে অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ কোনটি?
ক উপগ্রহ
খ উপশহর
গ উপবন
ঘ সবকটি √
১১৪. উপনদী সমস্ত পদের ‘উপ’ কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে
ক ক্ষুদ্র √
খ অভাব
গ সামীপ্য
ঘ সাদৃশ্য
১১৫. ‘কুলার আকৃতিবিশিষ্ট কান যে রমণীর = কুলাকানী’ কোন সমাস?
ক মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি √
খ দ্বন্দ্ব সমাস
গ মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
ঘ নিত্য সমাস
১১৬. ‘হাতেখড়ি’ সমস্তপদটির সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?
ক হাতেখড়ি
খ হাতেখড়ি দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে √
গ খড়ির হাত
ঘ হাতেতে খড়ি
১১৭. প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাস কোনটি?
ক একঘরে √
খ হাতেখড়ি
গ গায়েহলুদ
ঘ মুখেভাত
১১৮. ‘উপশহর’ কোন সমাসের উদাহরণ?
ক বহুব্রীহি
খ প্রাদি
গ অব্যয়ীভাব √
ঘ নিত্য সমাস
১১৯. ‘উদ্বেল’ শব্দটি কী অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস হয়েছে?
ক আবেগ অর্থে
খ অতিক্রম অর্থে √
গ বীপ্সা অর্থে
ঘ সামীপ্য অর্থে
১২০. ‘ছাগদুগ্ধ’ এ সমস্তপদটির সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?
ক ছাগের দুগ্ধ
খ ছাগ ও দুগ্ধ
গ ছাগী হতে দুগ্ধ
ঘ ছাগীর দুগ্ধ √
১২১. নিত্য সমাসের উদাহরণ কোনটি?
ক প্রতিপক্ষ
খ দর্শনমাত্র √
গ প্রতিবাদ
ঘ সেতার
১২২. কোনটি প্রাদি সমাসের উদাহরণ?
ক গৃহস্থ
খ ছা-পোষা
গ উপকূল
ঘ প্রগতি √
১২৩. ‘রূপক কর্মধারয়’ এর সমস্তপদ কোনটি?
ক মহাপুরুষ
খ ঘনশ্যাম
গ বিষাদসিন্দু √
ঘ তুষারশুভ্র
১২৪. কোনটি নিত্য সমাসের সমস্তপদ?
ক সেতার
খ গ্রামান্তর/গৃহান্তর √
গ বেতার
ঘ সহোদর
১২৫. ‘জলচর’ কোন তৎপুরুষ সমাস?
ক সপ্তমী
খ পঞ্চমী
গ উপপদ √
ঘ তৃতীয়া

পারিভাষিক শব্দ (নির্মিতি অংশ)

HSC বাংলা সাহিত্য গল্প,কবিতা,উপন্যাস

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্তুতি-
নংগল্প + কবিতার নামসাহিত্যিকদের নামলিঙ্ক
০১আমার পথকাজী নজরুল ইসলামClick
০২বিড়ালবঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
০৩চাষার দুক্ষুবেগম রোকেয়া সাখাওয়াতClick
০৪বায়ান্নর দিনগুলোশেখ মুজিবুর রহমানClick
০৫অপরিচিতারবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick
০৬মাসি-পিসিমানিক বন্দ্যোপাধ্যায়Click
০৭জীবন ও বৃক্ষমোতাহের হোসেন চৌধুরীClick
০৮জাদুঘরে কেন যাবআনিসুজ্জামানClick
০৯নেকলেসগী দ্য মোপাসাঁ/ পূর্ণেন্দু দস্তিদারClick
১০রেইনকোটআখতারুজ্জামান ইলিয়াসClick
১১আহ্বানবিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়Click
১২মহাজাগতিক কিউরেটরমুহম্মদ জাফর ইকবালClick
১৩সাম্যবাদীকাজী নজরুল ইসলামClick
১৪ঐকতানরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick
১৫বিভীষণের প্রতি মেঘনাদমাইকেল মধূসুদন দত্তClick
১৬নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়সৈয়দ শামসুল হকClick
১৭তাহারেই পড়ে মনেসুফিয়া কামালClick
১৮ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯শামসুর রাহমানClick
১৯রক্তে আমার অনাদি অস্থি দিলওয়ার খানClick
২০ সেই অস্ত্রআহসান হাবিবClick
২১আঠারো বছর বয়সসুকান্ত ভট্টাচার্যClick
২২লোক লোকান্তরমীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদClick
২৩এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে জীবনানন্দ দাশClick
২৪আমি কিংবদন্তির কথা বলছিআবু জাফর ওবায়দুল্লাহClick
২৫লালসালুসৈয়দ ওয়ালীউল্লাহClick
২৬সিরাজউদ্দৌলাসিকান্দার আবু জাফরClick
২৭বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদনবঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
২৮বিদ্রােহীকাজী নজরুল ইসলাম Click
২৯গৃহরোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন Click
৩০মানব কল্যাণ-আবুল ফজলClick
৩১বিলাসীশরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
৩২সোনার তরীরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick

পারিভাষিক শব্দ (নির্মিতি অংশ)

পারিভাষিক শব্দ (নির্মিতি অংশ)-১

  • পারিভাষিক শব্দ বলতে কী বোঝ?
  • পারিভাষিক শব্দের প্রয়োজনীয়তা লেখ।

সংস্কৃত ‘পরি’ উপসর্গের সাথে ভাষা শব্দ যুক্ত হয়ে পরিভাষা শব্দটি গঠিত হয়েছে।

< < <¦ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতে, বাংলা ভাষায় প্রচলিত ভাবানুবাদমূলক শব্দগুলোই পরিভাষা।

< < <¦ মুনীর চৌধুরী ও মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী বলেছেন, “বাংলা ভাষায় প্রচলিত বিদেশি শব্দের ভাবানুবাদমূলক প্রতিশব্দকে পরিভাষিক শব্দ বলে।”

< < <¦ পারিভাষিক শব্দের প্রয়োজনীতা: পরিভাষাগুলোর সংগে মানুষের উপলব্ধি ও চেতনা ঘনিষ্ঠভাবে জড়িয়ে থাকে তাই বিশেষ জ্ঞানে আলোচনায় সে জ্ঞানের সংগে সম্পর্কিত পরিভাষা অবশ্যই প্রয়োজন। যার সাহায্যে সহজেই বক্তব্যের মূল কথা শ্রোতার কাছে সঞ্চারিত করে দেওয়া যায়। এ বিষয়ে রাজ শেখর বসু বলেন, “পরিভাষা মিশিয়ে ভাষাকে সংহত না করলে বিজ্ঞানি তার বক্তব্য প্রকাশ করতে পারেন না।” মোটকথা পরিভাষা ছাড়া জ্ঞান বিজ্ঞানের আলোচনা অসম্ভব। পরিভাষা ব্যবহারের মাধ্যমে বক্তা ও শ্রোতার মধ্যে নির্বিঘনে যোগাযোগ গড়ে তোলা সম্ভব। সুতরাং বক্তা ও শ্রোতার মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে পরিভাষার ভূমিকা অপরিসীম।

কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ পারিভাষিক শব্দ

1 Abbreviation সংক্ষেপ (ঢা.বো. ০৭)
2 Academic প্রাতিষ্ঠানিক (য.বো. ১৫)
3 Acodemic year শিক্ষাবর্ষ (ক.বো. ০৮)
4 Account হিসাব (কু. বো. ০৩)
5 Acknowledgement স্বীকার (ঢা. বো. ০৯)
6 Acting ভারপ্রাপ্ত (সি.বো. ১৪)
7 Acting editor ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক (ব.বো.০৪)
8 Adaptation অভিযোজত্য (ব.বো. ১১)
9 Administrative প্রশাসনিক (চ.বো. ১৪)
10 Administrator প্রশাসক (ব. বো. ০৫)
11 Adviser উপদেষ্টা (ব. বো. ০৯)
12 Aid সাহায্য (ঢা. বো. ১৩)
13 Adhoc অনানুষ্ঠানিক (ঢা.বো. ১৩)
14 Affidavit শপথপত্র (ক. বো. ১১)
15 Agenda আলোচ্যসূচি (দি.বো. ১৫)
16 Air-conditioned শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (রা.বো.০৬)
17 Air-mail বিমান ডাক (কু. বো. ০৫)
18 Allegation অভিযোগ (ব. বো. ১৩)
19 Allotment বরাদ্দ (রা.বো. দি.বো. ১৫)
20 Analysis বিশ্লেষণ (দি. বো. ১০)
21 Anatomy শরীর বিদ্যা (বা.বো. ১৩)
22 Anti-corruption দুর্নীত দমন (ব. বো. ০৮)
23 Approve অনুমোদন করা (ব.বো. ০৯)
24 Audio শ্রবণ বিষয়ক (ব.বো. ১৫)
25 Attestation সত্যায়ন (ঢা. বো. ১৬)
26 Assembly পরিষদ (ব. বো. ০৮)
27 Articles নিয়মাবলি (বা. বো. ০৮)
28 Adjst সমন্বয় করা (দি.বো. ১৬)
29 Architecture স্থাপত্য (কু. বো. ১৬)
30 Autograph স্বাক্ষর (চ. বো. ০৮)
31 Author গ্রন্থকার (চ. বো. ০২)
32 Auditor নিরীক্ষক (সি. বো. ১৩)
33 Autonomous স্বায়ত্বশাসিত (ঢা.বো. ১০)
34 Award পুরস্কার (ব. বো. ১২)
35 Back ground পটভূমি (ব. বো. ০৫)
36 Bacteria জীবানু (ব. বো. ১২)
37 Bail জামিন (কু. বো. ১৪)
38 Ballot ভোট (ব. বো. ১২)
39 Ballot Paper ভোটপত্র (কু. বো. ১৪)
40 Bankrupt দেউলিয়া (ব. বো. ১১)
41 Basic Pay মূল বেতন (ব. বো. ১০)
42 Basic মৌলিক (কু. বো. ০৩)
43 Bibliography গ্রন্থ বিবরণ (ঢা. বো. ১০)
44 Bidder নিলাম ডাকা (বা.বো. ১৫)
45 Bio-data জীবন বৃত্তান্ত (চ.বো. ১৫)
46 Biography জীবন চরিত (রা.বো. ১৫)
47 Black-out নিষ্প্রদীপ (কু. বো. ০৮)
48 Blue-print নীলনকশা (চা. বো. ১৩)
49 B Bond প্রতিজ্ঞাবদ্ধ (দি. বো. ১৩)
50 ook Post খোলা ডাক (ঢা. বো. ১৫)
51 Booklet পুস্তিকা (ব. বো. ১২)
52 Boycott বর্জন (কু. বো. ১০)
53 Boyscout ব্রতীবালক (চ. বো. ১১)
54 Brand ছাপ (ব. বো. ১৫)
55 Break of study অধ্যয়ন বিরতি (সি.বো. ০৭)
56 Broadcast সম্প্রচার (ব.বো. ১৩)
57 Broker দালাল (য.বো. ১৫)
58 Bureau সংস্থা (রা. বো. ০৭)
59 Bureaucracy আমলাতন্ত্র (য.বো. ১১)
60 By-election উপ নির্বাচন (চ. বো. ১৪)
61 By-low উপ আইন (চ. বো. ১৫)
62 Cabinet মন্ত্রিপরিষদ (রা. বো. ১৪)
63 Calender পঞ্জিকা (ঢা. বো. ০৪)
64 Campus অঙ্গন (রা. বো. ১৪)
65 Capital পুঁজি/রাজধানী (রা.বো. ১০)
66 Capitalist পুঁজিবাদী (ব. বো. ১১)
67 Care-taker তত্ত্বাবধায়ক (সি.বো. ০৭)
68 Cartoon ব্যঙচিত্র (রা. বো. ১৫)
69 Catalogue তালিকা (য. বো. ১৫)
70 Census আদমশুমারি (ঢা.বো.১৫,দি.বো.১৪)
71 Cess উপকর (কু. বো. ০৫)
72 Chancellor আচার্য (ঢা. বো. ০৫)
73 Cheque চেক (সি. বো. ০৮)
74 Chief প্রধান/মুখ্য (সি. বো. ০৮)
75 Chief-whip মুখ্য-সচেতক (চ.বো. ১১)
76 Civil war গৃহযুদ্ধ (রা. বো. ১৫)
77 Client মক্কেল (ব. বো. ১৩)
78 Code সংকেত (সি. বো. ০৯)
79 Cold storage হিমাগার (কু. বো. ০৫)
80 Conduct আচরণ (রা. বো. ১০)
81 Constitution সংবিধান (কু. বো. ১২)
82 Co-ordinator সমন্বয়কারী (রা. বো. ১০)
83 Copy প্রতিলিপি (ঢা. বো. ১২)
84 Copyright লেখকস্বত্ব (ব.বো. রা.বো. য.বো. ১৬)
85 Correspondent সংবাদ দাতা (রা.বো. ০৮)
86 Counsel পরামর্শ (কু. বো. ০৮)
87 Current account চলতি হিসাব (চ.বো. ১৪)
88 Cyclic বৃত্তস্থ (দি. বো. ১৩)
89 Data উপাত্ত (ঢা. বো. ০৫)
90 Dead lock অচলাবস্থা (য. সো. ১৪)
91 Death certificate মৃত্যু সনদ (চ. বো. ১৪)
92 Death penalty মৃত্যুদন্ড (ব. বো. ১১)
93 Dabit খরচ (য. বো.১৩)
94 Defence প্রতিরক্ষা (কু. বো. ০৩
95 Democracy গণতন্ত্র (য. বো. ১২)
96 Demonstrator প্রদর্শক (ব. বো. ০৫)
97 Deposit আমানত (ব. বো. ১৩)
98 Deputation প্রেষণ (সি. বো. ১২)
99 Deputy উপ (রা. রো. ০৬)
100 Design নকশা (ক. বো. ১৫)
101 Dialect উপভাষা (রা. বো. ১৫)
102 Diplomacy কূটনীতি (য. বো. ০৮)
103 Diplomat কূটনীতিক (য. বো. ১১)
104 Discharge বরখাস্ত (রা. বো. ০৯)
105 Dividend লভ্যাংশ (ঢা. বো. ১০)
106 Documentary প্রামাণ্য (য. বো. ১১)
107 Donation বৃত্তি (দি. বো. ১২)
108 Dowry যৌতুক (কু. বো. ১২)
109 Duel দ্ব›দ্ব (ব. বো. ১৪)
110 Dynamic গতিশীল (য. বো. ১৫)
111 Edition সংস্করণ (চ. বো. ১৪)
112 Editor সম্পাদক (দি. বো. ১৫)
113 Embargo অবরোধ (রা. বো. ১৫)
114 Encyclopaedia বিশ্বকোষ (ঢা. বো. ১২)
115 Enquiry অনুসন্ধান (ঢা. বো. ০৪)
116 Equality সমতা (য. বো. ১৫)
117 Excuse অজুহাত (চ. বো. ১৫)
118 Exit বহির্গমন (ব. বো. ১৫)
119 Expert বিশেষজ্ঞ (বি. বো. ১২)
120 Export রপ্তানি (চ. বো. ১২)
121 Eye witness প্রত্যক্ষদর্শী (ব. বো. ১৩)
122 Fact ঘটনা (কু. বো. ০৯)
123 Faculty অনুষদ (কু.বো. রা.বো. ১২)
124 Femine দুর্ভিক্ষ (ব. বো. ১৩)
125 Feudal সমাজতান্ত্রিক (দি.বো. ১১)
126 File নথি (রা. বো. ১৫)
127 Fine arts- চারুকলা (য. বো. ১৪)
128 Forecast পূর্বাভাস (য. বো. ১৩)
129 Formate ফর্মা (ঢা. বো. ১৩)
130 Fundamental মৌলিক (সি. বো. ০৬)
131 Galaxy ছায়াপথ (সি. বো. ১৫)
132 Gazetted ঘোষিত (রা. বো. ০৭)
133 Geology ভূবিদ্যা (রা. বো. ০৮)
134 Global বৈশ্বিক (রা. বো. ১৫)
135 Godown গুদাম (ঢা. বো. ০৪)
136 Goods পণ্য, মাল (সি. বো. ১৩)
137 Governing Body পরিচালনা পর্ষদ (য.বো.১১)
138 Graph লেখচিত্র (কু. বো. ০৯)
139 Gratuity আনুতোষিক (ব. বো. ১৩)
140 Greenhouse সবুজ বলয় (ব. বো. ১০)
141 Guard প্রহরী (চ. বো. ১৪)
142 Gunny চট (রা. বো. ০৬)
143 Handbill ইসতেহার (চ. বো. ১১)
144 Headline সংবাদ শিরোনাম (ব.বো.০৭)
145 Highway রাজপথ (চ. বো. ১৪)
146 Home ministry স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (সি.বো.১০)
147 Hostage জিম্মি (ঢা. বো. ১৫)
148 Humanity মানবতা (রা. বো. ১১)
149 Hygiene স্বাস্থ্য (চ.বো.১৫,দি.বো.১১)
150 Ideology মতাদর্শ (রা. বো. ০৫)
151 Immigrant অভিবাসী (যা. বো. ০৩)
152 Impeachment অভিশংসন (কু. বো. ১৫)
153 Index নির্ঘন্ট/নি: (দি; বো. ১৫)
154 Inital অনুস্বাক্ষর (চ. বো. ১৫)
155 Interim অন্তবর্তী/মধ্যকাল (ঢা.বো.১৫)
156 Interview সাক্ষাৎকার (রা. বো. ১১)
157 Investigation অনুসন্ধান (য. বো-১১)
158 Invoic চালান (কু. বো. ১০)
159 Irrigation সেচ (ড.বো. দি.বো. ১২
160 Judge বিচারক (য. বো. ০৯)
161 Justice বিচারপতি (ব. বো. ১৫)
162 Journalist সাংবাদিক
163 Judgement রায়
164 Jute mail পাটকল
165 Joint family যৌথ ফ্যামিলি
166 Jobber কর্মদাতা/দালাল
167 Key-word মূল শব্দ
168 Kindergarten শিশু শিক্ষালয়
169 Kingdom রাজ্য
170 Kinetic গতি সম্পর্কিত
171 Kidney বৃক্ক
172 Kidnap অপহরণ করা
173 Keyman অপরিহার্য ব্যক্তি
174 Leap-year অধিবর্ষ (চ.বো.১৪, দি.বো.১৪)
175 Lease ইজারা (দি. বো. ১১)
176 Legal বৈধ (সি. বো. ০৯)
177 Lender মহাজন (রা. বো. ০৮) খরবহ
178 Light year আলোকবর্ষ (কু. বো. ১০)
179 Limited সীমিত (ঢা. বো. ০৪)
180 Lion সিংহ (দি. বো. ১২)
181 Manifesto ইসতেহার (দি. বো. ১৫)
182 Manuscript পান্ডুলিপি (চ. বো. ১৫)
183 Mass education গণশিক্ষা (কু. বো. ১৩)
184 Mayor মেয়র/নগরপাল (সি.বো.০৬)
185 Medical college চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (ব.বো.০৭)
186 Memorandum স্মারকলিপি (য. বো. ১০)
187 Method পদ্ধতি ( চ. বো. ০৬)
188 Migration অভিবাসন (কু. বো. ১৫)
189 Mineral খনিজ/খনিজদ্রব্য (বা.বো.১৪)
190 Myth পুরাণ (ব. বো. ১৫)
191 National assembly জাতীয় পরিষদ (রা.বো.০৫)
192 Note মন্তব্য (য. বো. ০৬)
193 Nursery শিশুমেলা (ঢা.বো. য.বো. দি.বো. ১০)
194 Oath শপথ (দি. বো. ১৪)
195 Octave অষ্টক (রা. বো. ১৩)
196 Obligatory বাধ্যতামূলক (ব.বো. ১১)
197 Occupation বৃত্তি (ব. বো. ০৯)
198 Overload অতিবোঝাই
199 Office bearer কর্মচারী (য. বো. ০৭)
200 Option ইচ্ছা (সি. বো. ১৪)
201 Organ অঙ্গ, বাদ্যযন্ত্র (সি.বো. ০৯)
202 Organizer সংগঠক
203 Ordinary সামান্য
204 Para অনুচ্ছেদ (রা. বো. ০৩)
205 Paradox ক‚টাভাস (কু. বো. ১৫)
206 Passport ছাড়পত্র (সি. বো. ০৯)
207 Pay bill বেতন বিল (য. বো. ১৫)
208 Pay বেতন (চ. বো. ১২)
209 Pay order পরিশোধ আদেশ (চ.বো.১১)
210 Pay slip বেতনপত্রী (ব. বো. ১৩)
211 Penal Code দন্ড বিধি (ঢা. বো. ১৩)
212 Phonetics ধ্বনিবিদ্যা (রা. বো. ১৪)
213 Pollution দূষণ (দি. বো. ০৯)
214 Postmark ডাকঘরের মোহরের ছাপ (ব. বো. ১২)
215 Pre-paid আগাম প্রদত্ত (চ. বো. ১৫
216 President রাষ্ট্রপতি (সি. বো. ০৮)
217 Prescription ব্যবস্থাপত্র (চ. বো. ১৪)
218 Principal অধ্যক্ষ (য. বো. ০৬)
219 Public Fund সরকারি তহবিল (ব.বা. ১৪)
220 Public opinion জনমত (ব. বো. ০৮)
221 Public relations জনসংযোগ (ব. বো. ০৭)
222 Public works গণপূর্ত (সি. বো. ১০)
223 Public জনসাধারণ (চ. বো. ১২)
224 Publication প্রকাশনা (চ. বো. ০৮)
225 Pay order পরিশোধ আদেশ (চ.বো. ১১)
226 Quarantine নিরোধ/সঙরোধ (রা.বো.০৭)
227 Queue সারি/লাইন (কু. বো. ১৫)
228 Ratio অনুপাত (ঢা. বো. ০৭)
229 Recommend সুপারিশ করা (ব.বো. ০৮)
230 Record room মোহাফেজখানা (য.বো. ১১)
231 Salary বেতন (সি. বো. ১৪)
232 Saving certificate সঞ্চয়পত্র (ব. বো. ০৮)
233 Scale বেতন স্কেল (কু.বো. ০৬)
234 Secondary মাধ্যমিক (রা.বো. ০৮)
235 Section শাখা (রা. বো. ০৬)
236 Secretary সচিব (রা. বো. ০৬)
237 Sestet ষটক (য. বো. ১২)
238 Sir জনাব (ব. বো. ০৩)
239 Skull মাথার খুুলি (রা. বো. ১৩)
240 Speaker স্পিকার/সংসদ সভাপতি
241 Specialist বিশেষজ্ঞ (ঢা. বো. ০৭)
242 Spokesman মুখপাত্র (কু. বো. ১৫)
243 Study সমীক্ষা (কু. বো. ১৫)
244 Susidy ভর্তুকি (ঢা. বো. ১৫)
245 Surplus উদ্বৃত্ত (সি. বো. ১৫)
246 Tax কর (য. বো. ১৪)
247 Union সংঘ (য. বো. ০৬)
248 University বিশ্ববিদ্যালয়
249 Vacation অবিকল প্রতিলিপি
250 Virus ভাইরাস
251 Valid বৈধ (দি. বো. ১২)
252 Validity বৈধতা (সি. বো. ১৪)
253 Walk হাঁটা (চ. বো. ১২)
254 Walk-out সভাবর্জন (রা. বো. ১৪)
255 Warcrime যুদ্ধাপরাধ (য. বো. ১৪)
256 White paper শ্বেতপত্র (দি. বো. ১৫)
257 Witeness সাক্ষী (ঢা. বো. ১৪)
258 Writer of deeds দলিল লেখক
259 X-Ray রঞ্জনরশ্মি (সি. বো. ০৮)
260 Year book বর্ষপঞ্জি (য. বো. ১৪)
261 Yolk কুসুম
262 Youngest সবকণিষ্ঠ
263 Zony বোকা লোক
264 Zone অঞ্চল (কু. বো. ১৪)
265 Zoo চিড়িয়াখানা
266 Zoology প্রাণিবিদ্যা

ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয়-01

HSC বাংলা সাহিত্য গল্প,কবিতা,উপন্যাস

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্তুতি-
নংগল্প + কবিতার নামসাহিত্যিকদের নামলিঙ্ক
০১আমার পথকাজী নজরুল ইসলামClick
০২বিড়ালবঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
০৩চাষার দুক্ষুবেগম রোকেয়া সাখাওয়াতClick
০৪বায়ান্নর দিনগুলোশেখ মুজিবুর রহমানClick
০৫অপরিচিতারবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick
০৬মাসি-পিসিমানিক বন্দ্যোপাধ্যায়Click
০৭জীবন ও বৃক্ষমোতাহের হোসেন চৌধুরীClick
০৮জাদুঘরে কেন যাবআনিসুজ্জামানClick
০৯নেকলেসগী দ্য মোপাসাঁ/ পূর্ণেন্দু দস্তিদারClick
১০রেইনকোটআখতারুজ্জামান ইলিয়াসClick
১১আহ্বানবিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়Click
১২মহাজাগতিক কিউরেটরমুহম্মদ জাফর ইকবালClick
১৩সাম্যবাদীকাজী নজরুল ইসলামClick
১৪ঐকতানরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick
১৫বিভীষণের প্রতি মেঘনাদমাইকেল মধূসুদন দত্তClick
১৬নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়সৈয়দ শামসুল হকClick
১৭তাহারেই পড়ে মনেসুফিয়া কামালClick
১৮ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯শামসুর রাহমানClick
১৯রক্তে আমার অনাদি অস্থি দিলওয়ার খানClick
২০ সেই অস্ত্রআহসান হাবিবClick
২১আঠারো বছর বয়সসুকান্ত ভট্টাচার্যClick
২২লোক লোকান্তরমীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদClick
২৩এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে জীবনানন্দ দাশClick
২৪আমি কিংবদন্তির কথা বলছিআবু জাফর ওবায়দুল্লাহClick
২৫লালসালুসৈয়দ ওয়ালীউল্লাহClick
২৬সিরাজউদ্দৌলাসিকান্দার আবু জাফরClick
২৭বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদনবঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
২৮বিদ্রােহীকাজী নজরুল ইসলাম Click
২৯গৃহরোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন Click
৩০মানব কল্যাণ-আবুল ফজলClick
৩১বিলাসীশরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
৩২সোনার তরীরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick

 

ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয়

বিষয় : সমাস নির্ণয়

নং প্রদত্ত শব্দ ব্যাসবাক্য সমাসের নাম
হাতেখড়ি হাতে খড়ি দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি
হতশ্রী হত হয়েছে শ্রী যার সমানাধিকরণ বহুব্রীহি
শূর্পনখা শূর্পের (কুলা) ন্যায় নখ যে নারীর মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি
খোশমেজাজ খোশ মেজাজ যার সমানাধিকরণ বহুব্রীহি
অনুধাবন পশ্চাৎ গমন অব্যয়ীভাব
নীলকন্ঠ নীল কন্ঠ যার সমানাধিকরণ বহুব্রীহি
অনাশ্রিত নয় আশ্রিত নঞ তৎপুরুষ
অনুসরণ পশ্চাৎ ধারণ অব্যয়ীভাব
হৃতসর্বস্ব হৃত হয়েছে সর্বস্ব যার সমানাধিকরণ বহুব্রীহি
অনুগমন পশ্চাৎ সরণ অব্যয়ীভাব
১০ অবিশ্বাস্য নয় বিশ্বাস্য নঞ তৎপুরুষ
১১ ঘরমুখো ঘরের দিকে মুখ যার প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি
১২ অস্থির ন স্থির নঞ তৎপুরুষ
১৩ অতিমাত্র মাত্রাকে অতিক্রম অব্যয়ীভাব
১৪ অনেক নয় এক নঞ তৎপুরুষ
১৫ একচোখা এক দিকে চোখ যার প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি
১৬ অক্ষত নয় ক্ষত নঞ তৎপুরুষ
১৭ নি খরচে নিঃ (নেই) খরচ যার প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি
১৮ অনশন ন অশন নঞ তৎপুরুষ
১৯ অকেজো কোনো কাজে লাগে না যা প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি
২০ দোমনা দুই দিকে মন যার প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি
২১ অনাসক্ত ন আসক্ত নঞ তৎপুরুষ
২২ দোটানা দুই দিকে টান যার প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি
২৩ অনৈক্য ন ঐক্য নঞ তৎপুরুষ
২৪ অল্পপ্রাণ অল্পপ্রাণ যার বহুব্রীহি সমাস
২৫ অসত্য ন(নয়)সত্য নঞ তৎপুরুষ
২৬ আমূল মূল পর্যন্ত অব্যয়ীভাব
২৭ অনতিবৃহৎ ন অতি বৃহৎ নঞ তৎপুরুষ
২৮ চতুর্ভুজ চার ভুজের সমষ্টি দ্বিগু সমাস
২৯ অনুরূপ রূপের সদৃশ অব্যয়ীভাব
৩০ আমরা তুমি,  আমি ও সে একশেষ দ্ব›দ্ব
৩১ আলুনি লবণের অভাব অব্যয়ীভাব
৩২ আজকাল আজ ও কাল দ্বন্দ্ব সমাস
৩৩ আশীবিষ আশীতে বিষ যার বহুব্রীহি
৩৪ অবিশ্বাস নয় বিশ্বাস নঞ তৎপুরুষ
৩৫ আরক্তিম ঈষৎ রক্তিম অব্যয়ীভাব
৩৬ ঊর্ণনাভ উর্ণা নাভিতে যার বহুব্রীহি সমাস
৩৭ উপজেলা জেলার সদৃশ অব্যয়ীভাব
৩৮ ঝরনাধারা ঝরনার ধারা ষষ্ঠী তৎপুরুষ
৩৯ গোলাপফুল গোলাম নামক ফুল মধ্যঃ কর্মধারয়
৪০ চৌরাস্তা চার রাস্তার সমাহার দ্বিগু সমাস
৪১ চিরসুখী চিরকাল ব্যাপিয়া সুখী দ্বিতীয় তৎপুরুষ
৪২ চা-বাগান চায়ের বাগান ষষ্ঠী তৎপুরুষ
৪৩ চতুদর্শপদী চতুর্দশ পদের সমাহার দ্বিগু সমাস
৪৪ অপর্যাপ্ত নয় পর্যাপ্ত নঞ তৎপুরুষ
৪৫ ছায়াশীতল ছায়া দ্বারা শীতল তৃতীয়া তৎপুুরুষ
৪৬ জনমানব জন ও মানব দ্ব›দ্ব সমাস
৪৭ জীবনপ্রদীপ জীবন রূপ প্রদীপ রূপক কর্মধারয়
৪৮ জনাকীর্ণ জন দ্বারা আকীর্ণ তৃতীয়া তৎপুরুষ
৪৯ জাদুকর জাদু করে যে উপপদ তৎপুরুষ
৫০ জীবন-নদী জীবন রূপ নদী রূপক কর্মধারয়
৫১ জন্মান্ধ জন্ম থেকে অন্ধ পঞ্চমী তৎপুরুষ
৫২ উপকণ্ঠ কণ্ঠের সমীপে অব্যয়ীভাব
৫৩ ডাকবাক্স ডাকের বাক্স ষষ্ঠী তৎপুরুষ
৫৪ ঢেঁকিছাঁটা ঢেঁকি দিয়ে ছাঁটা তৃতীয় তৎপুরুষ
৫৫ তিমিরবিদারী তিমির বিদার করে যে উপপদ তৎপুরুষ
৫৬ তেপান্তর তিন প্রান্তরের সমাহার দ্বিগু সমাস
৫৭ উপবন বনের সদৃশ অব্যয়ীভাব সমাস
৫৮ তপোবন তপের নিমিত্ত বন চতুর্থী তৎপুরুষ
৫৯ তেরো নদী তেরো নদী অলুক সমাস
৬০ তেভাগা তিন ভাগ যার বহুব্রীহি সমাস
৬১ দম্পতি জায়া ও পতি দ্ব›দ্ব সমাস
৬২ দেশান্তর অন্য দেশ নিত্য সমাস
৬৩ দেহলতা দেহ লতার ন্যায় উপমিত কর্মধারয়
৬৪ দ্রুতগামী দ্রুত গমন করে যে কর্মধারয় সমাস
৬৫ দেশপলাতক দেশ থেকে পলাতক পঞ্চমী তৎপুরুষ
৬৬ দেশভঙ্গ দেশকে ভঙ্গ দ্বিতীয় তৎপুরুষ
৬৭ পানাপুকুর পানা ভরা পুকুর মধ্যঃ কর্মধারয়
৬৮ বেওয়ারিশ বে ওয়ারিশ যার নঞর্থক বহুব্রীহি
৬৯ বাকবিতন্ডা বাক দ্বারা বিতন্ডা তৃতীয়া তৎপুরুষ
৭০ বেহিসাবি নেই হিসাব যার বহুব্রীহি সমাস
৭১ বিষাদসিন্ধু বিষাদ রূপ সিন্ধু রূপক কর্মধারয়
৭২ বিশ্রী শ্রীর অভাব অব্যয়ীভাব
৭৩ বিধিলিপি বিধির লিপি ষষ্ঠী তৎপুরুষ
৭৪ বাহুলতা বাহু লতার ন্যায় উপমিত কর্মধারয়
৭৫ বেতার তার নেই যার বহুব্রীহি সমাস
৭৬ বিয়ে পাগল বিয়ের জন্য পাগল চতুর্থী তৎপুরুষ
৭৭ বনভোজন বনে ভোজন সপ্তমী তৎপুরুষ
৭৮ বাক্যান্তর অন্য বাক্য নিত্য সমাস
৭৯ বাস্তুহারা বাস্তু থেকে হারা পঞ্চমী তৎপুরুষ
৮০ বীণাপানি বীণা পানিতে যার বহুব্রীহি সমাস
৮১ বাজিকর বাজি করে যে উপপদ তৎপুরুষ
৮২ ভালোমন্দ ভালো ও মন্দ দ্ব›দ্ব সমাস
৮৩ মোহনিদ্রা মোহ রূপ নিদ্রা রূপক কর্মধারয়
৮৪ মন্দভাগ্য মন্দ যে ভাগ্য কর্মধারয় সমাস
৮৫ মুখচন্দ্র মুখ চন্দ্রের ন্যায় উপমিত কর্মধারয়
৮৬ মেঘলুপ্ত মেঘ দ্বারা লুপ্ত তৃতীয়া তৎপুরুষ
৮৭ মমতারস মমতা মিশ্রিত রস মধ্যঃ কর্মধারয়
৮৮ মিঠাকড়া যা মিঠা তা কড়া কর্মধারয় সমাস
৮৯ মনগড়া মন দিয়ে গড়া তৃতীয়া তৎপুরুষ
৯০ মহাত্মা মহান আত্মা যার বহুবীহি সমাস
৯১ মহাজন মহান যে জন কর্মধারয় সমাস
৯২ মনমাঝি মন রূপ মাঝি রূপক কর্মধারয়
৯৩ মধুকর মধু আহরণ করে যে উপপদ তৎপুরুষ
৯৪ মধুমাখা মধু দিয়ে মাখা তৃতীয়া তৎপুরুষ
৯৫ যৌবনসূর্য যৌবন রূপ সৌন্দর্য রূপক কর্মধারয়
৯৬ যুগান্তর অন্য যুগ নিত্য সমাস
৯৭ ষড়যন্ত্র ষট যে যন্ত্র কর্মধারয়
৯৮ উদ্বেল বেলাকে অতিক্রান্ত অব্যয়ীভাব সমাস
৯৯ ত্রিফলা ত্রি ফলের সমাহার দ্বিগু সমাস
১০০ একরোখা এক দিকে রোখ যার বহুব্রীহি সমাস
১০১ এতিমখানা এতিমদের জন্য খানা চতুর্থ তৎপুরুষ
১০২ কাজলকালো কাজলের ন্যায় কালো উপমান কর্মধারয়
১০৩ কানাকানি কানে কানে যে কথা ব্যতিহার বহুব্রীহি
১০৪ কচুকাটা কচুর মতো কাটা উপমান কর্মধারয়
১০৫ কালান্তর অন্য কাল নিত্য সমাস
১০৬ কোলাকুলি  কোলে কোলে যে মিলন ব্যতিহার বহুব্রীহি
১০৭ কুসুমকোমল কুসুমের ন্যায় কালো উপমান কর্মধারয়
১০৮ ক্রীতদাস ক্রীত যে দাস কর্মধারয়
১০৯ কবিগুরু কবিদের গুরু ষষ্ঠী তৎপুরুষ
১১০ নদীমাতৃক নদী মাতা যার বহুব্রীহি সমাস
১১১ কদাচার কু যে আচার কর্মধারয়
১১২ খড়মপা খড়মের মতো পা যার বহুব্রীহি
১১৩ খেয়াঘাট  খেয়ার জন্যে ঘাট চতুর্থ তৎপুরুষ
১১৪ গল্পপ্রেমিক গল্পের প্রেমিক ষষ্ঠী তৎপুরুষ
১১৫ গৃহান্তর অন্য গৃহ নিত্য সমাস
১১৬ গাছপাকা গাছে পাকা সপ্তমী তৎপুরুষ
১১৭ গৃহকর্ত্রী গৃহের কত্রী ষষ্ঠ তৎপুরুষ
১১৮ গলাগলি গলায় গলায় যে ভাব নিত্য সমাস
১১৯ গায়েপড়া গায়ে পড়া অলুক তৎপুরুষ
১২০ গণতন্ত্র গণের তন্ত্র মধ্যঃ কর্মধারয়
১২১ গৃহস্থ গৃহে থাকে যে উপপদ তৎপুরুষ
১২২ গিন্নি মা যিনি গিন্নি তিনি মা কর্মধারয় সমাস
১২৩ জ্ঞানশূন্য জ্ঞান দ্বারা শূন্য তৃতীয় তৎপুরুষ
১২৪ দশানন দশ আনন যার বহুব্রীহি সমাস
১২৫ দিলদরিয়া দিল রূপ দরিয়া রূপক কর্মধারয়
১২৬ দা-কুমড়া দা ও কুমড়া দ্বন্দ্ব সমাস
১২৭ দুর্ভিক্ষ ভিক্ষার অভাব অব্যয়ীভাব
১২৮ দুধভাত দুধ ও ভাত দ্বন্দ্ব সমাস
১২৯ দুধেভাতে দুধে ও ভাতে অলুক দ্ব›দ্ব সমাস
১৩০ দেশত্যাগ দেশকে ত্যাগ দ্বিতীয়া তৎপুরুষ
১৩১ দু:খপ্রাপ্ত দু:খকে প্রাপ্ত ২য়া তৎপুরুষ সমাস
১৩২ ধর্মঘট ধর্ম রক্ষার্থে ঘট মধ্যঃ কর্মধারয়
১৩৩ নবপৃথিবী নব যে পৃথিবী কর্মধারয় সমাস
১৩৪ নাতজামাই নাতনির জামাই ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস
১৩৫ নিরর্থক নেই অর্থ যার বহুব্রীহি সমাস
১৩৬ নবযৌবন নব যে যৌবন কর্মধারয় সমাস
১৩৭ নির্বিঘœ ন বিঘœ নঞ তৎপুরুষ সমাস
১৩৮ কলঙ্করেখা কলঙ্কের রেখা ষষ্ঠী তৎপুরুষ
১৩৯ নীলকণ্ঠ নীলকণ্ঠ যার বহুব্রীহি সমাস
১৪০ পকেটমার পকেট মারে যে উপপদ তৎপুরুষ
১৪১ প্রগতি প্র (প্রকৃষ্ট) গতি প্রাদি সমাস
১৪২ পুস্পসৌরভ পুস্পের সৌরভ ষষ্ঠী তৎপুরুষ
১৪৩ প্রভাত প্র (প্রকৃষ্ট) ভাত প্রাদি সমাস
১৪৪ পাষাণস্তুপ পাষাণের বস্তু ষষ্ঠী তৎপুরুষ
১৪৫ পশুরী পাঁচ সেরের সমাহার দ্বিগু সমাস
১৪৬ প্রাণপ্রিয় প্রাণ থেকে প্রিয় পঞ্চমী তৎপুরুষ
১৪৭ প্রশান্তি প্র (প্রকৃতরূপে) শান্তি প্রাদি সমাস
১৪৮ প্রপিতামহ পিতামহের পিতা ষষ্ঠী তৎপুরুষ
১৪৯ প্রতিদান দানের বদলে দান অব্যয়ীভাব সমাস
১৫০ প্রাণবধ প্রাণের বধ ষষ্ঠী তৎপুরুষ
১৫১ পঞ্চবটী পঞ্চ বটের সমাহার দ্বিগু সমাস
১৫২ পঙ্কজ পঙ্কে জন্মে যে উপপদ তৎপুরুষ
১৫৩ পদচ্যুত পদ থেকে চ্যুত পঞ্চমী তৎপুরুষ
১৫৪ পদদলিত পদ দ্বারা দলিত ৩য়া তৎপুরুষ
১৫৫ প্রাণপাখি প্রাণ রূপ পাখি রূপক কর্মধারয়
১৫৬ যুদ্ধবিরতি যুদ্ধে বিরতি সপ্তমী তৎপুরুষ
১৫৭ জাদুকর জাদু করে যে উপপদ তৎপুরুষ
১৫৮ রাজহংস হংসের রাজা ষষ্ঠী তৎপুরুষ
১৫৯ অন্তরীপ অন্তর্গত অপ যার নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি
১৬০ রাজদন্ড রাজার দন্ড ষষ্ঠী তৎপুরুষ
১৬১ নরপশু নর আকারের পশু যে নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি
১৬২ রাজপথ পথের রাজা ষষ্ঠী তৎপুরুষ
১৬৩ পন্ডিতমূর্খ পন্ডিত হয়েও মূর্খ নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি
১৬৪ রান্নাঘর রান্না করার ঘর মধ্যঃ কর্মধারয়
১৬৫ আত্মজীবনী আত্মলিখিত জীবনী মধ্যঃ কর্মধারয়
১৬৬ জীবন্মৃত জীবিত থেকেও মৃত নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি
১৬৭ পলান্ন পল মিশ্রিত অন্ন মধ্যঃ কর্মধারয়
১৬৮ সপ্তাহ সপ্ত অহের সমাহার দ্বিগু সমাস
১৬৯ ঘরজামাই ঘরে আশ্রিত জামাই মধ্যঃ কর্মধারয়
১৭০ হাসাহাসি  হাসতে হাসতে যে ক্রিয়া ব্যতিহার বহুব্রীহি
১৭১ ঘোষণাপত্র জীবন নাশের আশঙ্কায় যে বিমা মধ্যঃ কর্মধারয়
১৭২ রাজনীতি রাজার নীতি ষষ্ঠী তৎপুরুষ
১৭৩ হররোজ  রোজ রোজ অব্যয়ীভাব সমাস
১৭৪ রক্তমাংস রক্ত ও মাংস দ্বন্দ্ব সমাস
১৭৫ রূপান্তর অন্য রূপ নিত্য সমাস
১৭৬ রাতকানা রাতে কানা সপ্তমী তৎপুরুষ
১৭৭ লেনদেন লেন ও দেন দ্ব›দ্ব সমাস
১৭৮ লোকভয় লোক থেকে ভয় পঞ্চমী তৎপুরুষ
১৭৯ লাঠালাঠি লাঠিতে লাঠিতে লড়াই ব্যতিহার বহুব্রীহি
১৮০ শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষা বিষয়ক মন্ত্রী মধ্যঃ কর্মধারয়
১৮১ শতাব্দী শত অব্দের সমাহার দ্বিগু সমাস
১৮২ শ্রমলদ্ধ শ্রম দ্বারা লদ্ধ তৃতীয়া তৎপুরুষ
১৮৩ শীতাতপ শীত ও তাপ দ্বন্দ্ব সমাস
১৮৪ সন্ধ্যাপ্রদীপ সন্ধ্যার প্রদীপ ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস
১৮৫ সিংহাসন সিংহ চিহ্নিত আসন মধ্যঃ কর্মধারয়
১৮৬ সৈন্যসামন্ত  সৈন্য ও সামন্ত দ্বন্দ্ব সমাস
১৮৭ সলিলসমাধি সলিলে সমাধি সপ্তমী তৎপুরুষ
১৮৮  সাত-সতেরো সাত ও সতেরো দ্বন্দ্ব সমাস
১৮৯ সংবাদপত্র সংবাদ বহনকারী পত্র মধ্যঃ কর্মধারয়
১৯০ সপ্তডিঙ্গা সপ্ত ডিঙ্গার সমাহার দিগু সমাস
১৯১ সিংহাসন সিংহ চিহ্নিত আসন মধ্যঃ কর্মধারয়
১৯২ সপ্তর্ষি সপ্ত ঋষির সমাহার দ্বিগু সমাস
১৯৩ সাপে-নেউলে সাপে ও নেউলে অলুক দ্ব›দ্ব সমাস
১৯৪ সহোদর সহ উদর যার বহুব্রীহি সমাস
১৯৫ সেতার তিন তারের সমাহার দ্বিগু সমাস
১৯৬ হাতাহাতি হাতে হাতে লড়াই ব্যতিহার বহুব্রীহি
১৯৭ হাভাত ভাতের অভাব অব্যয়ীভাব সমাস
১৯৮ হাতেপায়ে হাতে ও পায়ে অলুক দ্বন্ধ সমাস
১৯৯ রাজপথ পথের রাজা ষষ্ঠী তৎপুরুষ
২০০ মৌমাছি মৌ-সঞ্চয়কারী মাছি মধ্যঃ কর্মধারয়
২০১ যাবজ্জীবন জীবন পর্যন্ত যাবজ্জীবন

বাংলা কবি সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম
বাংলা কবি সাহিত্যিকদের উপাধি

 

HSC বাংলা সাহিত্য গল্প,কবিতা,উপন্যাস

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্তুতি-
নংগল্প + কবিতার নামসাহিত্যিকদের নামলিঙ্ক
০১আমার পথকাজী নজরুল ইসলামClick
০২বিড়ালবঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
০৩চাষার দুক্ষুবেগম রোকেয়া সাখাওয়াতClick
০৪বায়ান্নর দিনগুলোশেখ মুজিবুর রহমানClick
০৫অপরিচিতারবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick
০৬মাসি-পিসিমানিক বন্দ্যোপাধ্যায়Click
০৭জীবন ও বৃক্ষমোতাহের হোসেন চৌধুরীClick
০৮জাদুঘরে কেন যাবআনিসুজ্জামানClick
০৯নেকলেসগী দ্য মোপাসাঁ/ পূর্ণেন্দু দস্তিদারClick
১০রেইনকোটআখতারুজ্জামান ইলিয়াসClick
১১আহ্বানবিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়Click
১২মহাজাগতিক কিউরেটরমুহম্মদ জাফর ইকবালClick
১৩সাম্যবাদীকাজী নজরুল ইসলামClick
১৪ঐকতানরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick
১৫বিভীষণের প্রতি মেঘনাদমাইকেল মধূসুদন দত্তClick
১৬নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়সৈয়দ শামসুল হকClick
১৭তাহারেই পড়ে মনেসুফিয়া কামালClick
১৮ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯শামসুর রাহমানClick
১৯রক্তে আমার অনাদি অস্থি দিলওয়ার খানClick
২০ সেই অস্ত্রআহসান হাবিবClick
২১আঠারো বছর বয়সসুকান্ত ভট্টাচার্যClick
২২লোক লোকান্তরমীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদClick
২৩এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে জীবনানন্দ দাশClick
২৪আমি কিংবদন্তির কথা বলছিআবু জাফর ওবায়দুল্লাহClick
২৫লালসালুসৈয়দ ওয়ালীউল্লাহClick
২৬সিরাজউদ্দৌলাসিকান্দার আবু জাফরClick
২৭বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদনবঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
২৮বিদ্রােহীকাজী নজরুল ইসলাম Click
২৯গৃহরোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন Click
৩০মানব কল্যাণ-আবুল ফজলClick
৩১বিলাসীশরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
৩২সোনার তরীরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick

Admission Form

  • (i) Present Address
  • (ii) Permanent Address:
  • I do, hereby declare that I was a student of Carmichael College and passed the HSC examination in 1981, would like to become a member of “Carmichael College Bondhon, 79’ and agree to abide by the rules and regulations of the association.
  •  

মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক সাহিত্য চলচ্চিত্র, উপন্যাস, গ্রন্থ

মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক সাহিত্য চলচ্চিত্র, উপন্যাস, গ্রন্থ

মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক সাহিত্য চলচ্চিত্র, উপন্যাস, গ্রন্থ আমরা এক সাথে উল্লেখ করেছি। পরীক্ষায় আসার মতো করেই আমরা চিন্তা করে গুরুত্বপূর্নগুলো তুলে ধরা হলো।

চলচ্চিত্রে মুক্তিযুদ্ধ
ওরা ১১ জন (১৯৭২) চাষী নজরুল ইসলাম
রক্তাক্ত বাংলা (১৯৭২) মমতাজ আলী
বাঘা বাঙালি (১৯৭২) আনন্দ
অরুণাদয়ের অগ্নিসাক্ষী (১৯৭২) সুভাষদত্ত
আবার তোরা মানুষ হ (১৯৭৩) খান আতাউর রহমান
ধীরে বহে মেঘনা (১৯৭৩) আলমগীর কবির
আলোর মিছিল (১৯৭৪) নারায়ণ ঘোষ মিতা
কলমিলতা (১৯৮১) শহীদুল হক খান
মেঘের অনেক রঙ (১৯৭৬) হারুন অর রশিদ
সংগ্রাম (১৯৭৪) চাষী নজরুল ইসলাম
আগুনের পরশমনি (১৯৯৪) হুমায়ূন আহমেদ
রূপালি সৈকত (১৯৭৯) আলমগীর কবির
হাঙ্গর নদী গ্রেনেড (১৯৯৭) চাষী নজরুল ইসলাম
অস্তিত্বে আমার দেশ খিজির হায়াত
গেরিলা (২০১১) নাসিরুদ্দীন ইউসুফ বাচ্চু

 

মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক কতিপয় গ্রন্থ

গ্রন্থ রচয়িতা
অরক্ষিত স্বাধীনতাই পরাধীনতা মেজর আব্দুল জলিল
সেইসব দিন, ঢাকার কথা মুনতাসির মামুন
আমার একাত্তর আনিসুজ্জামান
এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম গাজীউল হক
আমি বিজয় দেখেছি, ’৭১ এর বর্ণমালা, বিজয়’৭১ এম আর আক্তার মুকুল
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংকলন হাসান হাফিজুর রহমান
২৬৬ দিনের স্বাধীনতা মোঃ নুরুল কাদির
স্মৃতি শহর শামসুর রহমান
দ্য রেইপ অব বাংলাদেশ এন্থনী মাসকারেনহাস
আমি বীরঙ্গনা বলছি নীলিমা ইব্রাহিম
ইতিহাস কথা বলে সৈয়দ নূর আহমেদ
ফেরারী সূর্য রাবেয়া খাতুন
একাত্তরের কথামালা বেগম নূর জাহান
আমার কিছু কথা শেখ মুজিবুর রহমান
বাংলাদেশ কথা কয় আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
বাংলাদেশ ও রক্তের ঋণ এ্যান্থনী মাস কারেণহাস
দ্য লিবারেশন অব বাংলাদেশ মেজর সুখওয়ান্ত সিং
একাত্তরের দিনগুলি জাহানারা ইমাম
একাত্তরের ডায়েরী সুফিয়া কামাল
বাতাসে বারুদ রক্ত উল্লাস জুবাইদা গুলশান আরা
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মেজর রফিকুুল ইসলাম
ডেড রেকনিং শর্মিলা বসু
একাত্তরের স্মৃতি ড. সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন
বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের গল্প আমিরুল ইসলাম
একাত্তরের গেরিলা ড. জহিরুল ইসলাম

 

মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক কতিপয় উপন্যাস
উপন্যাস রচিয়তা
নীল দংশন, নিষিদ্ধ লোবান সৈয়দ শামছুল হক
আরেক ফাল্গুন (ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক) জহির রায়হান
শ্যামলা ছায়া, নির্বাসন, সৌরভ, আগুনের পরশমণি হুমায়ূন আহমেদ
মাত্রা, উত্তরের ক্ষেপ শওকত আলী
জাহান্নাম হতে বিদায়, দুই সৈনিক, নেকড়ে অরণ্য, জন্ম যদি হত বঙ্গে শওকত আলী
হাঙ্গর নদী গ্রেনেড, নিরন্তন, ঘন্টাধ্বনি কাটাতারের প্রজাপতি সেলিনা হোসেন
২৬৬ দিনের স্বাধীনতা মোঃ নজরুল কাদির
স্মৃতি শহর শামসুর রাহমান
আমি বীরঙ্গনা বলছি নীলিমা ইব্রাহিম
ইতিহাস কথা বলে সৈয়দ নূর আহমেদ
ফেরারী সূর্য রাবেয়া খাতুন
একাত্তরের কথামালা বেগম নূর জাহান

 

মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র
চলচ্চিত্র সাল পরিচালক
Innocent millions ১৯৭১ বাবুল চৌধুরী
ডেটলাইন বাংলাদেশ ১৯৭১ গীতা মোহতা
Liberation fighters ১৯৭১ আলমগীর কবির
Stop genocide ১৯৭১ জহির রায়হান
A State in Born ১৯৭১ জহির রায়হান
মুক্তির গান ১৯৯৫ তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ
মুক্তির কথা ১৯৯৫ তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ
স্মৃতি ৭১ ১৯৯১ তানভীর মোকাম্মেল

২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে সকল শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।

 

২৬-মার্চ-মহান-স্বাধীনতা-দিবসে-সকল-শহীদের-প্রতি-বিনম্র-শ্রদ্ধা।.

ইউনিটি শিক্ষা পরিবারের পক্ষ থেকে ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে সকল শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।

ছবি আবু হেনা মোস্তফা কামাল

ছবি আবু হেনা মোস্তফা কামাল

পাঠ-পরিচিতি: “ছবি” কবিতাটি আবু হেনা মোস্তফা কামালের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘আপন যৌবন বৈরী’ থেকে সংকলিত হয়েছে। ছবি আবু হেনা মোস্তফা কামাল এ কবিতায় রোমান্টিক কবি নতুন স্বাধীনতাপ্রাপ্ত বাংলাদেশকে মহান শিল্পীর তুলিতে আঁকা একটি কালজয়ী ছবি হিসেবে কল্পনা করেছেন। কবি নিপুণ শব্দের ছবি এঁকে বুঝিয়ে দেন ত্রিশ লক্ষ খাঁটি বাঙালি-শিল্পী তথা শহিদের দীর্ঘ নয় মাসের শ্রমে-আত্মদানে সৃজিত হয়েছে এই ছবি। তাঁর নিশ্চিত ধারণা, রঙের জাদুকর শিল্পী ভ্যান গগও ছবিটিতে ছড়ানো রঙের আশ্চর্য গাঢ়তা কখনো দেখেননি। কবি মনে করেন, ছবিটিতে ব্যবহৃত অসংখ্য নরমুণ্ডের ব্যবহার ত্রিশ লক্ষ শহিদের আত্মদানের সংগ্রামী চেতনাকে ধারণ করে আছে, যা এই ছবির মতো দেশটির গৌরবময় স্মারক। ত্রিশ লক্ষ শহিদের রক্তস্নাত সুন্দর এই দেশ পরিদর্শনের জন্য কবি বিদেশিদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন কবিতায়।

বানান সতর্কতা (Orthography): আমন্ত্রণ, স্পট, স্ফীত, স্টার্লিং, শিশুতোষ, শিল্পী, তীব্রতা, মেসি, সঞ্চয়, উল্লেখযোগ্য, সম্পূর্ণ, সম্প্রতি, পর্যটন, তত্ত্বাবধান,  আশ্চর্য, নরমুণ্ড, ক্রমাগত, শস্য, গাঢ়তা, আর্যবংশ।

চৌম্বক তথ্য (Magnetic Information):

  • আবু হেনা মোস্তফা কামাল ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দের ১২ মার্চ সিরাজগঞ্জ জেলার গোবিন্দা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
  • আবু হেনা মোস্তফা কামালের রোমান্টিক কবিস্বভাব তাঁর কবিতাকে নন্দনশোভন করেছে।
  • শব্দের বহুমুখী দ্যোতনা ও চিত্রধর্মিতা তাঁর কবিতার প্রধান সম্পদ।
  • ‘ছবি’ কবিতাটি আবু হেনা মোস্তফা কামালের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ আপন যৌবন বৈরী ’ থেকে সংকলিত হয়েছে।
  • এই কবিতায় কবি নতুন স্বাধীনতাপ্রাপ্ত বাংলাদেশকে মহান শিল্পীর তুলিতে আঁকা একটি কালজয়ী ছবি হিসেবে কল্পনা করেছেন।
  • কবি নিপুণ শব্দের ছবি এঁকে বুঝিয়ে দিয়েছেন ত্রিশ লাখ সংগ্রামীর দীর্ঘ নয় মাসের শ্রমে-আত্মদানে সৃজিত হয়েছে এই ছবি।
  • কবির মতে , ছবিটিতে ব্যবহৃত অসংখ্য নরমুণ্ডের ব্যবহার ত্রিশ লাখ সংগ্রামীর আত্মদানের সংগ্রামী চেতনাকে ধারণ করে আছে।
  • ত্রিশ লাখ সংগ্রামীর রক্তস্নাত সুন্দর এই দেশ পরিদর্শনের জন্য কবি বিদেশিদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ।
  • ‘ছবি’ কবিতাটি গদ্যছন্দে রচিত । গদ্যছন্দে কোনো সুনির্দিষ্ট পর্ব ও মাত্রাসাম্য থাকে না ।
  • আঁকা ছবিতে সঞ্চারিত বিশেষ কোনো চিন্তা বা বাণীকেই চিত্রশিল্পে থিম্ বলা হয় । থিম্ – এর মাধ্যমে একটি ছবির মৌলিক ও বিশ্বজনীন মূল্য প্রতিভাত হয় ।

শদার্থ ও টীকা:

  1. মনোহারী স্পট  – চিত্তাকর্ষক পর্যটনস্থল ।
  2. ডলার – আমেরিকা , অস্ট্রেলিয়াসহ ইউরোপ ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সরকারি মুদ্রার নাম ।
  3. মার্ক  –   বিভিন্ন জাতিরাষ্ট্রের মুদ্রার নাম বা হিসাবের একক । সোনা ও রুপার ওজন পরিমাপে মার্ক হিসাবের একক হয়ে কাজ করে ।
  4. স্টার্লিং – স্টার্নিং পাউন্ড ।
  5. ডাল্লাস – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের অন্যতম জনাকীর্ণ নগর ।
  6. মেম্ফিস – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ – পশ্চিমাঞ্চলের অঙ্গরাজ্য টেনিসির একটি নগর । নগরটি মিসিসিপি নদীর তীরে অবস্থিত ।
  7. কালিফোর্নিয়া – আয়তনের দিক থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় বৃহত্তম অঙ্গরাজ্য ।
  8. শিল্প মানেই নকল নয় কি ? – কাব্যতাত্ত্বিক অ্যারিস্টটল বলেছেন , সাহিত্য বা শিল্প হচ্ছে জীবনের বা ঘটনার অনুকরণ । এ অর্থেই কবি শিল্পকে ‘ নকল ‘ বলেছেন ।
  9. খাঁটি আর্যবংশ সম্ভৃত – আর্য মানে Aryan । মানবজাতিবিশেষ । এখানে খাঁটি বাঙালি চেতনার ধারক এক মহামানবকে বোঝানো হয়েছে ।
  10. ত্রিশ লক্ষ কারিগর – বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ত্রিশ লক্ষ শহিদ ।

বাংলা কবি সাহিত্যিকদের উপাধি

গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নাত্তর:

১। ‘ছবি’ কবিতার রচয়িতা কে? উত্তর: ‘ছবি’ কবিতার রচয়িতা আবু হেনা মোস্তফা কামাল।
২। কবি কিসের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ? উত্তর: কবি তাঁর দেশে বেড়াতে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
৩। কবির দেশে তেমন কোনো কী নেই ? উত্তর : কবির দেশে তেমন কোনো মনোহারী স্পট নেই।
৪। ‘ছবি’ কবিতায় কয়টি বিদেশি মুদ্রার নাম উল্লেখ আছে ? উত্তর : ‘ ছবি ’ কবিতায় তিনটি বিদেশি মুদ্রার নাম উল্লেখ আছে।
৫। ‘ছবি’ কবিতায় উল্লিখিত মুদ্রাগুলোর নাম কী ? উত্তর : ‘ ছবি ’ কবিতায় উল্লিখিত মুদ্রাগুলোর নাম হলো- ডলার , মার্ক, স্টার্লিং।
৬। ছবি ’ কবিতায় কয়টি বিদেশি স্থানের নাম উল্লেখ আছে ? উত্তর : ‘ ছবি ‘ কবিতায় তিনটি বিদেশি স্থানের নাম উল্লেখ আছে।
৭। ‘ ছবি ‘ কবিতায় উল্লিখিত বিদেশি স্থানগুলোর নাম কী ? উত্তর : ‘ ছবি ‘ কবিতায় উল্লিখিত বিদেশি স্থানগুলোর নাম ডাল্লাস, মেম্ফিস ও কালিফোর্নিয়া।
৮। কবি তার দেশের সৌন্দর্যকে বিদেশি স্থানগুলোর তুলনায় কিসের মতো বলেছেন ? উত্তর : কবি তার দেশের সৌন্দর্যকে বিদেশি ব্যানগুলোর তুলনায় শিশুতোষ বলেছেন।
৯। কবির মতে কোনো শিল্পীর কাজে কী পাওয়া যাবে না ? উত্তর : কবির মতে কোনো শিল্পীর কাছে তার দেশের মতো রঙের ব্যবহার , বিষয়ের এমন তীব্রতা পাওয়া যাবে না।
১০। কবির মতে শিল্প মানেই কী ? উত্তর : কবির মতে শিল্প মানেই নকল।
১১। আবু হেনা মোস্তফা কামাল সমগ্র শিক্ষাজীবনে কী হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন ? উত্তর : আবু হেনা মোস্তফা কামাল সমগ্র শিক্ষাজীবনে কৃতী ছাত্র হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন।
১২। কবি কোন দফতরের প্রধান ? উত্তর : কবি পর্যটন দফতরের প্রধান।
১৩। কবি কাদেরকে তাঁর দেশে আসার জন্য অনুরোধ করেছেন ? উত্তর : কবি বিদেশি পর্যটকদের তাঁর দেশে আসার জন্য অনুরোধ করেছেন।
১৪। কবির দেশ সম্প্রতি কেমন করে সাজানো হয়েছে ? উত্তর : সম্প্রতি কবির দেশ সম্পূর্ণ নতুন একটি ছবির মতো করে সাজানো হয়েছে।
১৫। ‘ ছবি ‘ কবিতায় কোন বংশের নাম উল্লেখ আছে ? উত্তর : ‘ ছবি ‘ কবিতায় আর্যবংশের নাম উল্লেখ আছে।
১৬। কবির জন্মভূমির সৌন্দর্য কোন শিল্পীর তত্ত্বাবধানে নির্মিত ? উত্তর : কবির জন্মভূমির সৌন্দর্য খাঁটি আর্যবংশসম্ভূত শিল্পীর কঠোর তত্ত্বাবধানে নির্মিত।
১৭। কতটা দীর্ঘ পরিশ্রমে ছবিটি বানানো হয়েছে ? উত্তর : নয় মাসের দীর্ঘ পরিশ্রমে ছবিটি বানানো হয়েছে।
১৮। নবনির্মিত ছবির রং এখনও অনেক জায়গায় কেমন ? উত্তর : নবনির্মিত ছবির রং এখনও অনেক জায়গায় কাঁচা।
১৯। ‘ ছবি ’ কবিতায় কোন মহান শিল্পীর নাম উল্লেখ আছে ? উত্তর : ‘ ছবি ’ কবিতায় শিল্পী ভ্যান গগের নাম উল্লেখ আছে।
২০। কবির মতে ভ্যান গগ কোথা থেকে নীল তুলে এনে ব্যবহার করতেন ? উত্তর : কবির মতে ভ্যান গগ আকাশ থেকে নীল তুলে এনে ব্যবহার করতেন।
২১। আবু হেনা মোস্তফা কামাল কত সালে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন ? উত্তর : আবু হেনা মোস্তফা কামাল ১৯৬৯ সালে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
২২। কবির দেশের ছবিতে কিসের ক্রমাগত ব্যবহার রয়েছে ? উত্তর : কবির দেশের ছবিতে নরমুণ্ডের ক্রমাগত ব্যবহার রয়েছে।
২৩। কবির মতে কিসের ভেতরে গভীর সাজেশন আছে ? উত্তর : কবির মতে তাঁর দেশের ছবির মধ্যে নরমুণ্ডের ক্রমাগত ব্যবহারের ভেতরে গভীর সাজেশান আছে।

বাংলা কবি সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম

প্রশ্ন:১। কবি তাঁর দেশের প্রকৃতিকে অকৃত্রিম বলেছে? উত্তর : দেশের সৌন্দর্য প্রাকৃতিক নিয়মে পড়ে উঠেছে তাঁর দেশের প্রকৃতিকে অকৃত্রিম বলেছেন । কবির জন্মভূমির প্রকৃতি কোনো শিল্পীর তুরিন , উঠেছে সাধারণ নিয়মেই । তাঁর দেশের সৌন্দর্যের দিকে তাকাল কৃত্রিমতার কোনো ছোঁয়া পাওয়া যাবে না । তাই কবি তাঁর দেশের প্রকৃতিকে অকৃত্রিম বলেছেন ।

প্রশ্ন ২। ‘ ছবি ‘ কবিতায় ত্রিশ লাখ কারিগর বলতে কী? উত্তর : ‘ ছবি ‘ কবিতায় ত্রিশ লাখ কারিগর বলতে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী ব্যক্তিদের বোঝানো হয়েছে । এক সাগর রক্তের বিনিময়ে আমাদের স্বাধীনতা অর্জিত । এ রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা যুদ্ধে প্রায় ত্রিশ লাখ মানুষ শহিদ হন । কবি এই শহিদদেরকে মূলত দেশ গড়ার কারিগর হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন , যাদের আত্মত্যাগে মহীয়ান আমাদের স্বাধীনতা ।

প্রশ্ন ৩। ‘ ছবি ‘ কবিতায় কবির কোন অনুভূতির ঘটেছে ? ব্যাখ্যা কর । উত্তর : ‘ ছবি ‘ কবিতায় কবির স্বদেশের স্বাধীনতার জন্য আত্মদানকারী শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার অনুভূতির প্রতিফলন ঘটেছে । ‘ ছবি ‘ কবিতায় কবি নতুন স্বাধীনতাপ্রাপ্ত বাংলাদেশকে মহান শিল্পীর তুলিতে আঁকা একটি কালজয়ী ছবি হিসেবে কল্পনা করেছেন । কবি মনে করেন , ছবিটিতে ব্যবহৃত অসংখ্য নরমুণ্ডের ব্যবহার ত্রিশ লাখ শহিদের আত্মদানের সংগ্রামী চেতনাকে ধারণ করে আছে ; যা এই ছবির মতো দেশটির গৌরবময় স্মারক । স্বাধীনতার জন্য আত্মদানকারীদের প্রতি কবি গভীরভাবে শ্রদ্ধাশীল । কারণ তাঁদের আত্মত্যাগ অকৃত্রিম । তাই তিনি ত্রিশ লক্ষ শহিদের রক্তস্নাত সুন্দর এ দেশ পরিদর্শনের জন্য বিদেশিদের উদার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন । এদেশের মানুষের আত্মদানের মহিমায় তারাও আপ্লুত হবে , বিশেষ চিন্তায় প্রাণিত হবে । তুলনার

প্রশ্ন ৪। কবি তাঁর কবিতায় ভ্যান গগের কথা উল্লেখ করেছেন কেন ? উত্তর : কবি ভ্যান গগের চিত্রের সঙ্গে এ দেশের সৌন্দর্য জন্য ভ্যান গগের কথা আলোচ্য কবিতায় উল্লেখ করেছেন। ভ্যান গগ একজন বিখ্যাত চিত্রশিল্পী। যার ছবির মধ্যে ছিল। বাস্তবতার ছোঁয়া । তাই কবি বলেছেন তিনি আকাশ থেকে নীল আর শস্য থেকে সোনালি রং তুলে এনে চিত্রকর্মে ব্যবহার করতেন। কবি এর সঙ্গে তাঁর দেশের তুলনা করেছেন। মূলত কবি নিজ দেশের সৌন্দর্যের সঙ্গে ভ্যান গগের চিত্রকর্মের তুলনা করার জন্যই তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন।

প্রশ্ন ৫। কবি তাঁর দেশের ছবিতে ‘ নরমুন্ডের ব্যবহার ‘ বলতে কী বুঝিয়েছেন ? উত্তর : কবি তাঁর দেশের ছবিতে নরমুণ্ডের ব্যবহার বলতে স্বাধীনতা যুদ্ধে অগণিত আত্মদানকে বুঝিয়েছেন । ছবি আবু হেনা মোস্তফা কামাল| ১৯৭১ সালে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে এদেশ স্বাধীন হয় । এই স্বাধীনতা যুদ্ধে এদেশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় । শহিদ হন । প্রায় ত্রিশ লাখ মানুষ , যা কবির মতে এদেশের ছবিতে ব্যবহৃত হয়েছে । এ বিষয়টি বোঝাতে আলোচ্য কবিতায় কবি উক্ত কথাটি ব্যবহার করেছেন ।

প্রশ্ন ৬। ওর ভেতরেও একটা গভীর সাজেশান আছে’- চরণটি দ্বারা কবি কী বুঝিয়েছেন ? উত্তর : প্রশ্নোত্ত চরণটি দ্বারা কবি বাঙালির স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গের বিষয়টি বুঝিয়েছেন । ‘ ছবি ‘ কবিতার কবি যে ছবিটি কল্পনা করেছেন এটি মূলত এদেশের ছবি , যা সহজে অর্জিত হয়নি । এটি অর্জন করতে হয়েছে ত্রিশ লাখ শহিদের রক্তের বিনিময়ে , যা কবির ছবির ভেতরে একটি গভীর সাজেশান হিসেবে উল্লেখ করেছেন । প্রশ্নোত্ত চরণটি দ্বারা এ বিষয়টি বোঝানো হয়েছে ।

প্রশ্ন ৭। ‘ এই ছবির মতো দেশের ধিম ‘ বলতে কী বোঝানো হয়েছে ? উত্তর : এই ছবির মতো দেশের থিম বলতে এদেশের স্বাধীনতা অর্জনে রক্তক্ষয়ী সংগ্রামকে বোঝানো হয়েছে । বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পেছনে রয়েছে এক রক্তাক্ত ইতিহাস । ১৯৭১ সালে দীর্ঘ নয় মাস বাঙালি জলে , স্থলে , প্রান্তরে হানাদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে । এই যুদ্ধে প্রায় ত্রিশ লাখ মানুষ শহিদ হয়েছে , যা কবির ছবি মতোই এদেশের থিম বলে উল্লেখ করেছেন ।

প্রশ্ন ৯। ড্যান গগ কে ছিলেন ? উত্তর : ভ্যান গগ ছিলেন বিশ্ববিখ্যাত ডাচ চিত্রশিল্পী । ছবি আবু হেনা মোস্তফা কামাল| তাঁর পুরো নাম ভিনসেন্ট উইলেম ভ্যান গগ। তিনি ১৮৫৩ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দে মারা যান । ভ্যান গগ পোস্ট ইম্প্রেশনিস্ট শিল্পী হিসেবে সমধিক পরিচিত । তাঁর আঁকা ছবিগুলো বিশ শতকের চিত্রশিল্পে আবেগের সততা , রুঢ় সৌন্দর্য ও গাঢ় রং ব্যবহারের কুশলতায় প্রভূত প্রভাব বিস্তার করেছিল । ছবি আবু হেনা মোস্তফা কামাল|

প্রশ্ন ১০। ‘ খাঁটি আর্যবংশ সম্ভৃত ‘ দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে ? উত্তর : প্রশ্নোত্ত কথাটি দ্বারা খাঁটি বাঙালি চেতনার ধারক এক মহামানবকে বোঝানো হয়েছে । আর্য মানে Aryan । মানবজাতিবিশেষ । ছবির মতো এই দেশ গড়ার কাজ করেছেন ত্রিশ লাখ কারিগর । তাঁদের দীর্ঘ নয় মাস দিন – রাত পরিশ্রমের ফসল এই ছবি । তাঁরা কাজ করেছেন খাঁটি আর্যবংশসভূত শিল্পীর তত্ত্বাবধানে । যাঁর নেতৃত্বে তৈরি হওয়া এই ছবির রং এখনও কোথাও কোথাও কাঁচা । তবে খাঁটি আর্যবংশসম্ভূত শিল্পীর তত্ত্বাবধানে আঁকা এই ছবির রং আশ্চর্য রকমের গাঢ় । তাই বাঙালির এই সফল ছবি আঁকার পেছনে । খাটি আর্যবংশসদ্ভূত এই শিল্পীর ভূমিকা অপরিসীম । ছবি আবু হেনা মোস্তফা কামাল|

HSC বাংলা সাহিত্য গল্প,কবিতা,উপন্যাস

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্তুতি-
নংগল্প + কবিতার নামসাহিত্যিকদের নামলিঙ্ক
০১আমার পথকাজী নজরুল ইসলামClick
০২বিড়ালবঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
০৩চাষার দুক্ষুবেগম রোকেয়া সাখাওয়াতClick
০৪বায়ান্নর দিনগুলোশেখ মুজিবুর রহমানClick
০৫অপরিচিতারবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick
০৬মাসি-পিসিমানিক বন্দ্যোপাধ্যায়Click
০৭জীবন ও বৃক্ষমোতাহের হোসেন চৌধুরীClick
০৮জাদুঘরে কেন যাবআনিসুজ্জামানClick
০৯নেকলেসগী দ্য মোপাসাঁ/ পূর্ণেন্দু দস্তিদারClick
১০রেইনকোটআখতারুজ্জামান ইলিয়াসClick
১১আহ্বানবিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়Click
১২মহাজাগতিক কিউরেটরমুহম্মদ জাফর ইকবালClick
১৩সাম্যবাদীকাজী নজরুল ইসলামClick
১৪ঐকতানরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick
১৫বিভীষণের প্রতি মেঘনাদমাইকেল মধূসুদন দত্তClick
১৬নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়সৈয়দ শামসুল হকClick
১৭তাহারেই পড়ে মনেসুফিয়া কামালClick
১৮ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯শামসুর রাহমানClick
১৯রক্তে আমার অনাদি অস্থি দিলওয়ার খানClick
২০ সেই অস্ত্রআহসান হাবিবClick
২১আঠারো বছর বয়সসুকান্ত ভট্টাচার্যClick
২২লোক লোকান্তরমীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদClick
২৩এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে জীবনানন্দ দাশClick
২৪আমি কিংবদন্তির কথা বলছিআবু জাফর ওবায়দুল্লাহClick
২৫লালসালুসৈয়দ ওয়ালীউল্লাহClick
২৬সিরাজউদ্দৌলাসিকান্দার আবু জাফরClick
২৭বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদনবঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
২৮বিদ্রােহীকাজী নজরুল ইসলাম Click
২৯গৃহরোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন Click
৩০মানব কল্যাণ-আবুল ফজলClick
৩১বিলাসীশরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
৩২সোনার তরীরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick

বাংলা কবি সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম

বাংলা কবি সাহিত্যিকদের ছদ্মনামবাংলা সাহিত্যের কবিগণের ছদ্মনাম যে কোন প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষায় একটি হলেও প্রশ্ন এসে থাকে। তাই আমাদের এবারের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম এক সঙ্গে তুলে ধরা। নিম্নে টেবিলের মাধ্যমে দেখানো হলো।

কবি সাহিত্যিকের ছদ্মনাম

নং নাম ছদ্মনাম
১। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভানুসিংহ
২। মীর মোশাররফ হোসেন গাজী মিয়া
৩। প্যারীচাঁদ মিত্র টেকচাঁদ ঠাকুর
৪। কাজেম আল কোরায়েশী কায়কোবাদ
৫। কালী প্রসন্ন সিংহ হুতোম পেঁচা
৬। কালীকানন্দ অবধুত
৭। চারুচন্দ্র মুখোপাধ্যায় জরাসন্ধ
৮। নীহারঞ্জন গুপ্ত বানভট্ট
৯। শেখ আজিজুর রহমান শওকত ওসমান
১০। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় নীল লোহিত
১১। অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত নীহারিকা দেবী
১২। বিমল ঘোষ মৌমাছি
১৩। বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় বনফুল
১৪। রাজশেখর বসু পরশুরাম
১৫। সমরেশ বসু কালকুট
১৬। ডঃ মনিরুজ্জামান হায়াৎ মাহমুদ
১৭। মোহিত লাল মজুমদার সত্যসুন্দর দাস
১৮। মধুসূদন মজুমদার দৃষ্টিহীন
১৯। অনন্ত বড়ু বড়– চন্ডীদাস
২০। প্রমথ চৌধুরী বীরবল

 

বাংলা সাহিত্যের কবিগণের উপাধি

 

বাংলা কবি সাহিত্যিকদের উপাধি

পদ প্রকরণ- বাংলা ব্যাকরণ

HSC বাংলা সাহিত্য গল্প,কবিতা,উপন্যাস

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্তুতি-
নংগল্প + কবিতার নামসাহিত্যিকদের নামলিঙ্ক
০১আমার পথকাজী নজরুল ইসলামClick
০২বিড়ালবঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
০৩চাষার দুক্ষুবেগম রোকেয়া সাখাওয়াতClick
০৪বায়ান্নর দিনগুলোশেখ মুজিবুর রহমানClick
০৫অপরিচিতারবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick
০৬মাসি-পিসিমানিক বন্দ্যোপাধ্যায়Click
০৭জীবন ও বৃক্ষমোতাহের হোসেন চৌধুরীClick
০৮জাদুঘরে কেন যাবআনিসুজ্জামানClick
০৯নেকলেসগী দ্য মোপাসাঁ/ পূর্ণেন্দু দস্তিদারClick
১০রেইনকোটআখতারুজ্জামান ইলিয়াসClick
১১আহ্বানবিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়Click
১২মহাজাগতিক কিউরেটরমুহম্মদ জাফর ইকবালClick
১৩সাম্যবাদীকাজী নজরুল ইসলামClick
১৪ঐকতানরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick
১৫বিভীষণের প্রতি মেঘনাদমাইকেল মধূসুদন দত্তClick
১৬নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়সৈয়দ শামসুল হকClick
১৭তাহারেই পড়ে মনেসুফিয়া কামালClick
১৮ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯শামসুর রাহমানClick
১৯রক্তে আমার অনাদি অস্থি দিলওয়ার খানClick
২০ সেই অস্ত্রআহসান হাবিবClick
২১আঠারো বছর বয়সসুকান্ত ভট্টাচার্যClick
২২লোক লোকান্তরমীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদClick
২৩এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে জীবনানন্দ দাশClick
২৪আমি কিংবদন্তির কথা বলছিআবু জাফর ওবায়দুল্লাহClick
২৫লালসালুসৈয়দ ওয়ালীউল্লাহClick
২৬সিরাজউদ্দৌলাসিকান্দার আবু জাফরClick
২৭বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদনবঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
২৮বিদ্রােহীকাজী নজরুল ইসলাম Click
২৯গৃহরোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন Click
৩০মানব কল্যাণ-আবুল ফজলClick
৩১বিলাসীশরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
৩২সোনার তরীরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick

বাংলা কবি সাহিত্যিকদের উপাধি

0

বাংলা কবি সাহিত্যিকদের উপাধিবাংলা সাহিত্যের কবিগণের উপাধি যে কোন প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষায় একটি হলেও প্রশ্ন এসে থাকে। তাই আমাদের এবারের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিকদের উপাধি এক সঙ্গে তুলে ধরানিম্নে টেবিলের মাধ্যমে দেখানো হলো।

কবি লেখকের উপাধি

নাম উপাধী
হেমচন্দ্র বন্দোপাধ্যায় বাংলার মিল্টন
ভারত চন্দ্র রায় গুণাকর/ প্রথম নাগরিক কবি
বিহারীলাল চক্রবর্তী ভোরের পাখি/বাংলা গীতি কবিতার জনক
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সাহিত্য সম্রাট
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় অপরাজেয় কথাশিল্পী
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ছন্দের যাদুকর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বকবি
কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহী কবি
মোজাম্মেল হক শান্তিপুরের কবি
হাসন রাজা মরমী কবি
মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালংকার
রাজা রামমোহন রায় ভার পথিক
ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ভাষাবিদ/ভাষা বিজ্ঞানী
ইসমাইল হোসেন সিরাজী অনল প্রবাহের কবি/সপ্নাতুর কবি
কায়কোবাদ মহাকবি
বেগম রোকেয়া মুসলিম নারীজাগরণের অগ্রদূত
আবদুল মান্নান সৈয়দ বিশুদ্ধতম কবি/ অশোক সৈয়দ
জীবনানন্দ দাস রূপসী বাংলার কবি/প্রকৃতির কবি/তিমির হননের কবি
জসীমউদদীন পল্লী কবি
আল মাহমুদ মায়াবী পর্দার কবি
নুরুন্নেসা খাতুন সাহিত্য সরস্বতী/বিদ্যাবিনোদিনী
সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী স্বপ্নাতুর কবি
বাহারাম খান দৌলত উজির খান
জাহানারা ইমাম শহীদ জননী
সুভাষ মুখোপাধ্যায়- পদাতিক কবি যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত- দুঃখবাদী কবি
ঈশ্বরচন্দ্র  শর্মা বিদ্যাসাগর, বাংলা গদ্যের জনক/যতি চিহ্নের প্রবর্তক
মালাধর বসু গুণরাজ খান
মুকন্দ রাম চারণ কবি
গোবিন্দ চন্দ্র দাস স্বভাব কবি
নজিবর রহমান সাহিত্যরত্ন
মীর মোশাররফ হোসেন গাজী মিয়া
ফকির গরিবুল্লাহ পুথিঁর জনক
আলাওল বাংলার সেক্সপীয়ার /মহাকবি
লালনশাহ বাউল কবি
শেখ ফজলুল করিম পরিত্রাণের কবি
আবুল মনসুর আহমদ ব্যঙ্গ সাহিত্যিক
মুসলিম সাহিত্য সমাজ শিখা গোষ্ঠী
ত্রিশের দশকের কবি কলোল গোষ্ঠী
আব্দুল কাদির ছান্দসিক কবি
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত যুগসন্ধিক্ষণের কবি
আব্দুল করিম সাহিত্য বিশারদ
গোলাম মোস্তফা কাব্য সুধাকর
ফররুখ আহমেদ মুসলিম রেঁনেসার কবি
রাম নারায়ণ তর্করত্ন
বিদ্যাপতি মিথিলার কোকিল/পদাবলার কবি
নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় সুনন্দ
মুকন্দ রাম চক্রবর্তী কবি কঙ্কণ
সুফিয়া কামাল জননী সাহসিকা
কালিদাস রায় সংস্কৃত ভাষার কবি
কবীন্দ্র পরমেশ্বর শ্রীকর নদী

HSC বাংলা সাহিত্য গল্প,কবিতা,উপন্যাস

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্তুতি-
নংগল্প + কবিতার নামসাহিত্যিকদের নামলিঙ্ক
০১আমার পথকাজী নজরুল ইসলামClick
০২বিড়ালবঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
০৩চাষার দুক্ষুবেগম রোকেয়া সাখাওয়াতClick
০৪বায়ান্নর দিনগুলোশেখ মুজিবুর রহমানClick
০৫অপরিচিতারবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick
০৬মাসি-পিসিমানিক বন্দ্যোপাধ্যায়Click
০৭জীবন ও বৃক্ষমোতাহের হোসেন চৌধুরীClick
০৮জাদুঘরে কেন যাবআনিসুজ্জামানClick
০৯নেকলেসগী দ্য মোপাসাঁ/ পূর্ণেন্দু দস্তিদারClick
১০রেইনকোটআখতারুজ্জামান ইলিয়াসClick
১১আহ্বানবিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়Click
১২মহাজাগতিক কিউরেটরমুহম্মদ জাফর ইকবালClick
১৩সাম্যবাদীকাজী নজরুল ইসলামClick
১৪ঐকতানরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick
১৫বিভীষণের প্রতি মেঘনাদমাইকেল মধূসুদন দত্তClick
১৬নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়সৈয়দ শামসুল হকClick
১৭তাহারেই পড়ে মনেসুফিয়া কামালClick
১৮ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯শামসুর রাহমানClick
১৯রক্তে আমার অনাদি অস্থি দিলওয়ার খানClick
২০ সেই অস্ত্রআহসান হাবিবClick
২১আঠারো বছর বয়সসুকান্ত ভট্টাচার্যClick
২২লোক লোকান্তরমীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদClick
২৩এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে জীবনানন্দ দাশClick
২৪আমি কিংবদন্তির কথা বলছিআবু জাফর ওবায়দুল্লাহClick
২৫লালসালুসৈয়দ ওয়ালীউল্লাহClick
২৬সিরাজউদ্দৌলাসিকান্দার আবু জাফরClick
২৭বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদনবঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
২৮বিদ্রােহীকাজী নজরুল ইসলাম Click
২৯গৃহরোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন Click
৩০মানব কল্যাণ-আবুল ফজলClick
৩১বিলাসীশরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
৩২সোনার তরীরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick

প্রতিদান- পল্লিকবি জসীমউদদীন

প্রতিদান- পল্লিকবি জসীমউদদীন

লেখক পরিচিতি

প্রকৃত নাম মোহাম্মদ জসীমউদদীন মোল্লা
ছদ্ম নাম জমির উদ্দীন মোল্লা
উপাধি পল্লিকবি
জন্ম সাল ১৯০৩ সালে ১ জানুয়ারি
কাব্যগ্রন্থ রাখালী, নকশী কাঁথার মাঠ, ধানক্ষেত, এক পয়সার বাঁশি, বালুচর, হাসু, সোজন বাদিয়ার ঘাট, রঙিলা নায়ের মাঝি, রূপবতি, কাফনের মিছিল , মা যে জননী কান্দে, সকিনা, মাটির কান্না।
নাটক বেদের মেয়ে, গ্রামের মায়া, পল্লীবধূ, মধুমালা, পদ্মাপার।
ভ্রমনকাহিনী চলে মুসাফির, হলদে পরীর দেশ, যে দেশে মানুষ বড়।
আত্মজীবনী জীবনকথা, ঠাকুরবাড়ির আঙিনায়, যাঁদের দেখেছি।
সাহিত্য বৈশিষ্ট্য পল্লির মানুষের আশা-স্বপ্ন-আনন্দ বেদনার আবেগঘন চিত্র ফুটিয়ে তোলা। পল্লিকবি নামে খ্যাত।
পুরস্কার ও সম্মাননা একুশে পদক, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডি.লিট ডিগ্রি লাভ করেন।
মৃত্যু ১৯৭৬ সালের ১৪ই মার্চ ঢাকায়।

>>> মূল বক্তব্য:

‘প্রতিদান’ কবিতাটি  ‘পল্লিকবি’ খ্যাত কবি জসীমউদ্দীনের ‘বালুচর’ কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে। এই কবিতায় কবির পরার্থপর চেতনার প্রকাশ ঘটেছে। এই কবিতার মধ্য দিয়ে ব্যক্তিস্বার্থ বিসর্জন দিয়ে অন্যের জন্য নিজেকে নিবেদন করার কথা বলা হয়েছে। কারণ পরার্থপরতাই জীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য। পরার্থপর মানুষই প্রকৃত সুখী। কবির চিন্তার মধ্য দিয়ে আমরা বুঝতে পারি যে, সমাজ- সংসারে বিদ্যমান হিংসা- বিভেদ, বৈষম্য, প্রতিশোধ আর প্রতিহিংসা দূর করতে হবে। তা হলেই সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে। কারণ মানুষ সহনশীল হলেই সুন্দর পৃথিবী নির্মাণ করা সম্ভব। কবি তাই তাঁর প্রতি অন্যায়, অবিচার ও হিংসা করা ব্যক্তিকে ক্ষমা করে বুকে টেনে নেন। কারণ তিনি সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের পৃথিবী প্রত্যাশা করেন

>>> প্রশ্নোত্তর:

১। জসীমউদ্দীনের পিতার নাম কী ?
উত্তর: আনসারউদ্দীন মোল্লা।
২। জসীমউদ্দীন কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন ?
উত্তর: জসীমউদ্দীন ফরিদপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
৩। জসীমউদ্দীন কোন কলেজ থেকে বিএ পাস করেন?
উত্তর: ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজ থেকে জসীমউদ্দীন বিএ পাস করেন।
৪। জসীমউদ্দীনকে ডিলিট প্রদান করে কোন বিশ্ববিদ্যালয় ?
উত্তর: রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় জসীমউদ্দীনকে ডিলিট প্রদান করে।
৫। জসীমউদ্দীন কত সালে মৃত্যুবরণ করেন ?
উত্তর: জসীমউদ্দীন ১৯৭৬ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
৬। ‘প্রতিদান’ কবিতার রচয়িতা কে ?
উত্তর: ‘প্রতিদান ’ কবিতার রচয়িতা জসীমউদ্দীন।
৭। ‘প্রতিদান’ কবিতায় স্তবক কয়টি ?
উত্তর: ‘প্রতিদান ’ কবিতায় স্তবক রয়েছে তিনটি।
৮। ‘বালুচর’ কাব্যগ্রন্থটি কার লেখা ?
উত্তর: ‘বালুচর ’ কাব্যগ্রন্থটি জসীমউদ্দীনের লেখা।
৯। ‘প্রতিদান’ কবিতায় কার ঘর ভাঙার কথা বলা হয়েছে ?
উত্তর: ‘প্রতিদান’ কবিতায় কবির ঘর ভাঙার কথা বলা হয়েছে।
১০। কবিকে যে পথের বিরাগী করেছে কবি তার জন্য কী
উত্তর: যে কবিকে পথের বিরাগী করেছে কবি তার জন্য পথে পথে ঘোরেন।
১১। কবি কাকে আপন করার জন্য কেঁদে বেড়ান ?
উত্তর: কবিকে যে পর করেছে তাকে আপন করার জন্য কেঁদে বেড়ান।
১২। ‘প্রতিদান’ কবিতা অনুসারে কে পথের বিরাগী ?
উত্তর : ‘প্রতিদান’ কবিতা অনুসারে কবি পথের বিরাগী।
১৩। কবি কার মুখ নিরন্তর সাজান ?
উত্তর: যে নিঠুরিয়া বাণী উচ্চারণ করে কবি তার মুখ নিরন্তর
১৪। ‘প্রতিদান’ কবিতায় কোন ধরনের ফুলের উল্লেখ আছে ?
উত্তর: ‘প্রতিদান’ কবিতায় রঙিন ফুলের উল্লেখ আছে।
১৫। ‘প্রতিদান’ কবিতায় কবির কোথায় আঘাত করার কথা বলা হয়েছে ?
উত্তর: ‘প্রতিদান’ কবিতায় কবির বুকে আঘাত করার কথা বলা হয়েছে।
১৬। ‘বাণ’ শব্দের অর্থ কী ?
উত্তর: ‘বাণ ‘ শব্দের অর্থ তীর বা শর।
১৭। ‘মালঞ’ শব্দের অর্থ কী ?
উত্তর : ‘মালঞ ’ শব্দের অর্থ হলো ফুলের বাগান।
১৮৷ ‘বিরাগী’ শব্দের অর্থ কী ?
উত্তর: ‘ বিরাগী ’ শব্দের অর্থ উদাসীন।
১৯। ‘বাণী’ শব্দের অর্থ কী ?
উত্তর: ‘বাণী ‘ শব্দের অর্থ হলো ভাষণ বা কথা।
২০। ‘রজনী’ শব্দের অর্থ কী ?
উত্তর :’ রজনী ‘ শব্দের অর্থ হলো রাত।

>>> ব্যাখ্যা মূলক প্রশ্ন:

প্রশ্ন ১। “আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা, আমি বাঁধি তার ঘর” চরণটি ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : কবির ঘর যে ভেঙেছে, কবি তার ঘর তৈরি করে দেন আলোচ্য চরণের মাধ্যমে এটিই প্রকাশ পেয়েছে। আমাদের চারপাশে এমন অনেক মানুষ আছে যারা অন্যের ক্ষতিসাধন করতে সর্বদা ব্যাপৃত থাকে। তারা কখনো অন্যের ভালো সহ্য করতে পারে না। তারা অন্যের অপকার করতে গিয়ে মূলত নিজেরই ক্ষতি করে। এমন ক্ষতিকর মানুষ কবির ঘর ভাঙে। এতে কবির অপকার হলেও তিনি মনে কোনো ক্ষোভ রাখেন না। বরং কবির ঘর যে ভেঙেছে, কবি তার ঘর প্রস্তুত করে দেন। এর মাধ্যমে কবির উদার মহানুভবতার পরিচয় পাওয়া যায়।

প্রশ্ন ২। কবির পথে পথে ঘুরে বেড়ানোর কারণ ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : কবিকে যে পথের বিরাগী করেছে, কবি তাকে আপন করার জন্য পথে পথে ঘোরেন। সব মানুষ সমান নয়। কিছু মানুষ আছে যারা ভীষণভাবে আত্মকেন্দ্রিক। তারা অন্যকে গুরুত্ব দিতে চায় না। কেবল নিজেরা ভোগ- বিলাসে আসক্ত থাকে। এমনই এক আত্মকেন্দ্রিক মানুষ কবিকে পথের বিরাগী করে। এতে কবির দুঃখ নেই। তাই কবিকে যে পথের বিরাগী করেছে কবি তার জন্যই পথে পথে ঘুরে বেড়ান। কারণ কবি তাকে আপন করতে চান।

প্রশ্ন ৩। “দীঘল রজনী তার তরে জাগি ঘুম যে হরেছে মোর।”-ব্যাখ্যা কর। অথবা, কবি কার জন্য জেগে থাকেন? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : কবির ঘুম যে কেড়ে নিয়েছে কবি তার জন্য জেগে থাকেন বহুনির্বাচনি অংশ প্রিয় শিক্ষার্থী, এ অংশে তোমাদের সেরা প্রস্তুতির জন্য কবি একজন উদার, মহৎ ও সুন্দর হৃদয়ের মানুষ। পরার্থপরতা তাঁর অন্যতম প্রধান গুণ। সব মানুষের জন্যই তাঁর প্রাণ কাদে। তাই তো দীর্ঘ রাত কবি জেগে থাকেন। তিনি তার জন্য জেগে থাকেন, যে ব্যক্তি তার ঘুম হরণ করেছে। অর্থাৎ কষ্ট পেলেও কবি বুক ভরা ভালোবাসা দিয়ে তাকে আগলে রাখেন, যে কবির ক্ষতি করেছে। তাই কবি বলেছেন, দীঘল রজনী তার তরে জাগি ঘুম যে হরেছে মোর। ‘

প্রশ্ন ৪। কবি কাকে বুকভরা গান দেন ? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : যে কবিকে বিষে ভরা বাণ দেয় কবি তাকে বুকভরা গান দেন। পৃথিবীর সব মানুষ সমান চেতনার অধিকারী নয়। কিছু মানুষ আছে যাদের আচরণ বা কর্মকান্ড অন্যের বুকে বিষাক্ত বাণের মতো বিঁধে। তারা কথা বা আচরণ দিয়ে জর্জরিত করে অন্যের জীবন। কবি এমন মানুষদের কথা বলতে গিয়ে বলেছেন, যারা কথা বা কাজে নির্মমভাবে জর্জরিত করে কবি তাদের জন্য রাখেন বুক ভরা গান। অর্থাৎ কবিকে যারা বিষে ভরা বাণ দেয় কবি তাদের জন্য বুক উজাড় করে গান দেন।

প্রশ্ন ৫। কবি নিরন্তর কী সাজান ? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : যার মুখ দিয়ে নিষ্ঠুর বাণী উচ্চারিত হয় কবি তার মুখখানি নিরন্তর সাজান। সমাজে এমন একশ্রেণির মানুষ আছে যাদের আচরণ ও ব্যবহার অন্যকে যন্ত্রণা দেয়। তাদের নিষ্ঠুর বাণী অন্যের হৃদয়ে কাঁটার মতো আঘাত করে। কবি এমন মানুষের কথা বলতে গিয়ে বলেছেন, যে ব্যক্তি কবিকে এমন নিষ্ঠুর বাণী শোনায় কবি তাকেও ভালোবেসে আপন করে নেন। তার মুখখানি বিভিন্ন দিক থেকে আনা সুমিষ্ট বচনে নিরন্তর সাজান। তাই বলা যায় যে, কবি তার মুখখানি নিরন্তর সাজান যে ব্যক্তি মুখ দিয়ে নিষ্ঠুর বাণী উচ্চারণ করে।

>>> শব্দার্থ:

  • বাঁধি – বেঁধে দিই, বন্ধন করি।
  • কুল – বংশ, আভিজাত্য।
  • বিষ – গরল, দ্বেষ।
  • বাণ – তীর, শর।
  • জনম – জন্ম।
  • রঙিন – রঞ্জিত, বিচিত্র বর্ণে রঞ্জিত বা শোভিত।
  • বাণী – ভাষা, উত্তি, ভাষণ।
  • সখি – সহচরী, বান্ধবী।

>>> বানান:
কাঁদা, দীঘল, রজনী, কুল, আঘাত, বিষ, বাণ, কাঁটা, জনম, রঙিন, মালঞ্চ, নিঠুরিয়া, বাণী, সখি, ঠাঁই, নিরন্তর।

>>> চুম্বুক পয়েন্ট:

  1. ‘প্রতিদান’ কবিতাটি কবি জসীমউদ্দীন রচিত।
  2. জসীমউদ্দীন পল্লিকবি হিসেবে খ্যাত।
  3. ‘প্রতিদান’ কবিতাটি ‘বালুচর’ কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে।
  4. ‘প্রতিদান’ কবিতাটির উপজীব্য বিষয় পরার্থপরতা।
  5. কবি মহৎ, উদার, ক্ষমাশীল হৃদয়ের মানুষ, তাই তিনি শত্রুকেও আপন করে নেন।
  6. ‘প্রতিদান’ কবিতায় প্রতিদানে ঘর বাঁধা, দীঘল রজনী জাগা, বুকভরা গান দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
  7. কবি নিঠুর বাণী উচ্চারণকারীর মুখখানিও ভালোবাসেন।
  8. যে ব্যক্তি কবিকে কষ্ট দেয় তিনি নিরন্তর তাকে আপন করতে কেঁদে বেড়ান।
  9. কবি অনিষ্টকারীর উপকার করার মধ্য দিয়ে পৃথিবীকে সুন্দর করতে চান।

HSC বাংলা সাহিত্য গল্প,কবিতা,উপন্যাস

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্তুতি-
নংগল্প + কবিতার নামসাহিত্যিকদের নামলিঙ্ক
০১আমার পথকাজী নজরুল ইসলামClick
০২বিড়ালবঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
০৩চাষার দুক্ষুবেগম রোকেয়া সাখাওয়াতClick
০৪বায়ান্নর দিনগুলোশেখ মুজিবুর রহমানClick
০৫অপরিচিতারবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick
০৬মাসি-পিসিমানিক বন্দ্যোপাধ্যায়Click
০৭জীবন ও বৃক্ষমোতাহের হোসেন চৌধুরীClick
০৮জাদুঘরে কেন যাবআনিসুজ্জামানClick
০৯নেকলেসগী দ্য মোপাসাঁ/ পূর্ণেন্দু দস্তিদারClick
১০রেইনকোটআখতারুজ্জামান ইলিয়াসClick
১১আহ্বানবিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়Click
১২মহাজাগতিক কিউরেটরমুহম্মদ জাফর ইকবালClick
১৩সাম্যবাদীকাজী নজরুল ইসলামClick
১৪ঐকতানরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick
১৫বিভীষণের প্রতি মেঘনাদমাইকেল মধূসুদন দত্তClick
১৬নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়সৈয়দ শামসুল হকClick
১৭তাহারেই পড়ে মনেসুফিয়া কামালClick
১৮ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯শামসুর রাহমানClick
১৯রক্তে আমার অনাদি অস্থি দিলওয়ার খানClick
২০ সেই অস্ত্রআহসান হাবিবClick
২১আঠারো বছর বয়সসুকান্ত ভট্টাচার্যClick
২২লোক লোকান্তরমীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদClick
২৩এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে জীবনানন্দ দাশClick
২৪আমি কিংবদন্তির কথা বলছিআবু জাফর ওবায়দুল্লাহClick
২৫লালসালুসৈয়দ ওয়ালীউল্লাহClick
২৬সিরাজউদ্দৌলাসিকান্দার আবু জাফরClick
২৭বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদনবঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
২৮বিদ্রােহীকাজী নজরুল ইসলাম Click
২৯গৃহরোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন Click
৩০মানব কল্যাণ-আবুল ফজলClick
৩১বিলাসীশরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়Click
৩২সোনার তরীরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরClick

বাংলাদেশ সংবিধান

বাংলাদেশ সংবিধান

বাংলাদেশ সংবিধান

সংবিধান প্রণয়নঃ

সংবিধান একটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দলিল। এই দলিল লিখিত বা অলিখিত হতে পারে। বাংলাদেশের সংবিধান একটি লিখিত দলিল। দীর্ঘ সংগ্রাম, ত্যাগ আর রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশের জনগণ এই সংবিধান লাভ করে। মাত্র নয় মাসে সদিচ্ছা, আন্তরিকতা আর জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতির প্রতি সৎ থেকে সংক্ষিপ্ততম সময়ে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান প্রণীত হয়েছে বঙ্গবন্ধুর সরকারের নেতৃত্বে।যা দেশ পুনর্গঠনে সবচেয়ে জরুরি পদক্ষেপ ছিল।

সংবিধান এর বৈশিষ্ট্যঃ

  1. লিখিত সংবিধানঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান একটি লিখিত সংবিধান।
  2. দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধানঃ ৪৪২ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদের মোট সদস্যের দুই-তৃতীয়াংশ ভোটেই কেবল সংবিধানের কোন বিধান পরিবর্তন করা যাবে।
  3. প্রস্তাবনাঃ বাংলাদেশের সংবিধান একটি প্রস্তাবনা দিয়ে শুরু হয়েছে। ইহাকে সংবিধানের Guiding star বলা হয়।
  4. সংবিধানের প্রাধান্যঃ বাংলাদেশের সংবিধানে সংবিধানের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কারণ ৭(২) নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এ সংবিধানের সাথে অসামঞ্জস্য হয় তাহলে যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ হবে ততখানি বাতিল বলে গণ্য হবে।
  5. এককেন্দ্রীক শাসনব্যবস্থাঃ বাংলাদেশ একটি এককেন্দ্রীক গণপ্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র হবে। তবে স্থানীয় সরকার কেন্দ্রী সরকারের এজেন্ট হিসেবে কাজ করে।
  6. এক কক্ষ বিশিষ্ট আইন পরিষদঃ ৬৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের একটি এক কক্ষ বিশিষ্ট আইন পরিষদের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আইনসভার নাম ‘জাতীয় সংসদ’।
  7. সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের মূলনীতি – ৪টিঃ ১। ধর্মনিরপেক্ষতা, ২। জাতীয়তাবাদ, ৩। গণতন্ত্র, ৪। সমাজতন্ত্র।
  8. মৌলিক অধিকারঃ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মোট ১৮টি মৌলিক অধিকার সন্নিবেশ করা হয়েছে। এ অধিকারগুলোর অভিভাবক ও সংরক্ষণকারী হলো সুপ্রীম কোর্ট।
  9. মন্ত্রী পরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থাঃ মন্ত্রী পরিষদ শাসীত সরকার বলতে এমন এক ধরনের শাসন ব্যবস্থাকে বোঝায় যেখানে দেশের শাসন সংক্রান্ত যাবতীয় ক্ষমতা এক দল মন্ত্রী পরিষদের হাতে ন্যস্ত থাকে।
  10.  বিচার বিভাগীয় স্বাধীনতাঃ  সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে রাষ্ট্র নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরনে সচেষ্ট হবে।
  11. ন্যায়পালঃ  সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদে বাংলাদেশে একটি ন্যায়পালের সৃষ্টি হয়েছে।
  12. বাংলাদেশ সংবিধানের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ১২ টি।
সংবিধানের ভাগ
ভাগ বিষয় ধারা নং সংখ্যা
প্রথম প্রজাতন্ত্র ১-৭ ৭টি
দ্বিতীয় রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতি ৮-২৫ ১৮টি
তৃতীয় মৌলিক অধিকার ২৬-৪৭ ১৮টি
চতুর্থ নির্বাহী বিভাগ ৪৮-৬৪ ১৭টি
পঞ্চম আইনসভা ৬৫-৯৩ ২৯টি
ষষ্ঠ বিচার বিভাগ ৯৪-১১৭ ২৩টি
সপ্তম নির্বাচন ১১৮-১২৬ ৯টি
অষ্টম মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক ১২৭-১৩২ ৬টি
নবম (ক) বাংলাদেশের কর্ম বিভাগ ১৩৩-১৪১ ৯টি
নবম (খ) জরুরী বিধানাবলী ১৪১ ক, ১৪১ গ ৯টি
দশম সংবিধান সংশোধন ১৪২ ১টি
একাদশ বিবিধ ১৪৩-১৫৩ ১১টি

সংবিধান থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ

  1. বাংলাদেশের সাংবিধানিক নাম → গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ।
  2. বাংলাদেশের সংবিধান → লিখিত সংবিধান।
  3. সংবিধান রচনার প্রথম পদক্ষেপ → গণপরিষদে আদেশ জারি।
  4. সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র বিরোধী সদস্য → সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
  5. সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য → বেগম রাজিয়া বানু।
  6. গণপরিষদে খসড়া সংবিধান গৃহীত ও কার্যকরী হয় → ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে।
  7. সংবিধানে ভাগ রয়েছে ১১টি এবং অনুচ্ছেদ রয়েছে → ১৫৩ টি।
  8. বাংলাদেশ সংবিধান থেকে উঠিয়ে দেয়া হয় → ১২ নং ধারাটি, ধর্ম নিরপেক্ষতা।
  9. জাতীয় সংসদ ভবনে প্রথম অধিবেশন বসে → ১৫ই ফেব্রুয়ারি ১৯৮২ সালে।
  10. বাংলাদেশের রাষ্ট্র প্রধান → রাষ্ট্রপতি।
  11. বাংলাদেশের সরকার প্রধান → প্রধানমন্ত্রী।
  12. বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম চলে → রাষ্ট্রপতির নামে।
  13. জাতীয় সংসদের ১নং আসন → পঞ্চগড় এবং ৩০০ নং আসন → বান্দরবান।
  14. সংসদে ফ্লোর ক্রসিং বলে → অন্য দলে যোগ দিলে বা নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দিলে।
  15. বাংলাদেশে স্বল্পকালীন সংসদ  → ষষ্ঠ সংসদ।
  16. বাংলাদেশে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয় → ৩ বার (১৯৭৮, ১৯৮১, ১৯৮৬ সালে)।
  17. বাংলাদেশে গণভোট হয় → ৩ বার (১৯৭৭, ১৯৮৫, ১৯৯১ সালে)।
  18. বিভাগের প্রশাসনিক প্রধান → কমিশনার।
  19. জেলার প্রশাসনিক প্রধান → ডেপুটি কমিশনার।
  20. ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য → ১৩ জন (১ জন চেয়ারম্যান, ৯ জন সদস্য এবং ৩ জন মহিলা সদস্য)।
  21. আপিল বিভাগে বিচারপতি → ১১ জন।
  22. বিমান বাহিনীর শ্লোগান → ‘বাংলার আকাশ রাখিব মুক্ত’।
  23. বিমান বাহিনীর ট্রেনিং সেন্টার → যশোরে।
  24. বাংলাদেশের প্রথম মহিলা ব্রিগেডিয়ার → সুরাইয়া বেগম।
  25. স্থানীয় সরকারের ৩টি  স্তর হচ্ছে → ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ।
  26. গ্রাম সরকার ব্যবস্থার প্রবর্তক → রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।
  27. উপজেলা ব্যবস্থার প্রবর্তক → হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
  28. বর্তমানে জেলা পরিষদের সংখ্যা → ৬৪টি।
  29. বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান → রাষ্ট্রপতি।
  30. বাংলাদেশের প্রথম প্রধান সেনাপতি → জেনারেল এম. এ. জি. ওসমানী।
  31. সশস্ত্রবাহিনী দিবস পালিত হয় → ২১ শে নভেম্বর।
  32. বাংলাদেশ সামরিক জাদুঘর অবস্থিত → ঢাকা সেনানিবাসে।
  33. বাংলাদেশে প্রথম সামরিক আইন জারি হয় → ১৯৭৫ সালে।
  34. বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ পদ → ফিল্ড মার্শাল।
  35. সারদা পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় → ১৯১২ সালে পদ্মা নদীর তীরে।
  36. সরকারি কর্ম কমিশন প্রধানের পদবি → চেয়ারম্যান।
  37. সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দকে নিয়োগ দান করেন → রাষ্ট্রপতি।
  38. বাংলাদেশ সংবিধানের নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা বিষয়ক বিধান রয়েছে → ১১৮ নং অনুচ্ছেদে।
  39. নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ → ৫ বছর।
  40. সংবিধানের ভোটার তালিকার বিধান বর্ণিত আছে → ১২১ নং অনুচ্ছেদে।
  41. বাংলাদেশে প্রথম ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা হয় → ৩০ জানুয়ারি, ১৯৭৩ সালে।
  42. স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন গঠিত হয় → ২১-এ নভেম্বর ২০০৪।
  43. স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন → ৩ সদস্য বিশিষ্ট (১ জন চেয়ারম্যান ও ২ জন সদস্য)।
  44. স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশনের মেয়াদকাল → ৪ বছর।
  45. স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশনের কার্যালয় অবস্থিত → ঢাকার সেগুনবাগিচায়।
  46. বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি → বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান।
  47. বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন → জাতীয় সংসদ সদস্যদের ভোটে।
  48. প্রধান বিচারপতি এবং আপিল বিভাগে নিযুক্ত বিচারকদের নিয়ে গঠিত হয় → আপিল বিভাগ।
  49. গণপরিষদের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন → ড. কামাল হোসেন।
  50. স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান রচনার জন্যে কমিটি গঠিত হয়েছিল → ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট।
  51. বাংলাদেশের সংবিধান থেকে ‘ধর্ম নিরপেক্ষতা’ বাদ দেন → প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।
  52. নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারদের নিয়োগ দেন → রাষ্ট্রপতি।
  53. নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয় → সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী অনুসারে।
  54. তত্ত্বাবধায়ক সরকার যৌথভাবে দায়ী থাকেন → রাষ্ট্রপতির নিকট।
  55. সংসদ ভেঙ্গে দেয়ার পর প্রধান উপদেষ্টা ও অন্যান্য উপদেষ্টা নিযুক্ত হবেন → ১৫ দিনের মধ্যে।

বাংলাদেশ সংবিধানের ১৭ টি সংশোধনী

সংশোধনী সংশোধনীর বিষয়বস্তু
প্রথম সংশোধনী যুদ্ধাপরাধীসহ অন্যান্য গণবিরোধীদের বিচারের বিধান নিশ্চিত করা
দ্বিতীয় সংশোধনী অভ্যান্তরীণ বা বহিরাক্রমণ গোলযোগে দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক জীবন বিপন্ন হলে সে অবস্থায় ‘জরুরী অবস্থা’ ঘোষণার বিধান
তৃতীয় সংশোধনী চুক্তি অনুযায়ী বেরুবাড়িকে ভারতের নিকট হস্তান্তরের বিধান
চতুর্থ সংশোধনী সংসদীয় শাসন পদ্ধতির পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসন পদ্ধতি চালুকরণ এবং বহুদলীয় রাজনীতির পরিবর্তে একদলীয় রাজনীতি প্রবর্তন
পঞ্চম সংশোধনী ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের সামরিক অভ্যুত্থানের পর হতে ১৯৭৯ সালের ৯ই এপ্রিল পযর্ন্ত সামরিক সরকারের যাবতীয় কর্মকাণ্ডের, ফরমানের ও প্রবিধানের বৈধতা দান
ষষ্ঠ সংশোধনী উপরাষ্ট্রপতি পদ হতে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের বিধান নিশ্চিতকরণ
সপ্তম সংশোধনী ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ তারিখের ফরমান ও উক্ত ফরমান দ্বারা ঘোষিত সামরিক আইন বলবৎ থাকাকালীন সময়ে প্রণীত সকল ফরমান, প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের আদেশ, নির্দেশ, অধ্যাদেশসহ অন্যান্য আইন অনুমোদন
অষ্টম সংশোধনী রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামকে স্বীকৃতি দান এবং ঢাকার বাহিরে ছয়টি জেলায় হাইকোর্টের স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপন
নবম সংশোধনী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সংগে একই সময়ে উপরাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠান করা, রাষ্ট্রপতি পদে কোনো ব্যক্তি পর পর দুই মেয়াদে সীমাবদ্ধ রাখা
দশম সংশোধনী প্রেসিডেন্ট কার্যকালের মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বে ১৮০ দিনের মধ্যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ব্যাপারে সংবিধানের বাংলা ভাষ্য সংশোধন ও সংসদে মহিলাদের ৩০টি আসন আরও ১০ বৎসরকালের জন্যে সংরক্ষণ
একাদশ সংশোধনী অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি বিচারপতি শাহাবুদ্দীন আহমদের স্বপদে ফিরে যাবার বিধান
দ্বাদশ সংশোধনী সংসদীয় পদ্ধতির সরকার প্রবর্তন
ত্রয়োদশ সংশোধনী অবাধ, সুষ্ঠু সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্যে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন
চতুর্দশ সংশোধনী সংসদে নারী আসন, প্রধান বিচারপতি, নির্বাচন কমিশনার, প্রধান হিসাব নিরীক্ষীদের অব

সর বয়সসীমা বৃদ্ধি ও অর্থবিল

পঞ্চদশ সংশোধনী প্রস্তাবনার সংশোধন, ’৭২-এর মলনীতি পুনর্বহাল, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্ত, নারীদের জন্য ৫০ আসন সংরক্ষন, ইসির ক্ষমতা বৃদ্ধি ইত্যাদি
ষোড়শ সংশোধনী বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদে বিচার পতিদের অভিশংসন ক্ষমতা সংসদের হাতে ন্যস্ত করা হয়
সপ্তদশ সংশোধনী একাদশ জাতীয় সংসদে প্রথম বৈঠকের তারিখ হতে শুরু কওে ২৫ বছর সময় অবিবাহিত হওযার অব্যবহিত পরবর্তী সময়ে সংসদ ভেঙ্গে না যাওয়া পর্যন্ত ৫০ টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

BCS Written Exam

বাংলাদেশ সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ সমূহ

অনুচ্ছেদ অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু
২ক অনুচ্ছেদ রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম
৩ অনুচ্ছেদ রাষ্ট্রভাষা বাংলা
৪ অনুচ্ছেদ জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক
৬(২) অনুচ্ছেদ ‘বাংলাদেশী’ বলে পরিচিতি
৮ অনুচ্ছেদ মূলনীতি সমূহ
১১ অনুচ্ছেদ গণতন্ত্র ও মৌলিক মানবাধিকার
১৪ অনুচ্ছেদ কৃষক ও শ্রমিক
২৮ (২) অনুচ্ছেদ নারী ও পুরুষের সমান অধিকার
৩১ অনুচ্ছেদ আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার
৩২ অনুচ্ছেদ জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতা
৩৩ অনুচ্ছেদ গ্রেফতার ও আটক
৩৬ অনুচ্ছেদ চলাফেরার স্বাধীনতা
৩৭ অনুচ্ছেদ সমাবেশের স্বাধীনতা
১৭ অনুচ্ছেদ অবৈতনিক ও বাধ্যতামলক শিক্ষা
২২ অনুচ্ছেদ নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ
৪১ অনুচ্ছেদ ধর্মীয় স্বাধীনতা
৫১ অনুচ্ছেদ রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি
৫২ অনুচ্ছেদ রাষ্ট্রপতির অভিশংসন
৫৮ (খ) অনুচ্ছেদ নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার
৬৪ অনুচ্ছেদ এ্যাটর্নি জেনারেল
৭৭ অনুচ্ছেদ ন্যায়পাল
৮১ অনুচ্ছেদ অর্থবিল
৯৪ অনুচ্ছেদ সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠা
৯৫ অনুচ্ছেদ বিচারক নিয়োগ
১১৭ অনুচ্ছেদ প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল
১১৮ অনুচ্ছেদ নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা
১২৭ অনুচ্ছেদ মহা হিসাব নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠা
১৩৭ অনুচ্ছেদ সরকারি কর্ম-কমিশন
১৪১ (ক) অনুচ্ছেদ জরুরী অবস্থা ঘোষণা
১৪২ অনুচ্ছেদ সংবিধান সংশোধন

ভাষা আন্দোলন মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র ও গ্রন্থ

সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ সমূহ অনুশীলন

বিষয় অনুচ্ছেদ নং
রাষ্ট্র ধর্ম ২ (ক)
রাষ্ট্র ভাষা
জাতীয় সংগীত, পতাকা ও প্রতীক
জাতির পিতার প্রতিকৃতি ৪ (ক)
প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ৫ (১)
জাতি হিসেবে বাঙ্গালী এবং নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশী ৬ (২)
রাষ্ট্রপরিচালনায় মূলনীতি
জাতীয় জীবনে মহিলাদের অংশগ্রহণ ১০
গণতন্ত্র ও মানবাধিকার ১১
ধর্মনিরপেক্ষতা [পুনঃসংযোগজন] ১২
অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা ১৭
সুযোগের সমতা ১৯
নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ ২২
মৌলিক অধিকারের সাথে অসমাঞ্জস্য আইন বাতিল ২৬
আইনের দৃষ্টিতে সমতা ২৭
নারী পুরুষের সমান অধিকার ২৮ (২)
সরকারী কর্মে নিয়োগলাভে সুযোগের সমতা ২৯
আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার ৩১
নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা ৯৪
প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ৯৫
প্রশাসনিক ট্রাইবুন্যাল ১১৭
ভোটার তালিকা ১১৯
বিষয় অনুচ্ছেদ নং
সমাবেশের স্বাধীনতা ৩৭
সংগঠনের স্বাধীনতা ৩৮
চিন্তা, বিবেক বা বাক্-স্বাধীনতা ৩৯
সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ৩৯(১)
ধর্মীয় স্বাধীনতা ৪১
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সংক্রান্ত ৪৭ (ক)
রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার ৪৯
রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি ৫১
রাষ্ট্রপতির অভিশংসন ৫২
রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী নিয়োগ ৫৬(২)
স্থানীয় সরকার ৫৯
সংরক্ষিত নারী আসন ৬৫(ক)
ফ্লোর ক্রসিং ৭০
ন্যায়পাল ৭৭
রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা ৯৩
সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা ৯৪
প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ৯৫
প্রশাসনিক ট্রাইবুনাল ১১৭
মহা হিসাব-নিরীক্ষক ১২৭
জরুরী অবস্থা ঘোষণা ১৪১(ক)
সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা ১৪২
আন্তর্জাতিক চুক্তি ১৪৫(ক)

 

Online MCQ Exam Constitution of Bangladesh